• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • পৃথিবীর চারপাশে বাড়ছে জঞ্জাল, ভারতকে মহাকাশের জঞ্জাল নিয়ে সতর্কতা

পৃথিবীর চারপাশে বাড়ছে জঞ্জাল, ভারতকে মহাকাশের জঞ্জাল নিয়ে সতর্কতা

  • Share this:

    #কলকাতা :মিশন শক্তি নিয়ে ভারতকে সতর্ক করল আমেরিকা । মহাকাশে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে উপগ্রহের ধ্বংসাবশেষ ছড়ানো উচিত নয় বলে মন্তব্য মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিবের। মহাকাশে যেভাবে জঞ্জাল বাড়ছে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীরাও । যদিও ভারতের দাবি, মাটি থেকে মাত্র তিনশো কিলোমিটার দূরের উপগ্রহ ধ্বংস করা হয়েছে। যার ধ্বংসাবশেষ বঙ্গোপসাগরে ঝরে পড়বে ।

    মহাকাশ আর মহাশূন্য নয়। আজকের মহাকাশ জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে মহাজঞ্জাল । রয়েছে ধ্বংস হয়ে যাওয়া উপগ্রহের টুকরো । মহাকাশের চারপাশে এখন এমনই প্রায় পাঁচ লক্ষ টুকরো ঘুরছে। পৃথিবীর চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে প্রায় আট লক্ষ টন ধাতব জঞ্জাল। বিজ্ঞানীরা যাকে বলেন স্পেস জাঙ্ক বা স্পেস ডেব্রি । এসব খণ্ডাংশের গতি ঘণ্টায় চব্বিশ থেকে আঠাশ হাজার কিলোমিটার। বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথ, মধ্য কক্ষপথ ও জিওস্টেশনারি ওরবিট মিলিয়ে কয়েকশো উপগ্রহ রয়েছে। তার মধ্যে বেশ কয়েকটি উপগ্রহ নিষ্ক্রিয়। ভেঙে পড়া উপগ্রহ কয়েক টুকরো হয়ে গিয়ে জঞ্জালের পরিমাণ বাড়িয়েছে।

    আরও পড়ুন - ক্রিকেট খেলার সময় মৃত্যু মার্কিন নাগরিকের

    ২০০৭-এ চিন উপগ্রহ ধ্বংসের পর তাই আন্তর্জাতিক স্তরে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা হয়ে গিয়েছে। অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছ কয়েকটি উপগ্রহ। ২০১৮-তে মহাকাশ বর্জ্যের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন। তৈরি হয় একটি বিশাল ছিদ্র। প্রতিমুহূর্তে সতর্ক থাকতে হয় স্পেস স্টেশনগুলিকেও।

    উনিশশো নব্বই থেকে মহাকাশের জঞ্জাল পরিষ্কারের উপর সমান গুরুত্ব দিচ্ছে নাসা। পরীক্ষা চালাচ্ছে ইউরোপের একাধিক সংস্থাও। লেজারের মাধ্যমে এসব বর্জ্য ধ্বংসেরও চেষ্টা চালান হয়েছে। ২০১৯-এর ফেব্রুয়ারিতে এমনই একটি মিশন শুরু হয়। একটি নেটের মতো বস্তু দিয়ে কক্ষপথ ধরে ঘুরতে থাকা একের পর এক টুকরোকে জালে পুরে ফেলা হবে।

    তবে এখনও প্রাথমিক স্তরে এই পরীক্ষা। মহাকাশে যে বিপুল জঞ্জাল তৈরি হয়ে রয়েছে, তাতে এখনই সাফ করা যাবে না। বেশ কয়েকটি দেশ মিলে চালান এই পরীক্ষা প্রাথমিকভাবে সফল হলে এগোতে হবে আরও কয়েক ধাপ। বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, যত বর্জ্য জমে রয়েছে, তাতে ভাবিষ্যতে মহাকাশে নিয়মিত গার্বেজ বাস পাঠানোরও প্রয়োজন হতে পারে।

    আরও দেখুন

    First published: