• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • প্লাস্টিকের চেয়ারে চেপে ৩ কিলোমিটার রাস্তা পেরোল প্রসূতি, ঘাতক রাস্তা কেড়ে নিল সন্তানের প্রাণ

প্লাস্টিকের চেয়ারে চেপে ৩ কিলোমিটার রাস্তা পেরোল প্রসূতি, ঘাতক রাস্তা কেড়ে নিল সন্তানের প্রাণ

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

রুপালির যমজ সন্তানের একজন মারা গিয়েছে। আর একজন এবং রুপালির অবস্থা স্থিতিশীল।

  • Share this:

    #ভুবনেশ্বর: দুপুর গড়াতেই প্রসব বেদনা ওঠে রুপালি সন্তার। তড়িঘড়ি বাড়ির সদস্যরা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুল্যান্সে ফোন করেন। কিন্তু বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাই তো নেই। অ্যাম্বুল্যান্স পৌঁছবে কী ভাবে? অগত্যা রুপালিকে প্লাস্টিকের চেয়ারে বসিয়ে ৩ কিলোমিটার রাস্তা পেরোতে হয় পরিবার এবং প্রতিবেশীদের। সেখান থেকে অ্যাম্বুল্যান্সে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষটুকু ভাল হয়নি। রুপালির যমজ সন্তানের একজন মারা গিয়েছে। আর একজন এবং রুপালির অবস্থা স্থিতিশীল।

    স্বাধীনতার ৭৪ বছর পরেও এই ছবি ওড়িশা কোরাপুটের দশমন্থপুর ব্লকের ঝোলাগুড়া গ্রামের। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় রাস্তা বলতে কিছুই নেই। ফলে আপদে বিপদে কোথাও যাওয়া প্রায় অসাধ্য সাধন করার মতো। চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই রোগী মারা যায় বহু সময়। বহু অভিযোগের পড়েও লাভ হয়নি। অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি।

    রুপালির পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, প্রসব বেদনা ওঠার পরেই অ্যাম্বুল্যান্সে ফোন কোয়া হয়েছিল। কিন্তু রাস্তা না থাকায় তা বাড়ি পর্যন্ত আসতে পারেনি। তাই অ্যাম্বুল্যান্স পর্যন্ত পৌঁছতে রুপালিকে প্লাস্টিকের চেয়ারে বসিয়ে কাঁধে করে তিন কিলোমিটার নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ধর্মগুড়া স্কোয়্যার থেকে অ্যাম্বুল্যান্স তাঁকে স্থানীয় দশমন্থপুর হাসপাতালে পৌঁছে দেয়। সেখানেই যমজ সন্তানের জন্ম দেন তিনি। পরিবারের দাবি, রাস্তা ভাল হলে দুই সন্তানই বেঁচে যেত। এভাবে তাঁরা সন্তানহারা হতেন না।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: