Rahul Gandhi Attacks Narendra Modi: 'কুমীররা নির্দোষ হয়', মোদি-কান্নাকে কটাক্ষ রাহুলের!

রাহুল-বাণ

নাম না করেও নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) বেনজির ভাষায় আক্রমণ শানালেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। কী বললেন তিনি?

  • Share this:

    নয়াদিল্লি: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের (Corona Second Wave) সংক্রমণ সামান্য কিছু কমলেও এখনও পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর। এখনও প্রতিদিন প্রায় চার হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে দেশে। এই আবহে আরও একবার করোনায় মৃতদের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়তে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Narendra Modi)। গত শুক্রবার বারাণসীর করোনা যোদ্ধা ও চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন মোদি। আর সেই ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানেই রীতিমতো ঠোঁট কেঁপে চোখ ভিজে যেতে দেখা যায় মোদির। ঘটনাচক্রে মোদির সেই কান্না নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)।

    মোদির কান্নার প্রসঙ্গে সরাসরি কিছু না বলে কটাক্ষের সুরে রাহুল শুধু ট্যুইটারে লেখেন, 'কুমীররা নির্দোষ হয়।' আর অপর একটি ট্যুইটে তিনি লিখেছেন, 'মোদি সিস্টেমের কুশাসনে ভারতে করোনার পাশাপাশি হানা দিয়েছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসও। ভ্যাকসিনের ঘাটতি তো ছিলই, এই নতুন মহামারীর ওষুধেরও জোগান নেই। তাই এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে প্রধানমন্ত্রী তালি-থালা বাজাতে নিশ্চয় বলবেন।'

    বারাণসীর ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদি বলেছিলেন, 'করোনা ভাইরাস আমাদের অনেক প্রিয়জনদের কেড়ে নিয়েছে। যাঁরা এই ভাইরাসের কবলে প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাই। তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই'।' অপর একটি অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, 'যে যন্ত্রণার মুখোমুখি হচ্ছেন নাগরিকরা, সেই একই যন্ত্রণা আমিও অনুভব করছি।'

    প্রধানমন্ত্রী যাই বলুন না কেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে নরেন্দ্র মোদির সরকারের দিশাহীনতার দিকেই আঙুল তুলেছে বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশ। ল্যাটসেট সহ বিশ্বের বড়বড় সংবাদমাধ্যম তথা জার্নালে নরেন্দ্র মোদির ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। আর করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকেই নরেন্দ্র মোদিকে তীব্র আক্রমণ শানাচ্ছেন রাহুল গান্ধী। কখনও গঙ্গায় মৃতদেহ ভেসে যাওয়া, কখনও করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও সেন্ট্রাল ভিস্তার কাজ চালিয়ে যাওয়া- রাহুলের বাক্যবাণ বারবার ধেয়ে আসছে প্রধানমন্ত্রীর দিকে। এবার নাম করে কুমীরের সঙ্গে মোদির তুলনা করে ফেললেন রাহুল।
    Published by:Suman Biswas
    First published: