বিজেপি বিরোধীতায় পুরনো ঝাঁঝ ফিরল, তবে ভাষণে নয়, চিঠিতে জানালেন রাহুল গান্ধি

বিজেপি বিরোধীতায় পুরনো ঝাঁঝ ফিরল, তবে ভাষণে নয়, চিঠিতে জানালেন রাহুল গান্ধি
  • Share this:

#নয়াদিল্লি: দলীয় সভাপতির পদ ছাড়ার চিঠি। সেখানে গেরুয়াকরণের বিপদ নিয়ে সতর্কতা। সংবিধান রক্ষায় লড়াইয়ের আবেদন। বিজেপি-আরএসএসকে সরাসরি নিশানা। দলীয় কর্মীদের পাশাপাশি দেশবাসীকেও বার্তা রাহুল গান্ধির।

বিজেপি বিরোধীতায় পুরনো ঝাঁঝ ফিরল। তবে ভাষণে নয়, চিঠিতে। তাও আবার দলীয় সভাপতি পদে ইস্তফার চিঠিতে। বুধবার বিকেল থেকেই এই ইস্তফাপত্র নিয়েই তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি।

হওয়ারই কথা। রাহুলের ইস্তফাপত্র অনেক দিক থেকেই আলাদা। এখানে দলকে বার্তা রয়েইছে, তবে বড় অংশ জুড়েই নিশানায় কেন্দ্রের শাসকদল। ভোটপর্ব মেটার পর এভাবেই বিজেপি ও আরএসএসকে আক্রমণের পথে ফিরলেন রাহুল ৷

লোকসভায় বিজেপি বিপুল ভোটে জিতলেও তাতে জনমত প্রতিফলতি হয়নি বলেই দাবি রাহুলের। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, উনিশের ভোটে আমরা কোন একটা রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে লড়াই করিনি। দেশের গোটা শাসনযন্ত্রের সঙ্গে লড়েছি। এটা এখন স্পষ্ট যে সাংবিধানিক সংস্থাগুলোর স্বাধীনতা এদেশে আর নেই। আরএসএস এই সংস্থাগুলোর দখল নিয়েছে। আমাদের গণতন্ত্র আগের তুলনায় অনেক দুর্বল। এটা দেশের কাছে বড় বিপদ। এতটাই যে নির্বাচনও এখন স্রেফ একটা ইভেন্টে পরিণত হয়েছে। সংবিধানের ওপর আঘাত, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ - ভোটপ্রচারে নিজের অবস্থানেও এখনও অনড় রাহুল।

এই আগ্রাসনের হাত ধরে এসেছে হিংসা, কৃষকের শোচনীয় পরিণতি ও বেকারত্ব। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন দলিত ও সংখ্যালঘু মানুষ। ভোটে প্রধানমন্ত্রী জিতেছেন। কিন্তু ভোটে জয় মানেই দুর্নীতির অভিযোগ থেকে মুক্ত হওয়া নয়।

দেশের বহুত্ববাদ, দলিত - কৃষক - সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সংবিধানিক কাঠামো রক্ষায় দলকে সব শক্তি দিয়ে ঝাঁপানোর বার্তা রাহুলের।

ভোটে ২৭ হাজার কোটি টাকা বিজেপি খরচ করেছে বলে সমীক্ষায় উঠে এসেছে। দ্বিতীয় দফায় নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও গো-রক্ষকদের তান্ডব জারি। এই অবস্থায় সরাসরি আম আদমির কাছে পৌঁছতেই বার্তা রাহুলের।

পোস্ট হওয়ার পরই টুইটার ট্রেন্ডে উঠে আসে রাহুলের ইস্তফার চিঠি। বহু মানুষ তা রিটুইট করেছেন। বহুত্ববাদ ও সংবিধানের সংকটের অভিযোগে তুলে যেন নতুন করে শুরু করলেন রাহুল।

First published: July 4, 2019, 4:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर