চণ্ডীগড় সিমলা রুটে বাসের স্টিয়ারিং হাতে নিলেন সীমা ঠাকুর, পরিবারের গর্ব অঞ্চলের প্রথম মহিলা ড্রাইভার!

চণ্ডীগড় সিমলা রুটে বাসের স্টিয়ারিং হাতে নিলেন সীমা ঠাকুর, পরিবারের গর্ব অঞ্চলের প্রথম মহিলা ড্রাইভার!

চণ্ডীগড় সিমলা রুটে বাসের স্টিয়ারিং হাতে নিলেন সীমা ঠাকুর, পরিবারের গর্ব অঞ্চলের প্রথম মহিলা ড্রাইভার!

করোনার সময়ে এক অঞ্চলের মানুষদের অন্য অঞ্চলে তাঁর বাসে করে নিয়ে যান তিনি। সে অর্থে তিনি নিজেও একজন কোভিড যোদ্ধা।

  • Share this:

    #চণ্ডীগড়: বিশ্ব জুড়ে মহিলারা একের পর এক দুর্দান্ত কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু এঁদের মধ্যেই কেউ কেউ আছেন যাঁদের সাহসকে কুর্নিশ না করে থাকা যায় না। যেমন সীমা ঠাকুর (Seema Thaku)। হিমাচল রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন এর সিমলা চণ্ডীগড় রুটে বাস চালাবেন সীমা। সীমাই প্রথম মহিলা যিনি এইচআরটিসি’র আন্তঃরাজ্য বাস চালানোর দায়িত্ব পেয়েছেন। মা, বাবা আর ছোট ভাইয়ের সঙ্গে থাকেন সীমা। এইচআরটিসিতে কাজ করতে পেরে সীমা গর্বিত। করোনার সময়ে এক অঞ্চলের মানুষদের অন্য অঞ্চলে তাঁর বাসে করে নিয়ে যান তিনি। সে অর্থে তিনি নিজেও একজন কোভিড যোদ্ধা।

    এইআরটিসিতে ৩১০০টি বাস আছে। এখানে কাজ করেন ৮,৮১৩ জন। সেখানে হিমাচল প্রদেশের প্রথম মহিলা বাস-ড্রাইভার সীমা। ২০১৬ সালের মে মাসে এখানে কাজে যোগ দেন সীমা। সীমা জানিয়েছেন যে সারা দেশ যখন কোভিড সংক্রমণের চাপে নাভিশ্বাস ফেলছিল, তখনও নিজের কর্তব্যে কোনও ত্রুটি রাখেননি তিনি। যে ভাবে ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা দিনরাত এক করে কাজ করেছেন, সে ভাবে সীমাও বাস চালিয়ে বহু মানুষকে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছে দিয়েছেন।

    অন্যান্য বহু মানুষের মতো করোনা সীমাকেও চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল। কারণ তখন এই ভাবে বাড়ি থেকে বেরোনো খুব একটা সুরক্ষিত ছিল না। তবে সব ভয় দূরে সরিয়ে রেখে সীমা প্রতি দিন কাজে এসেছেন এবং অনেক বাধা-বিপত্তি পার করে সিমলা থেকে চণ্ডীগড় মানুষকে পৌঁছে দিয়েছেন সাবধানে।

    https://twitter.com/ANI/status/1377542616066093057?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1377542616066093057%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.news18.com%2Fnews%2Fbuzz%2Fmeet-seema-thakur-the-first-woman-to-drive-bus-on-shimla-chandigarh-route-3596624.html

    সংবাদমাধ্যমকে সীমা জানিয়েছেন যে একজন বাস-ড্রাইভার হিসেবে তিনি গর্বিত। তবে অন্যদের মতো প্রতি দিন ডিউটি সেরে বাড়ি ফিরতে তাঁরও ভয় লাগে। মনে হয় তিনি বা তাঁর বাড়ির লোকেরা কোভিড আক্রান্ত হতে পারেন। যদিও সব রকমের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন সীমা। নিজে সব নিয়ম ঠিকঠাক পালন করলেই করোনা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে বলে মনে করেন সীমা।

    রাজ্য সরকার লকডাউন তুলে নেওয়ার পর লোকাল বাসও চালিয়েছেন সীমা। একই ভাবে আগের বছর বড়দিনের সময়ে জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে প্রথম মহিলা বাস ড্রাইভার হওয়ার স্বীকৃতি পান পূজা দেবী।

    First published:

    লেটেস্ট খবর