৮০ বছর বয়সে দিনমজুরের কাজ করে পেটের ভাত যোগান কারগিলে বীর শহিদের মা

৮০ বছর বয়সে দিনমজুরের কাজ করে পেটের ভাত যোগান কারগিলে বীর শহিদের মা

পেটের ভাত জোগাতে দিনমজুরের কাজ করতে হয়, সরকারি প্রকল্পের ১০০ দিনের কাজের কর্মী বীর শহিদের মা

পেটের ভাত জোগাতে দিনমজুরের কাজ করতে হয়, সরকারি প্রকল্পের ১০০ দিনের কাজের কর্মী বীর শহিদের মা

  • Share this:

    #মানসা: কারগিলের যুদ্ধে শহিদ হয়েছিলেন নাইক নির্মল সিং। তারপর কেটে গিয়েছে ২১টা দীর্ঘ বছর! ভারতমাতার সেই বীর সন্তানের মা আজও তাঁর ছবিটা আঁকড়ে বসে...বৃদ্ধার জীবনের লড়াই আজও  কমেনি! তাঁর ছেলে দেশের জন্য শহিদ হয়েছিলেন, অথচ ৮০ বছরের জাগির কওর-কে পেটের ভাত জোগাতে দিনমজুরের কাজ করতে হয়, সরকারি প্রকল্পের ১০০ দিনের কাজের কর্মী বীর শহিদের মা।

    সম্প্রতি দেশজুড়ে পালিত হয়েছে কারগিল দিবস। দেশের বীর সেনাদের কুর্নিশ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে অন্যান্য রাজনৈতিক নেতা-নেত্রী। সোশ্যাল মিডিয়া উপচে উঠেছে দেশপ্রেমে! কিন্তু এসবের কোনও মানেই নেই পঞ্জাবের বাসিন্দা, কারগিলে শহিদের মা জাগির কৌরের কাছে। ১৫ শিখ লাইট ইনফ্যান্ট্রির জওয়ান নাইক নির্মল সিং-এর মৃত্যুর কিছুদিনের মধ্যেই মারা যান জাগিরের স্বামী ও আর এক ছেলের। নির্মলার বিধবা স্ত্রী আবার বিয়ে করেন। সেইসময় জাগির থাকতেন তাঁর অন্য ৩ ছেলের কাছে। কিন্তু একসময়ে তাঁরাও বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছেদ করে।

    পেটের দায়ে মানসা জেলার কুসলা গ্রামে মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি স্কিমে দিনমজুরের কাজ করেন ৮০ বছরের অশীতিপর বৃদ্ধা। জানা গিয়েছে, কারগিলের যুদ্ধের পর শহিদ পরিবারের যে যে পরিষেবা পাওয়া উচিত, সবই পেয়েছে নির্মলের পরিবার। কিন্তু পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকায় জাগিরের এহেন দুর্দশা। কুশলার সরপঞ্জ মনজিত্‍‌ সিং, সমাজকর্মী আরডিএস সিধু জানিয়েছেন, '' গ্রাম পঞ্চায়েত ও একটি এনজিও MGNREGS থেকে পারিশ্রমিক দিয়ে বৃদ্ধাকে সাহায্য করছে।''

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: