দেশ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

অবশেষে মিলল অনুমতি, হাতরসের ধর্ষিতার বাড়ির দিকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

অবশেষে মিলল অনুমতি, হাতরসের ধর্ষিতার বাড়ির দিকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা
হাতরস যাচ্ছেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, সেদিকেই রওনা হয়েছেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা।

  • Share this:

#লখনউ: রাস্তায় ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে। তবু দমেননি তিনি। আর তাতেই প্রাথমিক সাফল্য। অবশেষে হাতরসের ধর্ষিতা তরুণীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেলেন রাহুল গান্ধি। উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের তরফে রাহুল গান্ধি, প্রিয়াঙ্কা গান্ধি সহ মোট পাঁচজনকে হাতরাসে ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, সেদিকেই রওনা হয়েছেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা।

বৃহস্পতিবার প্রথম ওই দলিত তরুণীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে হাতরাসে যাওয়ার চেষ্টা করেন রাহুল গান্ধি। যমুনা সেতুত পুলিশের সঙ্গে প্রবল ধাক্কাধাক্কির মধ্যে পড়েন রাহুল। পুলিশের যুক্তি, পরিস্থিতি বেসামাল হওয়ায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে হাতরাসে। তাই যাওয়া চলবে না হাতরসে। রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা সেই নির্দেশ অমান্য করে এগোতেই শুরু হয়ে যায় ধাক্কাধাক্কি। রাহুল গান্ধি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "আমাদের গাড়ি আটকে দিয়েছে, তাই আমরা পায়ে হেঁটেই এগোচ্ছিলাম। এর মধ্যেই পুলিশ লাঠিচার্জ করে। আমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়। এ দেশে কি শুধু নরেন্দ্র মোদিই হাঁটবেন? সাধারণ মানুষের হাঁটারও অধিকার নেই?"

তারপর একে একে বহু প্রশ্নই সামনে এসেছে। সংবাদ শিরোনাম হয়েছে হাতরসের জেলাশাসকের 'দাদাগিরি'। মৃত তরুণীর পরিবারকে আটকে রেখে দেওয়া হয়েছে বাড়িতে। তাঁদের কাছে পৌঁছতে পারেনি সংবদামাধ্যমের প্রতিনিধিরা। পরিবারের তরফে অভিযোগ, শিশুরা না খেয়েছিল দীর্ঘক্ষণ। মারা হয় নির্যাতিতার কাকাকে, কেড়ে নেওয়া হয় সকলের ফোন।

হাতরাস কাণ্ডে একের পর এক ঘটনায় ব্যাকফুটে পড়েছে আদিত্যনাথ সরকার। প্রধানমনন্ত্রী ফোন করে কড়া ব্যবস্থা নিতে বলার পরেই সিট গঠিত হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে রিপোর্টও দেবে সিট। ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্টে সেই মামলার শুনানি হবে। ক্ষতিপূরণের আশ্বাসও দিয়েছেন যোগী। কিন্তু প্রশ্ন থাকছেই। কেন এতদিন লেগে গেল সিট গঠন করতে? পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কেন নীরব আদিত্যনাথ? আগুনে ঘি ঢেলেছে নির্যাতিতার মায়ের বয়ান। তিনি বলছেন, চোখের দেখা দেখতে না দিয়ে জোর করে পুলিশ দেহ দাহ করে দিয়েছে। এমনকি সেই দেহ যে  তাঁর মেয়েরই তারও নিশ্চয়তা নেই, বলছেন দলিত তরুণীর মা।

এই পরিস্থিতির সমান্তরালেই ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল হয়েছে রাজধানী। পুলিশের সঙ্গে বাল্মিকী গোষ্ঠীর সংঘর্ষ হয়েছে উত্তরপ্রদেশের রাস্তাতেও। এর মধ্যেই হাতরসের পথে রাহুল। আপাতত সেই দিকেই নজর গোটা দেশের।

Published by: Arka Deb
First published: October 3, 2020, 4:47 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर