Rahul Gandhi on Monetisation: 'ন্যাশনাল মনিটাইজেশন পাইপলাইন' কী? কেন্দ্রের লক্ষ্যই বা কী? রাহুলের দাবি...

যুযুধান

Rahul Gandhi on Monetisation: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের 'ন্যাশনাল মনিটাইজেশন পাইপলাইন' প্রকল্পের নামে দেশের রাষ্ট্রদূত সংস্থাগুলি বেসরকারি সংস্থাকে ভাড়া দিয়ে বিপুল অঙ্কের টাকা রোজগারের বন্দোবস্ত ঘোষণার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: নতুন নামের মোড়কে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকে কার্যত বিক্রি করে দেওয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার একই সুরে মোদি সরকারকে তুলোধোনা করল কংগ্রেস।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের 'ন্যাশনাল মনিটাইজেশন পাইপলাইন' প্রকল্পের নামে দেশের রাষ্ট্রদূত সংস্থাগুলি বেসরকারি সংস্থাকে ভাড়া দিয়ে বিপুল অঙ্কের টাকা রোজগারের বন্দোবস্ত ঘোষণার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। সঙ্গে ছিলেন দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম।জনবিরোধী সিদ্ধান্ত গ্রহণের নিন্দা করে দুই কংগ্রেস নেতার অভিযোগ, গত ৭০ বছর ধরে তিলে তিলে গড়া সম্পত্তি বিক্রি করে দিচ্ছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। রেল, খনি, বিদ্যুৎ, জাতীয় সড়ক এবং বিমানবন্দরের বেসরকারিকরণ করা হচ্ছে। একদিকে মোদি বলছেন কংগ্রেস গত ৭০ বছরে কিছুই করেনি। আবার বিক্রির তালিকায় দেখা যাচ্ছে সবই কংগ্রেস জমানায় কোটি কোটি মানুষের উপার্জনের অর্থে গড়ে তোলা হয়েছিল সরকারি সম্পদ। মোদি সরকারের এই পদক্ষেপে দেশে বেকারত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে। কাজ হারাবে বহু মানুষ। করোনা সংকটকালেও আমি সতর্ক করেছিলাম। সরকার কথা শোনেনি। এখন আবার দ্বিতীয়বার কিছু শিল্পপতিকে লাভবান করার লক্ষ্যে দেশের সম্পদ বেচে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। এর ফলে মাত্র কয়েকজন শিল্পপতির হাতে চলে যাবে দেশের সম্পদ। তারাই নিজেদের ইচ্ছামতো দেশ চালাবেন।

কংগ্রেস নেতার মতে, জাতীয় কংগ্রেস বাণিজ্যিকরণ বা কৌশলগত বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে নয়। কিন্তু সেক্ষেত্রে দেখতে হবে, দেশের ক্ষতি যেন না হয়। রেল বিমানবন্দর জাতীয় সড়ক ইত্যাদির মত ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মুষ্টিমেয় শিল্পপতিকে আরো বেশি উপহার দিতে চাইছেন।দেশের যুব সম্প্রদায়কে সঙ্গে নিয়ে আমাদের এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মানুষকে বোঝাতে হবে, মোদি সরকার আসলে কি করে চলেছে। কীভাবে বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে দেশের সম্পত্তি।

উল্লেখ্য, যে সমস্ত সরকারি সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার হয় না, সেগুলিকে বেসরকারি পরিচালনায় দিয়ে আয়ের পথ খুলবে সরকার৷ তবে তার জন্য কোনও সম্পত্তির মালিকানা বদল হবে না৷ ন্যাশনাল মনিটাইজিং পাইপলাইন-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা করে এমনই আশ্বাস দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ৷ নীতি আয়োগের সিইও অমিতাভ কান্ত জানিয়েছেন, রেল, রাস্তা, বিদ্যুৎ সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রকে কাজে লাগিয়ে চার বছর ধরে ৬ লক্ষ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে৷ কোন সম্পদগুলিকে এই কাজে লাগানো হবে, তা ইতিমধ্যে চিহ্নিতও হয়ে গিয়েছে৷

Published by:Suman Biswas
First published: