কোভিডে অনাথদের সাহায্য় প্রতিশ্রুতি মোদির, তীব্র শ্লেষের বাণ নিয়ে ফের ময়দানে হাজির পিকে

ফের মোদির সমালোচনায় মুখর প্রশান্ত কিশোর।

সাংবিধানিক অধিকারকে সুনিশ্চিত করতে পিএম-কেয়ার প্রকল্পকে সামনে নিয়ে আসার জন্য রীতিমতো শ্লেষ ছুঁড়ে দিয়েছেন ভোটকুশলী পিকে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: শনিবারে দেশের কোভিডে অনাথ হওয়া শিশুদের শিক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ‌দিয়ে ট্যুইট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ট্যুইটকেই বিঁধে ফের আসরে প্রশান্ত কিশোর। সাংবিধানিক অধিকারকে সুনিশ্চিত করতে পিএম-কেয়ার প্রকল্পকে সামনে নিয়ে আসার জন্য রীতিমতো শ্লেষ ছুঁড়ে দিয়েছেন ভোটকুশলী পিকে।

    গতকাল নরেন্দ্র মোদি মোদি ট্যুইটে লেখেন, বহু শিশু করোনায় বাবা মাকে হারিয়ে অনাথ হ‌য়েছে। তাদের জন্য সহানুভূতিশীল এই সরকার। পিএম-কেয়ার এই শিশুদের শিক্ষা এবং অনান্য আনুষঙ্গিক চাহিদা পূরণের দায়িত্ব নিচ্ছে। আর এই বার্তাতেই চটেছেন পিকে। তাঁর যুক্তি শিশুদের শিক্ষা তো সাংবিধানিক ভাবেই অবৈতনিক, তা নাগরিক অধিকারের আওতাতেই পড়ে। তিনি লিখেছেন, আরও একবার তথাকথিত মাস্টারস্ট্রোক খেলেছে মোদি সরকারে। যেখানে কোভিড অব্যবস্থাকে ঢাকতে নতুন করে শিশুদের প্রতি সহমর্মিতা দেখানো হচ্ছে। শিশুদের এখন এই মুহূর্তে সাহায্য দরকার।

    পিকের ট্যুইট-

    পিকে আরও লিখেছেন, যা ইতিমধ্যেই সাংবিধানিক অধিকার তা আমাদের দেওয়ার জন্য মোদি সরকারে প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।

    প্রসঙ্গত চিকিৎসা কাঠামো নিয়েও কেন্দ্রকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি প্রশান্তকিশোর। তাঁর ট্যুইটের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরকে ধন্যবাদ তাঁরা আয়ুষ্মান ভারতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যেখানে প্রয়োজনে অক্সিজনে ও এবং বেড পাওয়া যায় না, সেখানে যে ৫০ কোটির স্বাস্থ্যসুরক্ষার এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

    বাংলার ভোট শেষ হয়েছে। পিকের সংস্থা আইপ্যাকের কর্মীরা এখন কুলিং পিরিয়ডে রয়েছে। অর্থাৎ ভোট পরবর্তী ছুটি কাটাচ্ছে তাঁরা। পিকে নিজে এর পর ঠিক কোন ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন তা এখনই অনিশ্চিত। তবে মোদি বিরোধিতায় তিনি যে অবিচল তা বুঝিয়ে দিচ্ছে তাঁর পোস্টই।

    Published by:Arka Deb
    First published: