• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • পুরাণের কথা মিলিয়ে প্রস্তাবিত রাম মন্দিরের নিচে মিলল সরযু নদীর হদিশ, উচ্ছ্বসিত ভক্তরা

পুরাণের কথা মিলিয়ে প্রস্তাবিত রাম মন্দিরের নিচে মিলল সরযু নদীর হদিশ, উচ্ছ্বসিত ভক্তরা

পুরাণ কাহিনীতে বলা আছে, রাম মন্দিরের পাশ দিয়ে সরযু নদী বয়ে গিয়েছে। বর্তমানে আগের অবস্থান থেকে রাম মন্দির কিছুটা সরে গেলেও প্রস্তাবিত রাম মন্দিরের নিচে দিয়ে এখনও বয়ে চলেছে সরযু নদী

পুরাণ কাহিনীতে বলা আছে, রাম মন্দিরের পাশ দিয়ে সরযু নদী বয়ে গিয়েছে। বর্তমানে আগের অবস্থান থেকে রাম মন্দির কিছুটা সরে গেলেও প্রস্তাবিত রাম মন্দিরের নিচে দিয়ে এখনও বয়ে চলেছে সরযু নদী

পুরাণ কাহিনীতে বলা আছে, রাম মন্দিরের পাশ দিয়ে সরযু নদী বয়ে গিয়েছে। বর্তমানে আগের অবস্থান থেকে রাম মন্দির কিছুটা সরে গেলেও প্রস্তাবিত রাম মন্দিরের নিচে দিয়ে এখনও বয়ে চলেছে সরযু নদী

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: পুরাণ কাহিনীতে বলা আছে, রাম মন্দিরের পাশ দিয়ে সরযু নদী বয়ে গিয়েছে। বর্তমানে আগের অবস্থান থেকে রাম মন্দির কিছুটা সরে গেলেও প্রস্তাবিত রাম মন্দিরের নিচে দিয়ে এখনও বয়ে চলেছে সরযু নদী। বিষয়টি জায়গাটির ঐতিহাসিক গুরুত্বের প্রমাণ বহন করছে ঠিকই, কিন্তু একইসঙ্গে রয়েছে ভয়ের কারণ! মন্দিরের নীচ দিয়ে জলস্রোত বয়ে গেলে ধস নেমে মন্দিরের ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই অযোধ্যার রাম মন্দির ট্রাস্টের তরফে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি-কে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং মন্দিরের একটি  আরও ভাল মডেল তৈরির অনুরোধ করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নৃপেন্দ্র মিশ্রের নেতৃত্বাধীন মন্দিরের নির্মাণ কমিটির বৈঠকে এই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে খবর। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফে জানানো হয়, মন্দিরের শক্তিশালী পরিকাঠামো তৈরির জন্য আইআইটি-কে আরও ভাল মডেল দিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

    ৪২ মাসের মধ্যে মন্দির নির্মাণ শেষ করতে চায় রামমন্দির ট্রাস্ট। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মন্দিরের চূড়ান্ত নকশা তৈরি। ৫ অগাস্ট ভূমিপুজোর পরদিন থেকেই অযোধ্যায় মন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। সাড়ে তিন বছরে মন্দিরের কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ভূমিপুজো ৫ অগাস্ট, ২০২০ -- নির্মাণ কাজ শুরু ৬ অগাস্ট, ২০২০ -- কাজ শেষের লক্ষ্যমাত্রা (ডেডলাইন) - ৩১ জানুয়ারি, ২০২৪ - বাড়তি ১ মাস সময় হাতে রাখা হয়েছে ।

    যেভাবে মন্দির তৈরির পরিকল্পনা, তার জন্য প্রয়োজন বিশেষ ধরনের নির্মাণে দক্ষ কারিগর ৷ গুজরাত ও রাজস্থানের ২৫০ কারিগরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ৷ তাঁদের হাতেই তৈরি হবে মন্দির ৷ আকাশছোঁয়া মন্দির। রাজস্থানের গোলাপি পাথরের গায়ে ফুটিয়ে তোলা হবে অপূর্ব সব কারুকাজ। রামায়নের গল্প। মন্দির নির্মাণের মূল দায়িত্ব অনুভাই সোমপুরার ওপর। তাঁদের পারিবারিক সংস্থা মন্দিরের নকশা তৈরি করেছে। নির্মাণের দায়িত্বও সোমপুরাদের সংস্থার ওপর। ১ লক্ষ কিউবিক স্কোয়্যার মিটার গোলাপি পাথর আনা হয়েছে ৷ আরও ২ লক্ষ কিউবিক স্কোয়্যার মিটার পাথর লাগবে ৷

    মন্দির তৈরির কাজ অবশ্য সেই ১৯৯০ থেকেই চলছে ৷ একদিন স্বপ্নপূরণ হবে, সেই বিশ্বাস থেকেই হয়তো কয়েকশো শিল্পী মন্দির তৈরির কাজ চালিয়ে গিয়েছেন এতগুলো বছর ধরে। কর্তৃপক্ষের দাবি মন্দিরের ৬৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। তৈরি কাঠামো নিয়ে গিয়ে বসিয়ে দিলেই হবে। তবে মন্দিরে আড়ে-বহরে বাড়ছে। সেটাও মাথায় রাখতে হচ্ছে ৷১৪১ ফুটের বদলে ১৬১ ফুট উঁচু হবে মন্দির - মূল মন্দির দো-তলার পরিবর্তে তিনতলা হবে । রাম মন্দিরের মোট এলাকা ৭০ একর। ২১২ থেকে এখন পিলারের সংখ্যা বাড়িয়ে ৩৬০ টি করা হয়েছে । তিনটি গম্বুজের বদলে এখন পাঁচটি গম্বুজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ।

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: