দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

প্রেমে পড়া কোনও ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া জঘন্যতম অপরাধগুলির মধ্যে অন্যতম, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

প্রেমে পড়া কোনও ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া জঘন্যতম অপরাধগুলির মধ্যে অন্যতম, জানাল সুপ্রিম কোর্ট
এরপর মামলা সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছয়৷ সেখানে অভিযুক্ত জানায় সে ৫০ লক্ষ টাকা দিয়ে মামলার নিষ্পত্তি চায়৷ ন্যায়মূর্তি সঞ্জয় কে কউলের বেঞ্চ জানায় কেন শারদা দেশের আইন ব্যবস্থার দূর্মূল্য সময় এতদিন ধরে এভাবে নষ্ট করেছে, এর জন্য তাঁকে আলাদা করে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়৷ এবার এই মামলার পরের শুনানির তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর৷Photo -File

পাশাপাশি শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয় , এটি জঘন্যতম অপরাধগুলির মধ্যে অন্যতম

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: প্রেমে পড়ে কারওর সঙ্গে জীবন কাটাতে চাওয়া অপরাধ নয়৷ তাই এরকম কোনও ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া অন্যায়। একটি মামলার শুনানিতে এ কথাই জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয় , এটি জঘন্যতম অপরাধগুলির মধ্যে অন্যতম । মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট ১১ জন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুরের একটি আবেদনের শুনানি হয়। যারা ‘খাপ’ পঞ্চায়েতের সদস্য। প্রেমে পড়া এক জোড়া ছেলে-মেয়ে-সহ তিন জনকে ফাঁসির আদেশ দেয় ওই খাপ পঞ্চায়েত। ১৯৯১ সালের ২৭ মার্চ মাসে উত্তরপ্রদেশের মথুরা জেলায় এই ঘটনাটি ঘটে। ২০১৬ সালের মে মাসে এলাহাবাদ হাইকোর্ট এই অপরাধের জন্য ৩৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

ছেলে-মেয়েগুলি ছিল জাটব সম্প্রদায়ভুক্ত। যেখানে খাপ পঞ্চায়েত গঠিত হয়েছিল মূলত জাট সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে।

মেয়েটি তাঁর পছন্দের একটি ছেলে এবং তাদের সাহায্য করেছেন এমন এক যুবকের সঙ্গে পালিয়ে যায়। খাপ পঞ্চায়েতের তরফ থেকে ডেকে পাঠানো হলে, যুবতী বলেন সে ছেলেটির সঙ্গেই থাকতে চায়। এ ধরনের আচরণে প্রবীণরা ক্ষিপ্ত হন৷ পঞ্চায়েত ওই তিন জনের বাবা-মাকে নিজের হাতে তাঁদের সন্তানকে ঝুলিয়ে রাখতে বাধ্য করে। এখানেই থেমে নেই, দু’টি ছেলেকেই মারধর ও নির্যাতন করা হয় এবং ফাঁসির আগে তাদের গোপনাঙ্গ পুড়িয়েও দেওয়া হয়।

মামলার সত্যতা সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদের নেতৃত্বাধীন শীর্ষ বেঞ্চ৷ তাঁরা জানান, এই অপরাধগুলি এতটাই গুরুতর যে সামাজিক গঠনকে বিঘ্নিত করতে পারে। প্রেমে পড়ার জন্য কাউকে শাস্তি দেওয়া যায় না৷ এটি অপরাধের অন্যতম ভয়াবহ রূপ। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে উপস্থিত আইনজীবী বিষ্ণুশঙ্কর জৈন আদালতকে জানান, ১১ জন আবেদনকারীর মধ্যে শুধুমাত্র দু’জন ব্যক্তি ১০ বছরের সাজা পাননি। জামিনের আবেদনে কিছু অভিযুক্ত দাবি করে, তাঁরা বয়স্ক ব্যক্তি তাই কারাগারে থাকলে তাঁদের কোভিড-১৯ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধান বিচারপতি-সহ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এএস বোপান্না ও বিচারপতি ভি রামসুব্রহ্মণ্যর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চের তরফ থেকে জানানো হয়, তাঁরা আবেদনকারীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের অবস্থা জানতে চান। তাঁদের মুক্তি দেওয়া হলে পুরনো ঘটনাটি ফের নতুন করে উদ্দীপনার সৃষ্টি করতে পারে। যা অন্যের জন্য বা তাঁদের নিজেদেরও সমস্যার সৃষ্টি করবে কি না, সেটাও দেখতে হবে। তাঁদের মুক্তি দিতে গেলে অন্য জেলায় পাঠাতে হবে। সমস্ত পক্ষের মতামত শোনার পর সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা বলে ও আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা করার নির্দেশ দেন।

Published by: Simli Dasgupta
First published: January 7, 2021, 6:51 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर