• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • PUNJAB GOVERNMENT ON MONDAY TOOK THE INITIAL STEPS TOWARDS FORMULATING THE STATES POST COVID REVIVAL STRATEGY AM

কীভাবে এগোবে করোনা পরবর্তী রাজ্যের আর্থিক বিকাশ, ব্লু প্রিন্ট তৈরি করছে পঞ্জাব

কবে দূর হবে করোনা? কবেই বা খুলবে লকডাউন? সব কিছুই যেন অনিশ্চিত ৷ আর এই অনিশ্চিয়তাকে সঙ্গে নিয়েই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনা পরবর্তী সময়ে দেশের অর্থনীতি কোন রূপ নেবে ৷

কবে দূর হবে করোনা? কবেই বা খুলবে লকডাউন? সব কিছুই যেন অনিশ্চিত ৷ আর এই অনিশ্চিয়তাকে সঙ্গে নিয়েই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনা পরবর্তী সময়ে দেশের অর্থনীতি কোন রূপ নেবে ৷

  • Share this:

    #চণ্ডীগড়: করোনা প্রকোপে গোটা দেশ নাজেহাল ৷ লকডাউনের ফলে একেবারে থমকে দেশ ৷ কবে দূর হবে করোনা? কবেই বা খুলবে লকডাউন? সব কিছুই যেন অনিশ্চিত ৷ আর এই অনিশ্চিয়তাকে সঙ্গে নিয়েই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনা পরবর্তী সময়ে দেশের অর্থনীতি কোন রূপ নেবে ৷ কোন দিকে এগোবে দেশের রাজ্যের অর্থনৈতিক বিকাশ? থমকে যাবে না তো ! সেই অনিশ্চিয়তা কাটাতে এবার এগিয়ে এল পঞ্জাব সরকার ৷ সোমবার রাজ্যের প্ল্যানিং কমিশনের প্রাক্তন ডেপুটি চেয়ারম্যান অফ  মন্টেক সিং আলুওয়ালিয়াকে সঙ্গে নিয়ে তৈরি হল এক বিশেষ দলও ৷ যে দলের নেতৃত্ব দেবেন মন্টেক সিং আলুওয়ালিয়া৷ দল গঠিত হবে ৫ টি সাব-গ্রুপে ৷ এমনকী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের অনুরোধে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংও এই দলকে সাজেশন দেবেন বলে কথা দিয়েছেন ৷ সোমবার এক ভিডিও কনফারেন্সে হওয়া বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর জানান, ‘করোনা পরবর্তী সময়টা খুবই কঠিন আসতে চলেছে ৷ বিশেষ করে রাজ্যের অর্থনৈতিক বিকাশের ক্ষেত্রে ৷ তাই আমাদের সবাইকে এই বিষয়ে তৈরি থাকা উচিত ৷ আমরা আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে রাজ্যে অর্থনৈতিক বিকাশকে সুদৃঢ় করার প্রচেষ্টা করব৷’ এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে ২০ জনের একটি দল গঠন করা হয়েছে ৷ যা ভাগ করা হয়েছে ৫ টি সাব গ্রুপে ৷ যার মধ্যে রয়েছে- অর্থনীতি, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিল্প এবং সোশ্যাল এইড ৷ এই প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেও আবার থাকবে আরও বেশ শাখা ৷ যারা মূলত, সরজমিন তদন্ত ও রিসার্চের মধ্যে দিয়ে কাজটা এগিয়ে নিয়ে চলবে ৷ এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান,‘ রাজ্যের অর্থনীতি এখন একেবারেই থমকে রয়েছে ৷ বহুক্ষেত্রেই অনেকাংশে ক্ষতির মুখে পড়ছে রাজ্য ৷ জিএসটি-র ক্ষেত্রে ১৩২২ কোটি টাকা, আবগারি ক্ষেত্রে ৫২১ কোটি টাকা, যানবাহন ট্যাক্সে ১৯৮ কোটি, বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রে ২৪৩ কোটি টাকার মতো ক্ষতির মুখ দেখছে রাজ্য ৷ এই অবস্থায় এখনই যদি করোনা পরবর্তী অবস্থা নিয়ে সুষ্ঠ প্ল্যানিং না হয়, তাহলে আরও বড়সড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে রাজ্য ৷ মুখ্যমন্ত্রী এও বলেন, লকডাউনের কারণে মারাত্মক ক্ষতির মুখে রাজ্যে চাষ-আবাদ ৷ যা কিনা গোটা পঞ্জাবের অর্থনীতির সবচেয়ে শক্তিশালী উপাদন ৷

    Published by:Akash Misra
    First published: