• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • আসন্নপ্রসবা মুসলমান! ফেরাল সরকারি হাসপাতাল, পথেই নবজাতকের মৃত্যু

আসন্নপ্রসবা মুসলমান! ফেরাল সরকারি হাসপাতাল, পথেই নবজাতকের মৃত্যু

৩২ বছরের ওই মহিলার প্রসব যন্ত্রণা শুরু হওয়ায় তাঁর স্বামী তাঁকে নিয়ে যান স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে।

৩২ বছরের ওই মহিলার প্রসব যন্ত্রণা শুরু হওয়ায় তাঁর স্বামী তাঁকে নিয়ে যান স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে।

৩২ বছরের ওই মহিলার প্রসব যন্ত্রণা শুরু হওয়ায় তাঁর স্বামী তাঁকে নিয়ে যান স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে।

  • Share this:

    #জয়পুরঃ"মুসলমান, আপনার চিকিৎসা এই হাসপাতালে হবে না।" প্রসূতিকে একথা বলে অন্য চিকিৎসকের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন মহিলা চিকিৎসক। আর তার ফল হল মারাত্বক। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেই সন্তানের জন্ম দিলেন ওই মহিলা। তারপরেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল নবজাতক।

    মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের ভারতপুরে। ৩২ বছরের ওই মহিলার প্রসব যন্ত্রণা শুরু হওয়ায় তাঁর স্বামী তাঁকে নিয়ে যান স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে। সেখানে সেই সময় কর্তব্যরত ছিলেন এক মহিলা চিকিৎসক। মহিলার স্বামী ইরফান খানের অভিযোগ,  ওই চিকিৎসক তাঁর স্ত্রীকে না দেখে প্রথমেই তাঁদের নাম, ঠিকানা জিজ্ঞাসা করেন। তারপরেই সাফ জানিয়ে দেন, আপনি মুসলিম। এখানে আপনার চিকিৎসা হবে না। এখানেই শেষ নয়। এরপর ওই মহিলা চিকিৎসক অন্য এক চিকিৎসকের কাছে আসন্ন প্রসবাকে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। সেখানে নিয়ে যাওয়ার সময়ই অ্যাম্বুলেন্সে সন্তানের জন্ম দেন ৩২ বছরের ওই মহিলা। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যু হয় ওই সদ্যোজাতের।

    ভরতপুরের মহিলা হাসপাতালের প্রিন্সিপাল রূপেন্দ্র ঝা-র দাবি, ‘‘ওই অন্তঃসত্ত্বা মহিলার অবস্থা সঙ্কটজনক হওয়ায় তাঁকে জয়পুরে রেফার করা হয়েছিল। তবে কোনও ত্রুটি ঘটে থাকলে তার তদন্ত করা হবে।’’ এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে টানাপড়েন শুরু হয়েছে রাজস্থানের কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারের অন্দরে। ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন রাজস্থানের পর্যটনমন্ত্রী বিশেন্দ্র সিংহ। তাঁর দাবি, ‘‘মুসলিম মহিলাকে ধর্মের জন্য ভরতপুরের মহিলা হাসপাতাল থেকে জয়পুরে পাঠানো হল। ভরতপুরের বিধায়কই রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বিষয়টি লজ্জাজনক।’’ ঘটনা প্রসঙ্গে রাজস্থানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা ভরতপুরের বিধায়ক সুভাষ গর্গ অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। সুভাষ গর্গ বলেন, "সম্পূর্ণ ঘটনা তদন্ত করে দেখছে জেলা প্রশাসন। আমি ঘটনার পূর্ণ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি।"

    এদিকে, ইরফান জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে প্রসব যন্ত্রণা শুরু হওয়ায় তিনি প্রথমে সিক্রির স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নিয়ে যান স্ত্রীকে। অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় সেখান থেকে আরবিএম জিনানা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। শনিবার শোকালে সেখানে গিয়ে পৌঁছন তাঁরা।  সেখানে যাওয়ার পরেই কর্তব্যরত চিকিৎসক মুসলিম সম্প্রদায়ের হাওয়ায় রোগীকে না দেখে ফের স্থানান্তর করে দেন জয়পুরে। আর সেখানে যাওয়ার পথেই মারা যায় তাঁর সন্তান।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: