রামসেতু 'মানুষের তৈরি', দাবি ভূ-বিজ্ঞানীদের

রামসেতু

একটি মার্কিন চ্যানেলের দৌলতে ফের খবরের শিরোনামে রামসেতু। ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে জলে নীচে পাথরের সেতুটি প্রাকৃতিক নয়, তা মানুষেরই তৈরি।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: একটি মার্কিন চ্যানেলের দৌলতে ফের খবরের শিরোনামে রামসেতু। ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে জলে নীচে পাথরের সেতুটি প্রাকৃতিক নয়, তা মানুষেরই তৈরি। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানের প্রোমো প্রকাশ করে দাবি চ্যানেলটির। রামসেতুর পক্ষে বিজ্ঞানীদের এই সমর্থনে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত বিজেপি।

    রাজনৈতিক তরজায় সেই প্রকল্প ঠান্ডা ঘরে। এখন বিজ্ঞানীদের এই নতুন দাবি যে রাম-জিগিরে বিজেপির হাত আরও শক্ত করল তা বলাই বাহুল্য।

    রাম কি সত্যিই ছিলেন? বাল্মীকি রামায়নে এই হিন্দু দেবতার অস্তিত্বের স্বপক্ষে রামসেতুকেই প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হয়। তামিলনাড়ুর রামেশ্বরম দ্বীপ থেকে শ্রীলঙ্কার মান্নার দ্বীপ পর্যন্ত জলের তলায় বিস্তৃত রয়েছে তিরিশ মাইল দীর্ঘ একটি সেতু। এটাই রামসেতু নামে পরিচিত। উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে সেই সেতুর বালি পাথর বিশ্লেষণ করে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। তাদের রায়, এই সেতুর উপরিভাগের পাথর অন্য জায়গা থেকে আনা হয়েছে। এবং তা জলে ফেলেছে মানুষই। প্রাকৃতিকভাবে তা তৈরি হয়নি। কিন্তু এই দাবির পক্ষে বিজ্ঞানীদের যুক্তি কী ? তারা বলছেন,

    - প্রবাল নয়, বেলে পাথরে তৈরি এই সেতু - সেতুর নীচে ও উপরে রয়েছে বেলে পাথর - নীচের পাথর ৪ হাজার বছরের পুরোন - উপরের পাথর ৭ হাজার বছরের পুরোন - এসব পাথর অন্য জায়গা থেকে আনা হয়েছে

    অনুষ্ঠানটি এখনও সম্প্রচার হয়নি। তার প্রোমো প্রকাশ করা হয়েছে মাত্র। কিন্তু তাতেই রামসেতু নিয়ে সমর্থন জুটে যাওয়ায় উচ্ছ্বসিত বিজেপি। তাদের দাবি, রামসেতু নিয়ে বিজেপির অবস্থান যে সঠিক তা প্রমাণ হয়ে গেল।

    ইউপিএ জমানায় পক প্রণালির এই অংশে ড্রেজিং করে জাহাজ চলাচলের জন্য সেতুসমুদ্রম প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। এই উদ্যোগে বাধা দেয় বিজেপি। তাদের অভিযোগ ছিল, এই প্রকল্প মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত হানবে। রাজনৈতিক তরজায় সেই প্রকল্প ঠান্ডা ঘরে। এখন বিজ্ঞানীদের এই নতুন দাবি যে রাম-জিগিরে বিজেপির হাত আরও শক্ত করল তা বলাই বাহুল্য।

    First published: