corona virus btn
corona virus btn
Loading

চাকরি নেই, বাড়ি ফিরতে ৮ মাসের গর্ভবতী স্ত্রীকে নিয়ে খালি পেটে ১০০ কিমি হাঁটতে বাধ্য হল স্বামী!

চাকরি নেই, বাড়ি ফিরতে ৮ মাসের গর্ভবতী স্ত্রীকে নিয়ে খালি পেটে ১০০ কিমি হাঁটতে বাধ্য হল স্বামী!
এর পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, মালদহ, উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরেও কোনও করোনা রোগীর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ PHOTO- FILE
  • Share this:

#নয়াদিল্লি: লকডাউনের মধ্যে বারবারই চোখে পড়ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের । দেশ জুড়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের অসহায়তার ছবি বারবার ফুটে উঠছে সংবাদ মাধ্যমে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় । লকডাউনের ফলে কাজ হারিয়েছেন হাজার হাজার শ্রমিক । কাজ বন্ধ, অথচ বাড়িও ফিরতে পারছেন না তাঁরা । দেশ জুড়ে চরম সঙ্কটের মুখে এই শ্রমিকরা । তার মধ্যেই বাড়ানো হয়েছে লকডাউনের মেয়াদ । যাতে আরও সমস্যায় পড়েছেন এই অসহায় মানুষগুলো । চাকরি চলে যাওয়ায় দিল্লির সাহারানপুর থেকে নিজের বাড়ি বুলন্দশহরে ফেরার সংকল্প করেছিলেন স্বামী-স্ত্রী । এদিকে স্ত্রীর গর্ভে বাড়ছে ছো্ট্ট একটা প্রাণ । তবু কিছু করার নেই । মাথার উপর খোলা আকাশ, পেটে নেই এক ফোঁটা খাবার, ৮ মাসের গর্ভবতীকে নিয়ে হেঁটেই চলেছেন অসহায় স্বামী । অবশেষে ১০০ কিলোমিটার হেঁটে মেরঠে পৌঁছনোর পর একটা অ্যাম্বুলেন্স পান স্বামী-স্ত্রী । শেষ পর্যন্ত তাতে চড়ে বাড়ি ফেরা সম্ভব হয় যুগলের ।

গত শনিবার মেরঠেরশোহরাব গেট বাসস্ট্যান্ডে উদভ্রান্তের মতো বসেছিলেন। স্থানীয় এক দম্পতি তখন দেখতে পান বাকিল আর ইয়াসমিনকে । তাঁদের কাছ থেকে সব শুনে নৌচান্দি পুলিশ স্টেশনের সাব-ইন্সপেক্টর প্রেমপাল সিংকে সব কথা জানান ওই দম্পতি । তখন থানার তরফে বাকিল আর ইয়াসমিনকে কিছু খাবার আর টাকা দিয়ে সাহায্য করা হয় । একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাও করে দেন তাঁরা । শেষ পর্যন্ত সেই অ্যাম্বুলেন্সই বাকিলদের পৌঁছে দেয় তাঁদের গ্রামে ।

দিল্লিতে একটি ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন বাকিল । পুলিশকে তিনি জানান, একটা ঘরের মধ্যে সমস্ত লেবাররা কোনও রকমে থাকত । লকডাউনের জন্য মালিক তাঁদের বলেন, বাড়ি চলে যেতে । কিন্তু কোনও টাকা হাতে দিতে অস্বীকার করেন । ফলে হেঁটে বাড়ির পথ ধরা ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না।

First published: April 17, 2020, 8:45 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर