তিনবার 'না' বলেছিলাম, তবু ওই চরিত্রটাই অনেক কিছু দিল: সায়নী গুপ্ত

তিনবার 'না' বলেছিলাম, তবু ওই চরিত্রটাই অনেক কিছু দিল: সায়নী গুপ্ত
কলকাতাতেই বড় হয়েছেন। এই বাইপাস ধরেই কত হেঁটেছেন। কলেজ জীবনের প্রেম থিয়েটার, ভেবেছিলেন তার সঙ্গেই বাসা বাঁধবেন।

কলকাতাতেই বড় হয়েছেন। এই বাইপাস ধরেই কত হেঁটেছেন। কলেজ জীবনের প্রেম থিয়েটার, ভেবেছিলেন তার সঙ্গেই বাসা বাঁধবেন।

  • Share this:

    শর্মিলা মাইতি

    #কলকাতা: কলকাতাতেই বড় হয়েছেন। এই বাইপাস ধরেই কত হেঁটেছেন। কলেজ জীবনের প্রেম থিয়েটার, ভেবেছিলেন তার সঙ্গেই বাসা বাঁধবেন।

    কিন্তু ভাগ্যলক্ষ্মী অন্য কিছু ভেবেছিলেন। একরত্তি মেয়ে যে বলিউডে গিয়ে এমন অসমসাহসী নায়িকা হয়ে উঠবেন, ভাবতে পারেননি কেউ। ভাবতে পারেননি, তাঁর দাপটে কাঁপবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। ওয়েব দুনিয়ায় এমন অপরিহার্য মুখ হয়ে উঠবেন তিনি!


    কেমন লাগে এমন সাফল্য পেলে? আরও বেশি করে, কেমন লাগে যদি হঠাৎ সাফল্যের চূড়ায় উঠেও ফিরে আসা যায় বন্ধুর পরিচালনায় বাংলা ছবিতে অভিনয় করতে?

    মাস্কটা ঠিক করে নিলেন সায়নী। "বাব্বাঃ,  এত প্রশংসা করছেন যে মনে হচ্ছে সত্যিই কিছু করেছি। এমনিতে মনেও আসে না, সফল হয়েছি কি হইনি। চরিত্র নিয়ে, অভিনয় নিয়ে এত ভাবতে থাকি! সেটাই তো স্বাভাবিক, অভিনয় নিয়েই তো ভাবব।" আমার কিন্তু মনে পড়ে সেই দৃশ্যটা। 'জলি এলএলবি' ছবিতে অক্ষয়কুমারের সঙ্গে কথোপকথন। আপনার চোখে কী অপরিসীম ঘৃণা! এমনই একটা আবেগ,  যার অভিঘাত বদলে দেবে এক সাধারণ উকিলকে। "আরে জানেন তো, ওই চরিত্রটা তিনবার আমার কাছে এসেছিল। আমি না করে দিয়েছিলাম। পরিষ্কার। শেষে সুভাষ স্যর নিজে আমায় বললেন, "পাগল হো গয়া তু? পাগল নাকি তুই? এত ভাল অফার তুই না করে দিচ্ছিস? তুই জানিস কী ভুল করতে চলেছিস। একেবারে জোর করে চরিত্র টা করিয়েছিলেন। আপনি প্রসঙ্গটা তুললেন, দেখে বড্ড ভাল লাগল। কত কিছু ঘটে জীবনে। এখন মনে হয়, সবকিছুর জন্য আমাদের মাথার উপরে কেউ আছেন। "কলকাতায় ফিরলেন, এত দিন আছেন কীসের টানে? "বাংলা ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পেলাম! " ঠোঁটে মিষ্টি হাসি, "ভাল লাগছে। সৌম্যজিতের এটা প্রথম ছবি। কিন্তু ও যেভাবে সাজিয়েছে স্ক্রিপ্ট, সেটা সত্যি দারুণ। আমার সঙ্গে এর পরিচয় দিল্লির একটা থিয়েটার ফেস্টিভ্যালে। খুব ঠাণ্ডা মাথার ছেলে। এর স্ক্রিপ্ট শুনে এক কথায় পছন্দ হয়েছিল। হোমকামিং খুব মনের কাছাকাছি সাবজেক্ট। যত দূরেই যাই, বাড়ির টান সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।এবার বলুন তো, ওটিটি প্ল্যাটফর্মে এত ডিমান্ড বাড়ল কীভাবে? ইনসাইড এজ হোক বা ফোর মোর শটস,  আপনার অভিনয়, আপনার স্টাইলের প্রেমে হাবুডুবু সবাই। "এঃ, আবার বড্ড বেশি বলছেন! " মিষ্টি হাসলেন সায়নী, "ওটিটি প্ল্যাটফর্মে হঠাৎই একটা দরজা সশব্দে খুলে গেছে। আমার মতো শিল্পীদের কাছে। যারা হয়ত আগে পার্শ্বচরিত্র পেতেন। চরিত্রগুলোকে ঠিকমতো শেপ দেওয়া হত না। কিন্তু এখন সেদিন নেই। উঠে আসছে নতুন নতুন নাম! এটা সত্যি ভাল ব্যাপার।"অস্কার পুরস্কারের মনোনয়নের জন্য যাচ্ছে আপনার অভিনীত ছবি! এখনও বলবেন আনন্দিত হওয়ার কিছু হয়নি? "হ্যাঁ নিশ্চয়ই বলব। এখনও উৎসব করার মতো কিছু ঘটেনি। গর্ব নিশ্চয়ই হচ্ছে। কারণ আমার ছবি ছাড়াও লিস্টে জাল্লিকাট্টুর মতো ছবি আছে। যেধরণের ছবি বার বার তৈরি হয় না। বিশ্বের আঙিনায় এমন ছবিই যাওয়া উচিত। "

    Published by:Akash Misra
    First published: