রাজ্যসভাতেও পাশ হয়ে গেল বিতর্কিত RTI সংশোধনী বিল

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jul 26, 2019 01:46 AM IST
রাজ্যসভাতেও পাশ হয়ে গেল বিতর্কিত RTI সংশোধনী বিল
Rajya Sabha
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jul 26, 2019 01:46 AM IST

#নয়াদিল্লি: সোমবার লোকসভার পর বৃহস্পতিবার রাজ্যসভাতেও পাস হয়ে গেল আরটিআই সংশোধনী বিল। যার জেরে এবার থেকে তথ্য কমিশনারদের মেয়াদ-বেতন ঠিক করবে কেন্দ্র। বিরোধীদের অভিযোগ, এই সংশোধনী এনে তথ্য কমিশনকে নিজেদের হাতের পুতুল বানানোর চেষ্টা করছে মোদি সরকার। এই অভিযোগ অবশ্য উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি।

সংখ্যার জোরে আগেই লোকসভায় পাস করিয়ে নিয়েছে মোদি সরকার। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভাতেও আরটিআই আইন সংশোধনী বিল পাস। কংগ্রেস এ দিন দাবি করে, আরও খতিয়ে দেখতে বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো হোক। এ নিয়ে ভোটাভুটি হয়।

পক্ষে ভোট দেন ৭৫ জন সাংসদ। বিপক্ষে ১১৭ জন। BJD, TRS এবং YSR Congress আরটিআই সংশোধনী বিলকে সমর্থন করে বলে খবর।

এ দিন ভোটাভুটির পরেই রাজ্যসভায় ব্যাপক হইহট্টগোল শুরু হয়। কংগ্রেস সাংসদরা ওয়াক আউট করে বেড়িয়ে যান।

কংগ্রেসের আমলে এই তথ্য জানার অধিকার আইন তৈরি হয়। এই আইন অনুযায়ী, দেশের এক জন প্রান্তিক মানুষও তথ্য জানতে চাইলে, তাঁকে তা জানাতে হবে। কিন্তু, মোদি সরকারের আমলে আরটিআই আইনে কোনও তথ্য দেওয়া হচ্ছিল না বলেই বারবার অভিযোগ উঠেছে।

Loading...

এবার আরটিআই আইনই সংশোধন করে দিল মোদি সরকার।

২০০৫ সালের আরটিআই আইন অনুযায়ী, মুখ্য তথ্য কমিশনার এবং তথ্য কমিশনারদের মেয়াদ পাঁচ বছর। এবার থেকে সেই মেয়াদ ঠিক করবে কেন্দ্রীয় সরকার

এতদিন তথ্য কমিশনাররা নির্বাচন কমিশনারদের মতোই বেতন পেতেন। সেই বেতনও এবার থেকে ঠিক করবে সরকারই।

এই সব সংশোধনীতেই ঘোর আপত্তি কংগ্রেসের। তাদের দাবি, এটা আরটিআই সংশোধনী বিল নিয়। আরটিআই ছাঁটাই বিল। কারণ, এই বিল পাস করিয়ে তথ্য কমিশনকে হাতের পুতুল করতে চাইছে মোদি সরকার। চাকরি চলে যাওয়ার ভয়ে কে আর সঠিক তথ্য পেশ করতে যাবেন?

সোমবার, লোকসভায় আরটিআই বিল নিয়ে বিতর্কে কংগ্রেসের শশী থারুর প্রশ্ন তুলেছিলেন, কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন নরেন্দ্র মোদির দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি আরটিআইতে প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলেই কি তাদের ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে?

এ দিন, একসঙ্গে সাত জন প্রাক্তন মুখ্য তথ্য কমিশনার এবং তথ্য কমিশনারও মোদি সরকারকে নিশানা করেন। তাঁদেরও মত, তথ্যের অধিকার আইনে সংশোধন করে তথ্য কমিশনারদের স্বাধীনতা খর্ব করতে চাইছে সরকার। হস্তক্ষেপ করতে চাইছে তথ্য জানার সাংবিধানিক মৌলিক অধিকারেও।

নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয় তথ্য কমিশন। তাই তথ্য কমিশনারদের বেতন ও মেয়াদও নির্বাচন কমিশনারদের সমতুল হওয়া উচিত নয়। পালটা বিরোধী এবং প্রাক্তন তথ্য কমিশনারদের দাবি, সংবিধানে বাক্-স্বাধীনতা ও মত প্রকাশ মৌলিক অধিকার। নির্বাচন কমিশন যেমন নিজের পছন্দের জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের মৌলিক অধিকার কার্যকর করে, তেমনই তথ্য জানার মৌলিক অধিকার কার্যকর করে তথ্য কমিশন।

এই চাপানউতোরের মাঝেই রাজ্যসভাতেও পাস হয়ে গেল আরটিআই সংশোধনী বিল।

First published: 01:46:29 AM Jul 26, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर