হোম /খবর /দেশ /
নির্মলা সীতারামনের প্রাক-বাজেট বৈঠক বয়কট শ্রমিক সংগঠনগুলির

নির্মলা সীতারামনের প্রাক-বাজেট বৈঠক বয়কট শ্রমিক সংগঠনগুলির

১২-টির বেশি শ্রমিক সংগঠন। প্রতিটি সংগঠনের বক্তব্য রাখার জন্য বরাদ্দ মাত্র ৩ মিনিট। তাও ভিডিও কনফারেন্স বৈঠকে। তারই প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের ডাকা প্রাক বাজেট বৈঠক বয়কট করল শ্রমিক সংগঠনগুলি

  • Share this:

#নয়াদিল্লি : ১২-টির বেশি শ্রমিক সংগঠন। প্রতিটি সংগঠনের বক্তব্য রাখার জন্য বরাদ্দ মাত্র ৩ মিনিট। তাও ভিডিও কনফারেন্স বৈঠকে। তারই প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের ডাকা প্রাক বাজেট বৈঠক বয়কট করল শ্রমিক সংগঠনগুলি। তাদের বক্তব্য, এই বৈঠক প্রহসন ছাড়া কিছুই নয়।

১০ টি জাতীয় শ্রমিক সংগঠন গত ২৫ নভেম্বর বৈঠকের বিরোধিতা করে যৌথ বিবৃতি জারি করে। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, 'করোনার সবরকম বিধি নিষেধ প্রত্যাহার হওয়ার পরও ভিডিও কনফারেন্স বৈঠকের আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। যেখানে কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনের সংখ্যা ১২ টির বেশি, সেখানে বৈঠকের সময় মাত্র ৭৫ মিনিট। শ্রমিক সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনের সংখ্যা ১২। আমন্ত্রণপত্র দেখে মনে হয়েছে তার বেশিও হতে পারে। ফলে প্রতিটি সংগঠন ৫ মিনিটেরও কম সময় পাবে।'

এরই প্রতিবাদে আজ, সোমবারের বৈঠকে গড় হাজির ছিল শ্রমিক সংগঠনগুলি। এদিন সকালে অর্থ মন্ত্রকের ডাকা প্রাক বাজেট বৈঠকে উপস্থিত ছিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ ঘনিষ্ঠ শ্রমিক সংগঠন ভারতীয় মজদুর সংঘ। এছাড়াও ফিকি, সিআইআই কর্তারাও উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে। একশো দিনের কাজে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি তোলা হয়েছে শ্রমিক সংগঠনের তরফে। এছাড়াও কর্পোরেট কর বাড়ানো এবং সম্পত্তি কর ধার্য করারও দাবি তোলে শ্রমিক সংগঠনগুলি।

গত সপ্তাহে প্রাক বাজেট প্রস্তুতি শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই রাজ্যের অর্থ মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।  গত বাজেটেও সরকার অবকাঠামো খাতে বেশি জোর দিয়েছিল। মোদি সরকারের দাবি, ইনফ্রা সেক্টরের শক্তি বৃদ্ধির ফলে লক্ষাধিক কর্মসংস্থান তৈরি হবে, যা অর্থনীতিকে চাঙ্গা করবে। সরকার অবকাঠামো প্রকল্পগুলিতে তহবিল দেওয়ার জন্য একটি নগদীকরণ প্রকল্পও চালু করেছে। এ'খাতকে গতিশীল করতে শিল্পপতি ও অবকাঠামো খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৩ সালের বাজেট সম্পর্কে সমস্ত স্টেকহোল্ডারের কাছ থেকে পরামর্শ চেয়েছে। এই পরামর্শগুলি পর্যালোচনা করার পরে, সেগুলি আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পেশ করা সাধারণ বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে এটিই হবে মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন ২০২৪ সালের এপ্রিল-মে মাসে অনুষ্ঠিত হতে পারে। তার আগে সরকারের সামনে মূল্য বৃ্দ্ধি, প্রবৃদ্ধির হার, কর্মসংস্থানের মতো অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এটি হবে মোদি সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের পঞ্চম বাজেট, এর পরে পরবর্তী নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে।

রাজীব চক্রবর্তী

Published by:Rukmini Mazumder
First published:

Tags: Nirmala Sitharaman