• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • দেশ
  • »
  • SAINT RAM SINGH SHOT HIMSELF IN SINGHU BORDER WITH SUICIDE NOTE THAT HE TOOK THIS STEP AS HE COULD NO LONGER SEE THE STRUGGLES OF THE FARMERS AKD

সিঙ্ঘু সীমান্তে নিজেকে শেষ করলেন শিখ ধর্মগুরু! সরকারকে শেষবার্তা, 'পাপের ফল ভুগতে হবে'

সিঙ্ঘু সীমান্তে নিজেকে শেষ করলেন শিখ ধর্মগুরু! সরকারকে শেষবার্তা, 'পাপের ফল ভুগতে হবে'

কৃষকদের কষ্ট সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করলেন শিখ ধর্মগুরু রাম সিং।

সুইসাইড নোটে লেখা বয়ান অনুযায়ী, কৃষকদের অসহনীয় লড়াই তিনি সহ্য করতে পারছিলেন না। তাই তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: কুয়াশায় ভেজা রাজধানীর রাস্তায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বেঁচে রয়েছেন কৃষকরা। এ দৃশ্য মেনে নিতে পারেননি। প্রকাশ্য রাস্তায় নিজেকে গুলি করে আত্মহত্যা করলেন হরিয়ানা নিবাসী শিখ ধর্মগুরু বাবা রাম সিংহ। উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে লেখা বয়ান অনুযায়ী, কৃষকদের অসহনীয় লড়াই তিনি সহ্য করতে পারছিলেন না। তাই তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।

    ধর্মগুরু রাম সিংহ হরিয়ানার এবং পাঞ্জাবে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। অসংখ্য ভক্ত রয়েছেন তাঁর। পাঞ্জাব ও হরিয়ানার বহু শিখ সংস্থার কার্যনির্বাহক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন তিনি।

    প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কৃষি আন্দোলনের আখড়া তথা উত্তপ্ত সিঙ্ঘু সীমান্তের কাছেই কুণ্ডলি নামক জায়গায় একটি লাইসেন্সধারী বন্দুক থেকে নিজেকে গুলি করেন এই ধর্মগুরুর।

    সুইসাইড নোটে তিনি লিখেছেন, "আমি রাস্তায় থাকা কৃষকদের নিদারুণ যন্ত্রণা আর সহ্য করতে পারছি না। সরকার তাঁদের ন্যাবিচার দিচ্ছে না। এটা অপরাধ। এটা পাপ। এই পাপের ফল ভুগতে হবে।"

    রামসিংহের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসতেই তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাহুল গান্ধি। তিনি ট্যুইটারে লিখেছেন, কৃষকদের দুর্দশা দেখে আত্মহত্যা করলেন বাবা রাম সিং। আমি এই ঘটনায় শোকার্ত। বহু কৃষকেরও প্রাণ গিয়েছে। মোদি সরকারের নৃশংসতা সব সীমা পার করে ফেলেছে। এখন শিগগির এই আইন বাতিল করতে হবে সমস্ত একগুয়েমি ঝেড়ে ফেলে।"

    গত ২৭ সেপ্টেম্বর কেন্দ্র তিনটি কৃষিবিলকে আইনে পরিণত করে। এর মধ্যে রয়েছে অত্যাবশ্যক পণ্য আইন, যেখানে যুদ্ধ পরিস্থিতি বাদ দিয়ে ব্যবসায়ীরা সব সময়েই যত ইচ্ছে মজুত করতে পারবে আলু, ডাল বা অন্যান্য দানাশস্য। রয়েছে খামার চুক্তি পরিষেবা আইন, সেখানে চুক্তিচাষকে মান্যতা দেওয়া বলেও চাষি কী ভাবে ন্যয্য মূল্য পাবেন তা বলা নেই। এছাড়া রয়েছে ব্যবসায়ীর কাছে কৃষকরের ফসল বিক্রির আইন। মাণ্ডি থেকে ফসল কিনতে হলে যে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য দেওয়া হত, তার কথা বলা নেই এই আইনে। কৃষকদের দাবি এই আইনগুলি প্রত্যাহার করতে হবে। সেই বিরোধিতার জায়গা একজোট কৃষকরা।

    Published by:Arka Deb
    First published: