হিংসায় উস্কানিমূলক অনুষ্ঠানে আনতে হবে নিয়ন্ত্রণ, কেন্দ্রকে কড়া বার্তা শীর্ষ আদালতের

হিংসায় উস্কানিমূলক অনুষ্ঠানে আনতে হবে নিয়ন্ত্রণ, কেন্দ্রকে কড়া বার্তা শীর্ষ আদালতের
বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ আদালত জানায়, উস্কানি দেয় এমন টেলিভিশন অনুষ্ঠান বা সংবাদের উপর নিয়ন্ত্রণ আনা অত্যন্ত জরুরি যাতে দেশের আইন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ আদালত জানায়, উস্কানি দেয় এমন টেলিভিশন অনুষ্ঠান বা সংবাদের উপর নিয়ন্ত্রণ আনা অত্যন্ত জরুরি যাতে দেশের আইন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি:  ফের শীর্ষ আদালতের রোষের সম্মুখীন মোদি সরকার। হিংসাত্মক বা প্ররোচনামূলক টেলিভিশন প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে অবাক হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ আদালত জানায়, উস্কানি দেয় এমন টেলিভিশন অনুষ্ঠান বা সংবাদের উপর নিয়ন্ত্রণ আনা অত্যন্ত জরুরি যাতে দেশের আইন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

    ২৬ জানুয়ারি দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার প্রসঙ্গে টেনে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, প্ররোচনামূলক খবর পরিবেশনের সময় সঠিক তথ্য তুলে ধরতে হবে। কেন্দ্রের আনা তিনটি নয়া কৃষিবিলের বিরোধিতায় প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন ট্র্যাক্টর ব়্যালি করেন প্রতিবাদী কৃষকরা। শান্তিপূর্ণ ব়্যালি চললেও কিছুক্ষণের মধ্যেই হিংসাত্মক বিক্ষোভের আকার নেয়। ট্র্যাক্টর উলটে মৃত্যু হয় এক কৃষকের। তবে বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে এক কৃষকেরও। এদিন দেশের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রের প্রতিনিধি, সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতাকে জানান, বেশকিছু অনুষ্ঠান রয়েছে যার মাধ্যমে প্ররোচনা দেওয়া হয়ে থাকে কিন্তু সেগুলি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সরকারের তরফ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এই ডিভিশন বেঞ্চে অংশগ্রহণ করেন বিচারপতি এ এস বোপান্না এবং ভি রামাসুব্রহ্মমণ্যম।


    করোনা অতিমারীর একদম সূচনায় গত বছর মার্চে দিল্লিতে নিজামুদ্দিনে তবলিঘি জামাত আয়োজিত সমাবেশ নিয়ে যে, সংবাদ পরিবেশিত হয় , সেই সংবাদে নিয়ে চলা মামলার শুনানি চলাকালীন এই পর্যবেক্ষণ করে সুপ্রিম কোর্ট। দেশ-বিদেশ থেকে আসা বহু জামাত সদস্য দিল্লিতে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেয়। বিদেশি জামাত সদস্যরা আসেন ইরান ও কাজাখস্তানের মতো করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে। এরপর বহু সংবাদমাধ্যমে দেখানো হয় দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়বার মূল কারণ তবলিঘি জামাত কর্মী। এর সাপেক্ষেই এদিন শীর্ষ আদালত জানায়, একটা নির্দিষ্ট জাতি বা ধর্মের মানুষকে প্ররোচনা দিচ্ছে এমন অনুষ্ঠান সম্পর্কে কোনওপ্রকার ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ সরকার।

    Published by:Simli Dasgupta
    First published: