• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • দেশ
  • »
  • PUNE RICKSHAW DRIVER RETURNSS BAG FULL OF CASH JEWELLERY WORTH RS 7 LAKH TO COUPLE WHO FORGOT IT TC

ব্যাগভর্তি সোনা ও নগদ পেয়েও ফিরিয়ে দিলেন রিকশাচালক !

ব্যাগভর্তি সোনা ও নগদ পেয়েও ফিরিয়ে দিলেন রিকশাচালক !

(Image: Reuters)

সোনা ও নগদ মিলিয়ে প্রায় ৭ লক্ষ টাকা পেয়েও ফিরিয়ে দিলেন রিকশাচালক। ঘটনাটি ঘটেছে পুণেতে।

  • Share this:

    #পুণে: সৎ মানুষের অস্তিত্ব এখনও শেষ হয়ে যায়নি। সংখ্যায় কম হলেও বিশ্বের আনাচে কানাচে এখনও অনেক সৎ মানুষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন। সেই সততারই প্রমাণ করলেন পুণের ৬০ বছর বয়সী রিকশাচালক। বাড়িতে নুন আনতে পান্তা ফুরোয় দশা। তবু সততার পথ থেক সরতে নারাজ  ভিট্টাল মাপারে নামের ওই রিকশাচালক। সোনা ও নগদ মিলিয়ে প্রায় ৭ লক্ষ টাকা পেয়েও ফিরিয়ে দিলেন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে পুণেতে। নেটদুনিয়ায় এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভিট্টালকে কুর্নিশ জানিয়েছেন নেটিজেনরা।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার এক দম্পতি কেশব নগর এলাকা থেকে ভিট্টাল মাপারের রিকশাতে ওঠেন এবং হাদপসর বাস-স্ট্যান্ডে তাঁরা নেমে যান। ভুলবশত ব্যাগটি রিকশাতে ফেলে চলে যান। ঘটনার প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে পেশায় রিকশাচালক ভিট্টাল মাপারে বলেন, ‘‘আমি যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে রিকশা নিয়ে কিছুটা এগিয়ে যাই। বিটি কাওয়াদে রাস্তায় যাই , সেখানে আমি আমার গাড়িটি চা খাওয়ার জন্য পার্ক করি । তখনই আমি লক্ষ্য করলাম এই ব্যাগটি পিছনের সিটে পড়ে আছে। আমি এটি না খুলে কাছাকাছি থাকা ঘোড়পাড়ি চৌকিতে গিয়ে ইনস্পেক্টর বিজয় কদমের কাছে তা জমা দিয়ে আসি।’’

    সাব ইন্সপেক্টর কদম পিটিআই-কে জানান , "আমরা আমাদের নিয়ম মেনে ব্যাগটি খুলি , খোলার সময় আমরা ১১ তোলা ওজনের সোনার গয়না , ২০ হাজার টাকা নগদ, সবকিছু মিলিয়ে প্রায় ৭ লক্ষ ডলার এবং কিছু পোশাক পেয়েছি। আমরা হাদপসার থানায় যোগাযোগ করেছি ওখানেই তারা আছেন যাদের ব্যাগটি হারিয়েছিল। হাদপসার পুলিশ আমাদের জানায় মাহবুব এবং শানাজ শাইখ ইতিমধ্যে তাদের নিখোঁজ ব্যাগের অভিযোগ থানায় এসেছেন । সেখানে আমরা ব্যাগটি পাঠিয়ে দি। মুন্ধওয়া থানায় ব্যাগটি দম্পতির হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ কমিশনার সুহাস বাউছে রিকশাচালককে অভিনন্দন জানান তাঁর এই কাজের জন্য ।"

    পরিবার প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে পেশায় রিকশাচালক ভিট্টাল মাপারে বলেন তিনি বহু বছর ধরে রিকশা চালাচ্ছেন। তাঁর স্ত্রী ও একটি ছেলে রয়েছে। ছেলে একটি ছোট বেসরকারি সংস্থায় কাজ করে। কোনওরকমে তাঁদের সংসার চলে। তিনি আরও জানান যে এই কাজের জন্য তিনি অনেকের কাছ থেকেই প্রশংসা পাচ্ছেন,যা তাঁর খুব ভাল লাগছে। তিনি এও বলেন এটাই আমার জীবনে পাওয়া সেরা পুরস্কার। মানুষ হয়ে মানুষের উপকার তো করে উচিত।

    Published by:Siddhartha Sarkar
    First published: