• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • দেওরের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে নারাজ, পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে গুলি করে খুন রাজস্থানে

দেওরের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে নারাজ, পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে গুলি করে খুন রাজস্থানে

প্রেগন্যান্সি মানেই যখন তখন মুড সুইং আর নানা রকম খাবারের প্রতি টান৷ কারও আচার খেতে ইচ্ছা হয়, কারও আইসক্রিম৷ জেনে নিন কেন এগুলো খেতে ইচ্ছা হয়৷

প্রেগন্যান্সি মানেই যখন তখন মুড সুইং আর নানা রকম খাবারের প্রতি টান৷ কারও আচার খেতে ইচ্ছা হয়, কারও আইসক্রিম৷ জেনে নিন কেন এগুলো খেতে ইচ্ছা হয়৷

নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যেত যখন পল্লবী তাঁর দেওরের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে অস্বীকার করতেন । এরমধ্যেই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন পল্লবী । কিন্তু তাতেও নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই মেলেনি ।

  • Share this:

    #জয়পুর: দেওরের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে রাজি হননি বৌদি, আর সে কারণেই জীবন দিয়ে তার দাম চোকাতে হল পাঁচ মাসের গর্ভবতী এক মহিলাকে । গত রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের শ্রী গঙ্গানগর জেলায় । সকাল ৯টা ৪০ মিনিট নাগাদ প্রচণ্ড জোরে গুলির আওয়াজ শোনেন স্থানীয়রা । কিন্তু ঘটনাস্থলে সকলে এসে পৌঁছানোর আগেই পালিয়ে যায় অভিযুক্ত যুবক ।

    পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত পল্লবী ছাবড়া নামের ওই মহিলার বিয়ে হয়েছিল গত বছরের মে মাসে । শ্রী গঙ্গানগরের রবিদাস নগর এলাকার আনসুল ছাবড়ার সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর । পাঁচ মাসের গর্ভাবস্থা চলছিল তাঁর । পল্লবীর পরিবার রবিবার বেলা ১১টা নাগাদ পুলিশের কাছে একটি মামলা দায়ের করে । পল্লবীর বাবা হেমরাজ মিদ্দা পুলিশকে জানান, মেয়ের শ্বশুরমশাই তাঁর বিয়ের পরপরই মারা গিয়েছিলেন । এরপর থেকেই শাশুড়ি-সহ পরিবারের অন্যরা পল্লবীকে দোষারোপ করতে শুরু করে । মেয়ের শাশুড়ি বারংবার তাঁর মেয়েকে জোর করত দেওরের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য । বিয়ের পর থেকেই এই অত্যাচার শুরু হয় । অতিরিক্ত পণের দাবি তুলতে থাকে তারা । শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছে যায় । নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যেত যখন পল্লবী তাঁর দেওরের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে অস্বীকার করতেন । এরমধ্যেই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন পল্লবী । কিন্তু তাতেও নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই মেলেনি ।

    পল্লবীর বাবা জানান, শনিবার রাতেও মেয়ের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল । পল্লবী জানিয়েছিল, শ্বশুরবাড়ির প্রত্যেকে তাঁকে ওই বাড়িতে বন্দী করে রেখেছে । পরের দিন সকালেই পল্লবীর মৃত্যুর খবর আসে ।

    পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুর করেছে । মৃতার স্বামীও শাশুড়িকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ । যদিও অভিযুক্ত এখনও পলাতক । মৃতদেহ স্থানীয় হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে ।

    Published by:Simli Raha
    First published: