• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • বিয়ের প্রতিশ্রতি দিয়ে সহবাস মানেই ধর্ষণ নয় , রায় দিল্লি হাইকোর্টের

বিয়ের প্রতিশ্রতি দিয়ে সহবাস মানেই ধর্ষণ নয় , রায় দিল্লি হাইকোর্টের

দীর্ঘদিন ধরে কোনও মহিলা নিজের ইচ্ছেতে কারও সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুললে তা ধর্ষণ বলে বিবেচ্য হবে না৷ বুধবার এমনই রায় দিল দিল্লি হাইকোর্ট৷

দীর্ঘদিন ধরে কোনও মহিলা নিজের ইচ্ছেতে কারও সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুললে তা ধর্ষণ বলে বিবেচ্য হবে না৷ বুধবার এমনই রায় দিল দিল্লি হাইকোর্ট৷

দীর্ঘদিন ধরে কোনও মহিলা নিজের ইচ্ছেতে কারও সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুললে তা ধর্ষণ বলে বিবেচ্য হবে না৷ বুধবার এমনই রায় দিল দিল্লি হাইকোর্ট৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করার অর্থ সবসময় ধর্ষণ নয়৷ দীর্ঘদিন ধরে কোনও মহিলা নিজের ইচ্ছেতে কারও সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুললে তা ধর্ষণ বলে বিবেচিত হবে না৷ বুধবার এমনই রায় দিল দিল্লি হাইকোর্ট৷

    সম্প্রতি এমনই এক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই রায় দেয় হাইকোর্ট৷ এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছিলেন এক মহিলা৷ তাঁর অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে আবদ্ধ হয়েছেন ওই ব্যক্তি৷ এবং পরে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন৷ এই অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলার রায় দিতে গিয়ে আদালত জানায়, দীর্ঘদিন ধরে স্থাপিত যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিয়ের প্রতিশ্রুতি প্ররোচনা হিসাবে ধরা যাবে না৷ বিচারপতি বিভু ভাকরু জানান, বিয়ের মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে যৌন সম্পর্ককে তখনই ধর্ষণ হিসাবে গণ্য করা হবে যখন  কেউ  সাময়িক যৌন লালসার শিকার হবেন৷

    হাইকোর্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে, ইচ্ছে না থাকা সত্ত্বেও কখনও কখনও বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাউকে যৌন সম্পর্কের জন্য প্ররোচিত করা হয়৷ ‘না’ বলার পরেও এই ধরনের প্ররোচনা দেওয়া হয় বারবার৷ কেবলমাত্র এক্ষেত্রেই কাউকে বিয়ের মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্যাতনের শিকার করা হয়েছে বলে ধরা যেতে পারে৷ ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৫ নম্বর ধারায় একে ধর্ষণ হিসাবে গণ্য করা হতে পারে৷ কিন্তু দিনের পর দিন দুজনের সহমতে ঘনিষ্ঠতা, বিশেষ করে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করাকে ধর্ষণ বলা যাবে না৷

    ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণা ও ধর্ষণের অভিযোগ আনেন ওই মহিলা৷ তাঁর অভিযোগ, মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন সহবাস করার পর অন্য মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন ওই ব্যক্তি৷

    কিন্তু এই অভিযোগকে খারিজ করে দেয় নিম্ন আদালত৷ এরপর দিল্লি হাইকোর্ট একই রায় দেয়৷ আদালত জানায়, ওই মহিলার সম্মতিতেই দু' জনের মধ্যে যৌন সম্পর্ক স্থাপন হয়৷ ফলে এক্ষেত্রে এই ঘটনাকে ধর্ষণ যাবেনা৷

    ২০০৮ সাল থেকে ওই ব্যক্তির সাথে যৌন সম্পর্ক ছিল মহিলাটির৷ এর প্রায় ৪মাস পর ব্যক্তি তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন৷ এমন কি তাঁর সঙ্গে পালিয়েও যান৷ তাই এই মামলাকে কোনওভাবেই ধর্ষণের মামলা হিসাবে গণ্য করা যাবে না৷

    Published by:Simli Dasgupta
    First published: