• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • দেশ
  • »
  • SANTA IN REAL LIFE AUTO RICKSHAW DRIVER TAKES HIS PAW FRIEND TO WORK EVERYDAY WINS HEARTS ON INTERNET AM

পোষ্যকে সঙ্গে নিয়েই সারাদিন অটো চালান, বাস্তবের সান্টা ক্লজ হরবিন্দরের গল্প এক দৃষ্টান্ত!

পোষ্যকে সঙ্গে নিয়েই সারাদিন অটো চালান, বাস্তবের সান্টা ক্লজ হরবিন্দরের গল্প এক দৃষ্টান্ত!

চিরকালই নানা কারণে পোষ্য ও আশেপাশের গৃহপালিত পশুগুলিকে অবহেলার শিকার হতে হয়।

চিরকালই নানা কারণে পোষ্য ও আশেপাশের গৃহপালিত পশুগুলিকে অবহেলার শিকার হতে হয়।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: চিরকালই নানা কারণে পোষ্য ও আশেপাশের গৃহপালিত পশুগুলিকে অবহেলার শিকার হতে হয়। আর এই করোনাকালে পরিস্থতি আরও জটিল হয়েছে। বেশিরভাগ কুকুর-বিড়ালই ঠিক করে খেতে পাচ্ছে না। অনেকে আবার সংক্রমণের আতঙ্কে পোষ্যদের দূরে সরিয়ে রেখেছেন। বলা বাহুল্য, সংক্রমণকালে মানুষই নিরাপদ নয়, এই অবলা প্রাণীদের অবস্থা তো বর্ণণাতীত। তবে এই সব কিছুর মাঝেও কিছু মানুষ ছকভাঙা। যাঁরা আমাদের বদ্ধমূল ধারণাকে বদলে দেন। নিঃস্বার্থ ভাবে অন্যের জন্য কাজ করেন। এমনই এক মানুষ হলেন অটোচালক হরবিন্দর সিং। বাড়িতে সে ভাবে কেউ পোষ্যের খেয়াল রাখে না। তাই অটো চালাতে চালাতেই পোষ্য কুকুরকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরে-বেড়ান তিনি।

    সম্প্রতি মঞ্জিরি প্রভু নামে একজন একটি ফেসবুক (Facebook) পোস্ট করেন। সেই পোস্ট থেকেই জানা যায় হরবিন্দর সিং ও তাঁর পোষ্যের গল্প। বর্তমানে হরবিন্দর সারা দিন যেখানেই যান, অটোর মধ্যে তাঁর সঙ্গে থাকে তাঁর কুকুর রনিও। ফেসবুক পোস্টে প্রভু জানান, আজ বাস্তব জীবনের সান্টা ক্লজের সঙ্গে দেখা হল তাঁর। আসলে পথে একটি অটো নিয়েছিলেন প্রভু ও তার বোন লিনা। গন্তব্য পৌঁছনোর পর যথাসময়ে অটো থেকে নামছিলেন তাঁরা। এমন সময়ে তাঁরা দেখতে পান, অটোচালকের পায়ের কাছে দু'টো ছোট্ট সুন্দর বাদামি চোখ একরাশ কৌতূহল নিয়ে তাঁদের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে প্রভু জানান, প্রথমে খানিকটা অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। কী অদ্ভুত ভাবে শান্ত হয়ে বসেছিল কুকুরটি। ওর কাছ থেকে টুঁ শব্দটিও পাওয়া যায়নি। অটোয় থাকাকালীন বোঝা যায়নি যে একটা কুকুরও সঙ্গে রয়েছে। কয়েক মাস আগে হরবিন্দরের ছেলে ওই ছোট্ট কুকুরটিকে বাড়ি নিয়ে এসেছিল। কিন্তু সেই সময়ে তার দেখাশোনা করার মতো কেউ ছিল না। শেষমেশ হরবিন্দরই কুকুরটির দায়িত্ব নেন। প্রতি দিন কাজে বেরোনের সময় কুকুরটিকেও সঙ্গে নিয়ে যাওয়া শুরু করেন। সেই শুরু। তার পর থেকে হরবিন্দর যেখানেই যান, কুকুরটিও তাঁর সঙ্গে থাকে। ভালোবেসে পোষ্যকে রনি নাম দিয়েছেন হরবিন্দর। অটোরিক্সার মধ্যেই রনির খাবার ও জলের প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা রয়েছে। কোথাও ফাঁকা জায়গা দেখে মল-মূত্র ত্যাগের বন্দোবস্তও হয়ে যায়। প্রভুর কথায়, এই ধরনের ঘটনা জানার পর মনে হয়, আজও এই পৃথিবীতে কিছু ভালো মানুষ রয়েছে। যাঁদের আত্মা পবিত্র। এঁরাই তাঁর কথায় বাস্তব জীবনের সান্টা ক্লজ। জীবনজুড়ে অন্যের ভালোর জন্য নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে যান এঁরা। এঁদের কখনও প্রচারের আলোয় দেখা যায় না। পৃথিবীতে যত দিন এই ধরনের মানুষ বেঁচে রয়েছেন, ততদিন আশার আলো রয়েছে বলেই দাবি তাঁর!
    Published by:Akash Misra
    First published:

    লেটেস্ট খবর