corona virus btn
corona virus btn
Loading

প্রজাতন্ত্র দিবসে রাজভবনের অনুষ্ঠানে উপস্থিতি কম, শুরু জল্পনা

প্রজাতন্ত্র দিবসে রাজভবনের অনুষ্ঠানে উপস্থিতি কম, শুরু জল্পনা

বিকেল ৩.৫৫ রাজভবনে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় একই সময়ে এসে পৌঁছন বিধানসভার অধ্যক্ষ।

  • Share this:

#কলকাতা: রীতি মেনে রাজভবনে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান। যেখানে থাকে রাজ্যপালের সঙ্গে আলোচনা ও চা-চক্র। রবিবার ঘড়ির কাঁটা ধরে বিকেল চারটে থেকে পাঁচটা। জাতীয় সংগীতে অনুষ্ঠানের শুরু এবং শেষ জনগণমন... মধ্য দিয়ে। মাঝের ৬০ মিনিট রাজভবন চত্বরে বেজে ওঠা ব্যান্ডের ছন্দময় দেশাত্মবোধক গানের সুর। পুরো অনুষ্ঠান পর্ব জুড়ে রাজভবনের উদ্যানে ইতিউতি জমায়েত। বিকেল ৩.৫৫ রাজভবনে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় একই সময়ে এসে পৌঁছন বিধানসভার অধ্যক্ষ। অনুপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অন্য মন্ত্রীরা। অনুষ্ঠানে সমাজের নানা স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের আমন্ত্রণ জানানোর রীতি অনেকদিনের। রাজ্য প্রশাসন, বিচার ব্যবস্থা, চিকিৎসক সমাজ, শিক্ষা জগৎ, রাজনৈতিক জগৎ সব স্তরের বিশিষ্টদের আমন্ত্রণ জানানোও হয়েছিল।

তবে এক ঘন্টার বেশ কিছু টুকরো টুকরো ছবি জুড়ে নিয়ে বলাই যায় এবার রাজভবনের অনুষ্ঠানে উপস্থিতি কম। প্রজাতন্ত্র দিবসের আলোচনা ও চা-চক্র অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া রাজ্যের কোনও মন্ত্রী এদিন উপস্থিত ছিলেন না। সঞ্জয় বুধিয়ার মত দুই একজন শিল্পপতি ছাড়া কাউকে দেখা যায়নি। রাজ্য বিজেপির পরিচিত মুখ বলতে শুধু লকেট চট্টোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে কেউই এই অনুষ্ঠানে যাননি। বামফ্রন্টের তরফে কোনও পরিচিত নেতা অনুষ্ঠান মুখো হননি। দেখা যায়নি কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নান বা কংগ্রেসের অন্য কোনও নেতাকে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত, বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য্য, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের সংখ্যাও তুলনায় অনেক কম। শুধু তাই নয়, অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যেই রাজভবনে নির্দিষ্ট করে দেওয়া জায়গা ত্যাগ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজভবনের আর এক পাশে গিয়ে তিনি বসেন। মুখ্যমন্ত্রী কে ঘিরে থাকতে দেখা যায় রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিবদের। কলকাতা পুলিশ কমিশনারও সেখানে উপস্থিত ছিলেন, ছিলেন রাজ্যের পুলিশ অধিকর্তাও।প্রজাতন্ত্র দিবসে রাজভবনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিতি কম কেন।

রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের তরফে ব্যাখ্যা করে বলা হচ্ছে সম্প্রতি রাজ্যপালকে ঘিরে ঘটে চলা কিছু ঘটনা এর জন্য দায়ী। ইদানিং রাজ্যপাল রাজ্য সম্পর্কে বেশ কিছু মন্তব্য করেছেন। যার পাল্টা এসেছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকেও।রাজ্যে শিক্ষাঙ্গনে আচার্য কে ঘিরে তৈরি হওয়া কিছু বিতর্ক অনুষ্ঠানে উপস্থিতি কমের কারণ বলে মত একাংশের। এদিন রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদেরও সেভাবে দেখা যায়নি অনুষ্ঠানে। রাজ্যপালের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে আমন্ত্রিত হয়ে গেলে পিঠে বিশেষ তকমা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায়না বলে মনে করেছেন অনেকে। আর তাই রাজ্য-রাজ্যপাল দ্বৈরথে আমন্ত্রিতরা অনেকেই হয়তো এদিন এড়িয়েছেন রাজভবনের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান।

Published by: Akash Misra
First published: January 26, 2020, 9:16 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर