Home /News /national /
স্কুলের পাঠ্যসূচিতে এবার মাদক সেবনের কুপ্রভাব, কেন্দ্রকে পরামর্শ সুপ্রিম কোর্টের

স্কুলের পাঠ্যসূচিতে এবার মাদক সেবনের কুপ্রভাব, কেন্দ্রকে পরামর্শ সুপ্রিম কোর্টের

স্কুলের পাঠ্যবইয়ে এবার অন্তর্ভুক্ত করা হোক মাদক সেবনের কুপ্রভাব ৷ একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানি চলাকালীন কেন্দ্রকে এমনই পরামর্শ দিল সুপ্রিম কোর্ট ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: স্কুলের পাঠ্যবইয়ে এবার অন্তর্ভুক্ত করা হোক মাদক সেবনের কুপ্রভাব ৷ একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানি চলাকালীন কেন্দ্রকে এমনই পরামর্শ দিল সুপ্রিম কোর্ট ৷

    উড়তা পঞ্জাব সিনেমায় শাহিদ কাপুর অভিনীত রক স্টার টমি সিংয়ের মতোই মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ছে বহু তরুণ-তরুণী। ভারতের যুব সমাজের মাদকের প্রতি বেড়ে চলা আসক্তি দেখে শিহরিত শীর্ষ আদালত ৷ এখনই পদক্ষেপ না নিলে যুব সমাজের ভবিষ্যত তলিয়ে যাবে মাদকের নেশার অতল পাঁকে ৷

    বাচপন বাঁচাও আন্দোলন নামের সমাজসেবী সংস্থার তরফে সুপ্রিম কোর্টে ২০১৪ সালে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন নোবেলজয়ী কৈলাস সত্যার্থী ৷ মাদকাসক্ত কিশোর-কিশোরীদের নেশার কবল থেকে উদ্ধার করে জীবনের মূল স্রোতে ফিরিয়ে দেওয়ার কাজ করে এই সংস্থা ৷

    এই জনস্বার্থ মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই করা একটি সমীক্ষায় প্রকাশ পায় ভারতের নতুন প্রজন্মের মাদকাসক্তের বিপজ্জনক প্রবণতা ৷ সমীক্ষার রিপোর্ট দেখে প্রধান বিচারপতি টি এস ঠাকুর এবং ডি ওয়াই চন্দ্রাচুড়ের বেঞ্চ কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রককে পরামর্শ দেন পড়ুয়াদের মাদকের কুপ্রভাব সম্বন্ধে অবগত ও সচেতন করাতে হবে ৷ এর জন্য এই বিষয়টিকে অবিলম্বে পাঠ্যসূচির অন্তুর্ভুক্ত করার কথা বলেছে সুপ্রিম কোর্ট ৷

    সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, মাদকাসক্ত তরুণ তরুণীদেরই মাদক বহনের কাজে লাগায় পাচারকারীরা ৷ নেশা ছাড়াও তারা জড়িয়ে পড়ে আরও বড় অপরাধের জালে ৷ এই বিষয়ে বিচারপতিরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, শীঘ্রই আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের অপকারিতা সম্বন্ধে সচেতন না করা হলে তাদের রক্ষা করা যাবে না ৷

    আরেকটি সমীক্ষা বলছে, পঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, মণিপুরের মতো বাংলায় মাদকের চল তুলনায় কম। মাদকের রমরমা কমাতে সম্প্রতি ওই রাজ্যগুলিতে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়েছে। পঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে ধরপাকড় বেড়ে যাওয়ায় মাদক পাচারকারীদের র‍্যাডারে এবার পশ্চিমবঙ্গ। কলকাতা পাচারকারীদের কাছে হয়ে উঠছে সেফ ডেস্টিনেশন ৷ মূলত বিহার, ঝাড়খণ্ড ও মণিপুর থেকে মাদক ঢুকছে এ রাজ্যে ৷ জনবহুল এলাকাকে বেছে নিচ্ছে পাচারকারীরা ৷ নতুন গ্রাহক ধরতে স্কুল, কলেজ, খেলার মাঠ, আইটি সেক্টরে ফাঁদ পাতা হচ্ছে ৷ নতুন সেশন শুরু হওয়ার পর টার্গেট করা হচ্ছে স্কুল-কলেজের নতুন পড়ুয়াদের ৷ সমাবর্তন থেকে কলেজের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের মধ্যে মিশে যাচ্ছে পাচারকারীরা ৷ পুলিশের তথ্য বলছে, জুন থেকে অক্টোবর মাসে পাচারকারীদের আনাগোনা সব থেকে বেশি ৷

    ২০১১ থেকে ২০১৪ সালের পরিসংখ্যান বলছে ৷ মাদক মামলায় গ্রেফতারের সংখ্যা অনেকটা এরকম ,

    drugs

    জাল নোটের কারবার বন্ধ হতেই মাদকের জাল বিস্তার শুরু হয়েছে এ রাজ্যে। মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় সক্রিয় মাদক চক্র। মূলত শহর ও শহরতলির স্কুল-কলেজের পড়ুয়ারাই তাদের টার্গেট। শেষ এক সপ্তাহে ছয় মাদক পাচারকারীকারীদের গ্রেফতারিতে উঠে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য । উদ্ধার হয়েছে প্রায় কোটি টাকার হেরোইন ও চরস। মাদকের রমরমাতে চিন্তা বাড়ছে নার্কোটিক্স ব্যুরোর।

    First published:

    Tags: Central, Drug, Drug Addiction, Supreme Court

    পরবর্তী খবর