রাফায়েল চুক্তি চূড়ান্ত করল ভারত, যুদ্ধবিমানগুলি কাজে লাগবে পাক সীমান্তে

রাফায়েল চুক্তি চূড়ান্ত করল ভারত, যুদ্ধবিমানগুলি কাজে লাগবে পাক সীমান্তে
রবিবারের উরি সন্ত্রাসের পর থেকে ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্কে নতুন করে তৈরি হয়েছে উত্তেজনা ৷ উরি সন্ত্রাসের জবাব হিসেবে বিশ্ব মঞ্চে কূটনৈতিক চালে প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে একঘরে করার নীতি নিয়েছে কেন্দ্র ৷

রবিবারের উরি সন্ত্রাসের পর থেকে ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্কে নতুন করে তৈরি হয়েছে উত্তেজনা ৷ উরি সন্ত্রাসের জবাব হিসেবে বিশ্ব মঞ্চে কূটনৈতিক চালে প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে একঘরে করার নীতি নিয়েছে কেন্দ্র ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: রবিবারের উরি সন্ত্রাসের পর থেকে ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্কে নতুন করে তৈরি হয়েছে উত্তেজনা ৷ উরি সন্ত্রাসের জবাব হিসেবে বিশ্ব মঞ্চে কূটনৈতিক চালে প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে একঘরে করার নীতি নিয়েছে কেন্দ্র ৷ একই সঙ্গে নিজেদের সামরিক ব্যবস্থাকেও ঢেলে সাজাবার উদ্যোগ নিয়েছে নর্থ ব্লক ৷ সেই পদক্ষেপে এক বড় সড় সাফল্য এনে দিল রাফায়েল ডিল ৷

    ফ্রান্সের সঙ্গে প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে আলোচনার পর রাফায়েল চুক্তি চূড়ান্ত করল ভারত ৷ এই চুক্তির মাধ্যমে ৩৬টি যুদ্ধবিমান কিনবে ভারত ৷ ১৮ মাসের মধ্যে ১২টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান হাতে পাওয়ার প্রতিশ্রুতি পেতেই চুক্তি চুড়ান্ত করল ভারত ৷ শুক্রবার চুক্তিতে সাক্ষর করবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ৷ ৪৩ হাজার কোটি টাকার এই চুক্তির মাধ্যমে কেনা রাফায়েল যুদ্ধবিমানগুলিকে পাক সীমান্তে কাজে লাগানো হবে ৷

    গত বছর এপ্রিল মাসে ফ্রান্স সফরে গিয়ে একথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ তবে এখনও দরাদরি অব্যাহত থাকায় স্বাক্ষরিত হয়নি ডিলটি ৷


    ইতিমধ্যেই পাক সন্ত্রাস ঠেকাতে সীমারেখায় নতুন করে বাঙ্কার তৈরি করছে নিরাপত্তাবাহিনী ৷ আধাসেনা ও সেনার মধ্যে পেনশন নিয়ে মতভেদ থাকলেও লাইন অফ কন্ট্রোল বরাবর বাঙ্কার তৈরিতে সহমত দু’পক্ষই ৷ বিভিন্ন আর্মি বেস থেকে প্রচুর ট্যাঙ্ক রওনা হয়েছে LOC-এর পাশে থাকা আর্মি বেসগুলিতে ৷ সীমান্ত সুরক্ষায় কোনও ফাঁক রাখতে চায় না প্রতিরক্ষা দফতর ৷

    এদিনই উরি সেক্টরে নিরাপত্তায় গলদ ছিল বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পরিকর ৷ তিনি বলেন, ‘উরিতে কিছু গলদ ছিল ৷ এটা খুবই সংবেদনশীল বিষয় ৷ আমি কোনও গলদে বিশ্বাসী নই ৷ আমি দেশবাসীকে কথা দিচ্ছি ৷ এঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না ৷’

    First published: