বাজেট ২০২১: রেল খাতে বরাদ্দ হতে পারে প্রায় ১.৭০ লক্ষ কোটি টাকা

বাজেট ২০২১: রেল খাতে বরাদ্দ হতে পারে প্রায় ১.৭০ লক্ষ কোটি টাকা
এক্ষেত্রে রেলওয়ের গ্রস বাজেটরি সাপোর্টের পরিমাণ হতে পারে ৭৫,০০০ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট সংস্থার আশা, মূল অর্থ বরাদ্দের পাশাপাশি রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সেফটি ফান্ডও ৫০ শতাংশ বাড়ানো উচিৎ।

এক্ষেত্রে রেলওয়ের গ্রস বাজেটরি সাপোর্টের পরিমাণ হতে পারে ৭৫,০০০ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট সংস্থার আশা, মূল অর্থ বরাদ্দের পাশাপাশি রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সেফটি ফান্ডও ৫০ শতাংশ বাড়ানো উচিৎ।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১-২২ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)। কোন খাতে কত বরাদ্দ হবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে। এরই মাঝে রেলওয়ে বাজেট নিয়ে সম্ভাব্য প্রতিবেদন পেশ করল রেটিং এজেন্সি ব্রিকওয়ার্ক রেটিংস (Brickwork Ratings)। BWR Pre-Budget Expectations FY22 নামে সেই রিপোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, আসন্ন বাজেটে রেলওয়ে খাতে প্রায় ১.৭০ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ হতে পারে।

এক্ষেত্রে রেলওয়ের গ্রস বাজেটরি সাপোর্টের পরিমাণ হতে পারে ৭৫,০০০ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট সংস্থার আশা, মূল অর্থ বরাদ্দের পাশাপাশি রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সেফটি ফান্ডও ৫০ শতাংশ বাড়ানো উচিৎ। অর্থাৎ বর্তমানে বরাদ্দ হয়েছে ২০,০০০ কোটি টাকা। সেটা বাড়িয়ে বার্ষিক ৩০,০০০ কোটি করতে হবে। এর জেরে রেলের নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরিকাঠামো আরও মজবুত হয়ে উঠবে।

ব্রিকওয়ার্ক রেটিংসের রিপোর্ট অনুযায়ী, এবারের রেলওয়ে বাজেটে একাধিক ক্ষেত্রে গুরত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে প্রাইভেট ট্রেন, নতুন রুটের দ্রুত গতি সম্পন্ন ট্রেন পরিষেবা, ট্যুরিস্ট বা পুণ্যস্থানের রেলওয়ে সংযোগ, উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সঙ্গে রেলসংযোগ আরও মজবুত করা ও উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তোলা-সহ একাধিক বিষয়ে নজর দেওয়া হবে। এগুলির পাশাপাশি গ্রিন এনার্জির যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেই খাতে একটা বড় অঙ্কের বরাদ্দ হতে পারে। একই সঙ্গে মহারাষ্ট্র-বিহার থেকে দেশের অন্যান্য প্রান্তে যে কিষান রেল প্রকল্প শুরু হয়েছে, তাকেও আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এটি নিয়েও আসন্ন বাজেটে কোনও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হতে পারে।


রেলওয়ে বেসরকারিকরণ নিয়েও কোনও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ইতিমধ্যেই প্যাসেঞ্জার ট্রেন পরিষেবার ক্ষেত্রে PPP বা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের জন্য আবেদনগুলির মূল্যায়ণ করে ফেলেছে রেলমন্ত্রক। সেই সূত্রে নির্দিষ্ট কোনও বেসরকারি সংস্থা থেকে প্রায় ৩০,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ খুঁজছে ভারতীয় রেলওয়ে। কোটেশনের জন্যও আমন্ত্রণ জানিয়েছে রেলওয়ে বোর্ড। ১২০টি আবেদনের মধ্যে ১০২টি আবেদন এখন RPF বা রিকোয়েস্ট ফর প্রোপোজাল স্টেজে রয়েছে। Larsen and Toubro , GMR, BHEL-এর মতো একাধিক সংস্থাও রয়েছে তালিকায়। এই সম্পর্কিত কোনও বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হতে পারে বাজেটে।

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: