যোগী সরকারের উপর চাপ বাড়িয়ে উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রে প্রিয়াঙ্কা

যোগী সরকারের উপর চাপ বাড়িয়ে উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রে প্রিয়াঙ্কা

গত ১৭ জুলাই সোনভদ্রের ঘোরাওয়াল গ্রামে জমির দখল নিতে যান গ্রামপ্রধান যজ্ঞ দত্ত। সঙ্গে ট্র্যাক্টর বোঝাই দুশোর কাছাকাছি লোকজন। গ্রামপ্রধানের এই সশস্ত্র বাহিনী জমি দখল করতে গেলে স্থানীয় আদিবাসী কৃষকরা বাধা দেন।

  • Share this:

#উত্তরপ্রদেশ: দলের মধ্যে চাপানউতোর। কিন্তু, তিনি ছুটছেন। উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকারের উপর চাপ বাড়িয়ে সোনভদ্রে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা। দেখা করলেন, গত মাসে জমি বিবাদে খুন হওয়া নিহতদের পরিজনের সঙ্গে। এ নিয়ে বিজেপির গলায় কটাক্ষের সুর।

গত মাসে আটকে দিয়েছিল যোগী আদিত্যনাথের পুলিশ। আটক করে রেখেছিল চুনার দূর্গে। এবার আর সেরকম কিছু ঘটেনি। মঙ্গলবার সোনভদ্রে প্রিয়ঙ্কা গান্ধি বঢরা। দেখা করেন জমি বিবাদে খুন হওয়া আদিবাসীদের পরিজনের সঙ্গে৷ সোনভদ্রে যাওয়ার আগে প্রিয়ঙ্কা টুইটারে লেখেন, চুনারে দুর্গে বন্দি থাকার সময়ই আক্রান্ত পরিবারগুলিকে তিনি কথা দিয়েছিলেন, উম্ভা গ্রামে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে দেখা করবেন। সেই মতোই নিহতদের পরিবারের খোঁজখবর নিতে তাঁর সোনভদ্র সফর।

গত ১৭ জুলাই সোনভদ্রের ঘোরাওয়াল গ্রামে জমির দখল নিতে যান গ্রামপ্রধান যজ্ঞ দত্ত। সঙ্গে ট্র্যাক্টর বোঝাই দুশোর কাছাকাছি লোকজন। গ্রামপ্রধানের এই সশস্ত্র বাহিনী জমি দখল করতে গেলে স্থানীয় আদিবাসী কৃষকরা বাধা দেন। তখন ওই বাহিনী প্রায় আধঘণ্টা ধরে নির্বিচারে গুলি চালায়। মারা যান ১০ জন। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই জাতীয় রাজনীতিতে ঝড় ওঠে। সোনভদ্র ছোটেন প্রিয়ঙ্কা। কিন্তু, মাঝপথে মির্জাপুরে তাঁকে আটকে দেয় যোগী আদিত্যনাথের পুলিশ। তখন রাস্তাতেই ধরনায় বসে পড়েন প্রিয়ঙ্কা। নাছোড় প্রিয়ঙ্কাকে শেষমেশ গাড়িতে তুলে চুনার দুর্গের গেস্টহাউসে আটক করে রাখে বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশের পুলিশ। চাপে পড়ে পালটা সুর চড়াতে শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। দাবি করেন, এই জমি বিবাদের শুরু নাকি কংগ্রেসের আমলে, ১৯৫৫ সালে। সেই সুরই এ দিন ফের শোনা গেল বিজেপি নেতা জে ভি এল নরসিমা রাওয়ের গলাতেও। চুনার দূর্গে বন্দি অবস্থাতেই নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছিলেন প্রিয়ঙ্কা। এবার সোনভদ্রে গিয়ে আক্রান্ত আদিবাসীদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধি।

First published: 04:02:31 PM Aug 14, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर