গান্ধি জয়ন্তী পর্যন্ত লাগাতার আন্দোলন! রবিবারের বিশেষ বার্তা 'কৃষকবন্ধু' রাহুলের

গান্ধি জয়ন্তী পর্যন্ত লাগাতার আন্দোলন! রবিবারের বিশেষ বার্তা 'কৃষকবন্ধু' রাহুলের

রাহুল গান্ধি

রবিবার ফের একবার মোদি সরকারকে 'বিতর্কিত কৃষি আইন' প্রত্যাহারের জন্য নিশানা করলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধি। রাহুলের মতে, নয়া কৃষি আইনগুলি কৃষকের কাছে মৃত্যুদণ্ডের সমান।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: রবিবার ফের একবার মোদি সরকারকে 'বিতর্কিত কৃষি আইন' প্রত্যাহারের জন্য নিশানা করলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধি। রাহুলের মতে, নয়া কৃষি আইনগুলি কৃষকের কাছে মৃত্যুদণ্ডের সমান। সেই সঙ্গে কৃষি বিল যে ভাবে পাস হয়েছে, তা নিয়ে তাঁর দাবি, এ দেশে গণতন্ত্রের মৃত্যু ঘটেছে। একইসঙ্গে গান্ধি জয়ন্তী পর্যন্ত কৃষকদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে তাঁর বক্তব্য, 'এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের উপর থেকে সব রকম আস্থা হারিয়েছেন কৃষকরা।' কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে এবং কৃষি আইন প্রত্যাহার নিয়ে সুর চড়াতে আগামী সপ্তাহে দু'দিনের জন্য রাজস্থান সফরে যাবেন 'কৃষকবন্ধু' রাহুল গান্ধি।

    রবিবার টুইট করে রাহুল গান্ধি লিখেছেন, 'কৃষকদের গান্ধি জয়ন্তী পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতাই প্রমাণ করে দিচ্ছে তাঁরা কতটা মোদি সরকারের সঙ্গে রয়েছেন। নিজেদের আত্মদম্ভ ছেড়ে সত্যাগ্রহী কৃষকদের পাশে এসে দাঁড়ান এবং এই বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহার করুন।'

    সরকার তাঁদের দাবি না মানা পর্যন্ত বাড়ির ফিরবেন না বলে শনিবারই চাক্কা জ্যাম কর্মসূচির পর জানিয়ে দিয়েছেন কৃষকরা। দিল্লি সীমানায় আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তাঁরা। চাপ সৃষ্টি করে তাঁদের আলোচনাতেও বসানো যাবে না, জানিয়েছেন ভারতীয় কিসান ইউনিয়ন (বিকেইউ)-এর নেতা রাকেশ টিকায়েত। আগামী ২ অক্টোবর, গান্ধি জয়ন্তীর মধ্যেই কেন্দ্রকে বিতর্কিত কৃষি আইন নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

    শনিবার কৃষকদের উদ্দেশে টিকায়েত বলেন, 'দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বাড়ি ফিরব না আমরা। আইন প্রত্যাহার করতে ২ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছি কেন্দ্রীয় সরকারকে। তার পর পরবর্তী পরিকল্পনা করব। চাপ সৃষ্টি করে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসানো যাবে না আমাদের।' যদিও এর পরে তাঁদের আন্দোলন কোন পথে যাবে বা এই সময় দেওয়ার প্রভাবে আন্দোলন খানিকটা ধীর হয়ে যাবে কিনা তা এখনও পরিষ্কার নয়।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published:

    লেটেস্ট খবর