লকডাউন নিয়ে সবক শেখানোর লক্ষ্যে সবজি বিক্রেতার ঝুড়িতে লাথি, অফিসারকে সাসপেন্ড করল পঞ্জাব পুলিশ!

লকডাউন নিয়ে সবক শেখানোর লক্ষ্যে সবজি বিক্রেতার ঝুড়িতে লাথি, অফিসারকে সাসপেন্ড করল পঞ্জাব পুলিশ!

পঞ্জাব পুলিশ নবদীপ সিং-এর বিরুদ্ধে বিচারবিভাগীয় তদন্তও শুরু করেছে।

  • Share this:

#চণ্ডীগড়: করোনায় সব থেকে খারাপ অবস্থা এখন ভারতের। কোনও রাজ্যে আংশিক বা কোথাও সম্পূর্ণ লকডাউন জারি করা হয়েছে। প্রশাসন সমস্ত বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের জন্য যথাসাধ্যের চেষ্টায় রয়েছে। তবে পঞ্জাব স্টেশন হাউজ অফিসারের একটি ভিডিও সোশ্যাল মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে যা রীতিমত সাড়া ফেলেছে। ভিডিওতে, এসএইচও ফাগুওয়ারা (SHO Phagwara), নবদীপ সিংকে (Navdeep Singh) লকডাউন বিধি মানাতে গিয়ে রাস্তার এক সবজি বিক্রেতার ঝুড়ি লাথি মারতে দেখা গিয়েছে। এই ঘটনার ভিডিও ইন্টারনেটে ভাইরাল হতেই শোরগোল বেঁধেছে নেটাগরিকদের মধ্যে। তাঁরা নবদীপ সিং-এর এই আচরণ মেনে নিতে পারেনি। পঞ্জাব পুলিশও এই ঘটনার দিকে ন়জর রেখেছিল। একটি ট্যুইট বার্তায় পঞ্জাব পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল, দীনকর গুপ্তা (Dinkar Gupta) জানান যে ওই অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পঞ্জাব পুলিশ নবদীপ সিং-এর বিরুদ্ধে বিচারবিভাগীয় তদন্তও শুরু করেছে।

https://twitter.com/DGPPunjabPolice/status/1389914912273489923?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1389914912273489923%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.news18.com%2Fnews%2Fbuzz%2Fpunjab-police-suspends-sho-for-kicking-vegetable-vendors-cart-3711755.html

নিউজ এজেন্সি পিটিআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাপুরথালার এসএসপি কনওয়ারদীপ কৌর (Kanwardeep Kaur) বলেন যে, এসএইচওর এই আচরণ পুরোপুরি সার্ভিসের নিয়মের পরিপন্থী এবং অযৌক্তিক। তিনি আরও বলেন যে ঘটনাটি আমাদের কাছে লজ্জাজনক। কাপুরথালার পুলিশ ওই সবজি বিক্রেতাকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং বিক্রেতাকে সহায়তা করার জন্য তাঁরা নিজেদের বেতন ব্যবহার করবেন বলে জানিয়েছেন এসএসপি।

পঞ্জাব সরকার ১৫ মে পর্যন্ত কঠোর কোভিড বিধিনিষেধ লাগু করেছে। এই সময়ে অপ্রয়োজনীয় সমস্ত দোকান বন্ধ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেবলমাত্র প্রয়োজনীয় কিছু দোকানপাট কিছু সময়ের জন্য খোলা রাখার কথা বলা হয়েছে। রাস্তার বিক্রেতাদের আরটি পিসিআর টেস্ট (RT PCR) করতে বলা হয়েছে, এর পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথাও বলা হয়েছে। পঞ্জাবে দিন দিন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। অন্য দিকে দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, বিহার-সহ আরও অনেক রাজ্যে করোনা নিয়ন্ত্রণে নানা ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। কারণ, রোজ যে সংখ্যক মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন এবং যে সংখ্যক রোগীর মৃত্যু হচ্ছে ভারতে, তা গোটা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ। এমনকী এই সংখ্যায় আক্রান্ত এবং মৃত্যু কোভিডের কারণে বিশ্বের কোনও দেশেই হয়নি। বিপুল আক্রান্তের জেরে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা রোজ বাড়ছে দেশে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: