• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • 'কালো টাকা আয়ের পথ বন্ধ হচ্ছে!' কৃষি আইন নিয়ে বিরোধীদের পাল্টা আক্রমণ মোদির

'কালো টাকা আয়ের পথ বন্ধ হচ্ছে!' কৃষি আইন নিয়ে বিরোধীদের পাল্টা আক্রমণ মোদির

গত তিন সপ্তাহ ধরেই দেশে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমছে৷ একই সঙ্গে কমছে করোনা সংক্রমণের হার এবং মৃতের সংখ্যাও৷ শনিবার এমনই দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷

গত তিন সপ্তাহ ধরেই দেশে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমছে৷ একই সঙ্গে কমছে করোনা সংক্রমণের হার এবং মৃতের সংখ্যাও৷ শনিবার এমনই দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷

কংগ্রেসের নাম না করেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, চার প্রজন্ম ধরে ক্ষমতায় থাকা একটি দল হতাশা থেকেই শুধুমাত্র বিরোধিতা করার জন্য এই বিরোধিতায় উস্কানি দিচ্ছে৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: 'যাঁরা কৃষি আইনের বিরোধিতা করছেন তাঁরা আসলে কৃষকদেরই অপমান করছেন', সোমবার ইন্ডিয়া গেটের সামনে ট্র্যাক্টর পুড়িয়ে যুব কংগ্রেসের বিক্ষোভ নিয়ে এ দিন এই ভাষাতেই বিরোধীদের পাল্টা আক্রমণের পথে হাঁটলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, নতুন আইন কার্যকর হলে কৃষকরা নিজের ফসল ইচ্ছেমতো বিক্রি করার স্বাধীনতা পাবেন৷ আর সেটাই কেউ কেউ সহ্য করতে পারছেন না৷ কারণ তার ফলে অনেকেরই কালো টাকা আয়ের একটি পথ বন্ধ হয়ে যাবে৷

    এ দিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উত্তরাখণ্ডের বেশ কয়েকটি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন করতে গিয়ে কৃষি আইন নিয়ে বিরোধীদের বিক্ষোভের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী৷ তিনি বলেন, 'সংসদের সদ্য সমাপ্ত অধিবেশনে কৃষক, শ্রমিকদের এবং স্বাস্থ্যক্ষেত্রের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হয়েছে৷ এই সংস্কারগুলি শ্রমিক, তরুণ, মহিলা, কৃষকদের হাতে আরও ক্ষমতা দেবে৷ কিন্তু গোটা দেশ দেখছে শুধুমাত্র বিরোধিতা করার জন্য কিছু মানুষ কীভাবে এই সংস্কারের বিরোধিতা করছে৷' প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, 'যে যন্ত্র এবং সরঞ্জামগুলিকে কৃষকরা পুজো করেন, তাতে আগুন লাগিয়ে আসলে তাঁদেরকেই অপমান করা হচ্ছে৷'

    প্রধানমন্ত্রী এ দিনও অভিযোগ করেছেন, ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিয়ে কৃষকদের বিভ্রান্ত করছে বিরোধীরা৷ নরেন্দ্র মোদি বলেন, 'শুধুমাত্র যে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের ব্যবস্থা চালু থাকবে তাই নয়, পাশাপাশি নিজেদের ফসল নিজেদের ইচ্ছে মতো বিক্রি করার স্বাধীনতা পাবেন কৃষকরা৷ কিন্তু কারও কারও তা সহ্য হচ্ছে না৷ কারণ তাদের কালো টাকা আয় করার একটা পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে৷'

    কংগ্রেসের নাম না করেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, চার প্রজন্ম ধরে ক্ষমতায় থাকা একটি দল হতাশা থেকেই শুধুমাত্র বিরোধিতা করার জন্য এই বিরোধিতায় উস্কানি দিচ্ছে৷ নতুন তিনটি কৃষি বিল আইনে পরিণত হলেও তা নিয়ে বিক্ষোভ থামছে না৷ বরং ক্রমেই তা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে৷ ইতিমধ্যে নতুন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও করেছেন কেরলের এক কংগ্রেস সাংসদ৷ একই আবেদন নিয়ে পঞ্জাব সরকারও সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: