রণক্ষেত্র দিল্লি! লাঠিচার্জ আর কাঁদানে গ্যাসের মধ্যেই ব্যারিকেড ভেঙে লালকেল্লা চত্বরে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা

রণক্ষেত্র দিল্লি! লাঠিচার্জ আর কাঁদানে গ্যাসের মধ্যেই ব্যারিকেড ভেঙে লালকেল্লা চত্বরে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা
লালকেল্লা চত্বরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন কৃষকরা

বেশ কয়েকজন কৃষক আন্দোলনকারীকে অস্ত্রপ্রদর্শন করতেও দেখা গেল। সূত্রের খবর বিক্ষুব্ধ কৃষকদের সঙ্গে সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ আহতও হয়েছেন।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: কৃষি আইনের বিরোধিতায় কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দিল্লি। সাধারণতন্ত্র দিবসে কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিল সুরক্ষা বলয় ভেদ করে পৌঁছল সংসদ ভবন, সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন আইটিও চত্বরে। লালকেল্লা সংলগ্ন এলাকাতেও পৌঁছেছে একটি দল। পথে দফায় দফায় খণ্ডযুদ্ধ বাধল কৃষকদের সঙ্গে দিল্লি পুলিশের। লাঠিচার্জ থেকে জলকামান, কাঁদানে গ্যাসের ব্যবহার, কোনওটাই বাদ রইল না। বেশ কয়েকজন কৃষক আন্দোলনকারীকে অস্ত্রপ্রদর্শন করতেও দেখা গেল। সূত্রের খবর বিক্ষুব্ধ কৃষকদের সঙ্গে সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ আহতও হয়েছেন।

    দিল্লি পুলিশের তরফে কৃষকদের বারবার অনুরোধ করা হচ্ছে নির্ধারিত রুট ধরেই মিছিল করতে। আইনভঙ্হ করার অনুরোধও করা হচ্ছে বারবার।

    সাধারণতন্ত্র দিবসে তিনটি পথে মিছিল করার অনুমতি পান কৃষিআইন বিরোধী বিক্ষুব্ধ কৃষকরা। ৩৭টি শর্তও বেঁধে দেওয়া হয়। বলা হয় কোনও দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়া যাবে না। তবে মঙ্গলবার সকালে একদিকে যখন রাজপথে কুচকাওয়াজের ঘনঘটা তখন শুরুতেই শর্ত লঙ্ঘন করে দিল্লি পুলিশকে বিপাকে ফেলেন সিংঘু ও টিকরি সীমানায় জমা হওয়া এই কৃষকরা। ক্রমেই তারা এগোতে থাকেন রাজধানীর দিকে। পথে দফায় দফায় ব্যারিকেড ভাঙেন তাঁরা।


    সংক্যুত কিষাণ মোর্চার একজন প্রতিনিধির দাবি যারা সময়ের আগে ব্যারিগেড ভাঙলেন তারা কিষাণ মজদুর সংঘর্ষ কমিটির সদস্য। তাঁরা সোমবারই ঘোষণা করেছিল,সাধারণ তন্ত্র দিবসে রিংরোডে পৌঁছবে তাদের ট্রাক্টর মিছিল। ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট অধিবেশনের দিনে সংসদে পদযাত্রার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের।

    নিরাপত্তা বজায় রাখতে আপাতত নানগলোই, নানগোলোই রেলস্টেশন, রাজধানী পার্ক, গেভরা, তিকরি কলন, তিকরি বর্ডার, পন্ডিত শ্রীরাম শর্মা, বাহাদুরগড় সিটি, ব্রিগেডিয়ার হোশিয়ার সিং স্টেশনে প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে।

    Published by:Arka Deb
    First published: