• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • দেশ
  • »
  • RESEARCHERS FIND GLYCINE WHICH ARE BUILDING BLOCKS TO FORM PROTEIN IN LIVING BEINGS IN VENUSS ATMOSPHERE TC SDG

শুক্র গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব! ফসফিনের পর গ্লাইসিনের খোঁজ! ৩ বাঙালির গবেষণায় ব্যাপক চাঞ্চল্য

শুক্র গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব! ফসফিনের পর গ্লাইসিনের খোঁজ! ৩ বাঙালির গবেষণায় ব্যাপক চাঞ্চল্য

গবেষণার আড়ালে রয়েছেন তিন বাঙালি বিজ্ঞানী, অরিজিৎ মান্না, সব্যসাচী পাল এবং মঙ্গল হাজরা। অরিজিৎ মান্না বর্তমানে মেদিনীপুর কলেজের পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি-রত।

গবেষণার আড়ালে রয়েছেন তিন বাঙালি বিজ্ঞানী, অরিজিৎ মান্না, সব্যসাচী পাল এবং মঙ্গল হাজরা। অরিজিৎ মান্না বর্তমানে মেদিনীপুর কলেজের পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি-রত।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ক্রমশ আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দু হয়ে উঠছে শুক্র গ্রহ। কিছু দিন আগেই ফসফিন গ্যাসের খোঁজ মিলেছিল এই গ্রহে। আর এ বার গ্লাইসিনের উপস্থিতি টের পেলেন বিজ্ঞানীরা। গ্লাইসিন হল অ্যামাইনো অ্যাসিড অণু। যে কোনও প্রাণীর শরীরে প্রোটিন তৈরির জন্য অ্যামাইনো অ্যাসিড দরকার। তবে কি খুব শিগগির প্রাণের সন্ধান মিলবে পৃথিবীর পড়শি গ্রহে?

এই সংক্রান্ত গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে। গবেষণাটির নাম 'ডিটেকশন অব সিমপ্লেস্ট অ্যামাইনো অ্যাসিড গ্লাইসিন ইন দ্য অ্যাটমোস্ফিয়ার অফ দ্য ভেনাস'। গবেষণার আড়ালে রয়েছেন তিন বাঙালি বিজ্ঞানী, অরিজিৎ মান্না, সব্যসাচী পাল এবং মঙ্গল হাজরা। অরিজিৎ মান্না বর্তমানে মেদিনীপুর কলেজের পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি-রত। 

বিজ্ঞানীরা বলছেন যে শুক্র গ্রহে গ্লাইসিনের উপস্থিতি সেখানে প্রি-বায়োটিক মিলকিউল সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে। পৃথিবীতে প্রাণ সৃষ্টি করার জন্য ৫০০ রকমের অ্যামাইনো অ্যাসিডের কথা জানা যায়। কিন্তু প্রোটিন তৈরি করার জন্য ২০ ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিডের কথাই জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত। গ্লাইসিন এর মধ্যে সরলতম।

পৃথিবীর বাইরে আর কোনও পড়শি গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কি না, গত শতাব্দী থেকেই এই নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। খুব শিগগির বোধহয় মিলতে চলেছে উত্তর। শুক্র গ্রহে ফসফিন গ্যাসের সন্ধান মেলায় তেমনটাই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীমহল। মাস দেড়েক আগে হাওয়াই দ্বীপের জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল টেলিস্কোপেই প্রথম ধরা পড়ে সাড়া জাগানো এই ঘটনা। পরে চিলির আলমা রেডিও টেলিস্কোপ এর সত্যতা নিশ্চিত করে।

কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী জেন গ্রিভস এ প্রসঙ্গে পূর্বে জানিয়েছেন যে, ঘটনায় তাঁরা খুবই অবাক হয়েছেন। আবার, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির মহাকাশবিজ্ঞানী ক্লারা সসা এবং সিলভা জানিয়েছিলেন যে, এই মুহূর্তে শুক্র গ্রহে ফসফিন গ্যাসের সন্ধান পাওয়া সরাসরি ভিনগ্রহে প্রাণের সন্ধান পাওয়ার মতোই চাঞ্চল্যকর। তবে তাঁদের আসল উদ্দেশ্য পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব খোঁজ করা, তাই গবেষণা চলতেই থাকবে। আর সাম্প্রতিকতম এই আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের মতে বলে দিচ্ছে যে এই মহাকাশে আমরা একাই নই, অন্য গ্রহেও প্রাণের অস্তিত্ব আছে।

তিনটি হাইড্রোজেন পরমাণুর সমন্বয়ে একটি ফসফিন গ্যাসের অণু তৈরি হয়। মানুষের জন্য অবশ্য এটি খুবই বিষাক্ত।

Published by:Shubhagata Dey
First published: