• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • মোদির আবেদন সাড়া দিলে বসে যাবে পাওয়ার গ্রিড, বিপর্যয়ের আশঙ্কা মহারাষ্ট্রের বিদ্যুৎ মন্ত্রীর

মোদির আবেদন সাড়া দিলে বসে যাবে পাওয়ার গ্রিড, বিপর্যয়ের আশঙ্কা মহারাষ্ট্রের বিদ্যুৎ মন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রীর আবেদন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা৷ PHOTO- ANI

প্রধানমন্ত্রীর আবেদন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা৷ PHOTO- ANI

মহারাষ্ট্রের বিদ্যুৎ মন্ত্রী নীতিন রাউতের সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও৷

  • Share this:
    প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে গোটা দেশের মানুষ একসঙ্গে সমস্ত আলো নিভিয়ে দিলে বাস্তবেই আঁধার নেমে আসতে পারে গোটা দেশে৷ এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মহারাষ্ট্রের বিদ্যুৎ মন্ত্রী নীতিন রাউত৷ তাঁর দাবি, একসঙ্গে গোটা দেশের বিদ্যুতের চাহিদা হঠাৎ শূন্যে নেমে গেলে এবং কয়েক মিনিটের মধ্যেই একসঙ্গে সব আলো জ্বালালে জাতীয় পাওয়ার গ্রিডের উপর বিপুল চাপ পড়বে৷ যার জেরে পাওয়ার গ্রিড বসে গিয়ে গোটা দেশে বিদ্যুৎ বিপর্যয় নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মহারাষ্ট্রের বিদ্যুৎমন্ত্রী৷ তাঁর সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও৷ শুক্রবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিডিও বার্তায় আবেদন জানিয়েছেন, করোনার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের বার্তা দিতে রবিবার রাত ৯টা থেকে ৯ মিনিটের জন্য দেশের সব আলো নিভিয়ে দিয়ে মোমবাতি এবং প্রদীপ জ্বালাতে হবে৷ প্রধানমন্ত্রীর এই আবেদন মানলে গোটা দেশ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মহারাষ্ট্রের বিদ্যুৎমন্ত্রী৷ তাঁর দাবি, একবার যদি পাওয়ার গ্রিড বসে যায় তাহলে পরিষেবা স্বাভাবিক হতে ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা লাগতে পারে৷ সেক্ষেত্রে হাসপাতালের মতো জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রগুলি সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ বিহীন হয়ে পড়তে পারে৷ সতর্ক করে মহারাষ্ট্রের বিদ্যুৎমন্ত্রী জানিয়েছেন, হাসপাতালগুলি বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হলে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসাই ব্যাহত হবে৷ বিষয়টি বুঝিয়ে নীতিন রাউত বলেন, 'যদি একসঙ্গে সব আলো নিভিয়ে দেওয়া হয়, তার জেরে গোটা দেশ ব্ল্যাক আউটের কবলে পড়তে পারে৷ কারণ চাহিদা এবং জোগানের মধ্যে বিপুল ফারাক তৈরি হবে৷ এমনিতেই লকডাউনের জেরে কলকারখানা বন্ধ থাকায় বিদ্যুতের দৈনিক চাহিদা ১৩ হাজার মেগাওয়াট থেকে নেমে ২৩ হাজার মেগাওয়াটে নেমে এসেছে৷' নীতিন রাউত অবশ্য দাবি করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর আবেদন মেনে মোমবাতি বা প্রদীপ জ্বালানো নিয়ে তাঁর কোনও আপত্তি নেই৷ কিন্তু একসঙ্গে সব আলো না নেভানোর আবেদন জানিয়েছেন তিনি৷ পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, আচমকা সব আলো একসঙ্গে নিভিয়ে দিলে তার কী প্রভাব বিদ্যুৎ বন্টন ব্যবস্থার উপরে পড়বে, আধিকারিকদের তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ অন্যান্য রাজগুলিও পরিস্থিতি সামাল দিতে আগাম প্রস্তুত হচ্ছে৷ উত্তর প্রদেশের সরকারি বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থাও পাওয়ার গ্রিডের বিপর্যয় এড়াতে রবিবার রাত ৮টা থেকেই ধাপে ধাপে লোডশেডিং করানোর ব্যবস্থার কথা ভেবে রেখেছে৷ আবার তামিলনাড়ুতেও সরকারি বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থার সদর দফতরে রবিবার রাত ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত পর্যাপ্ত সংখ্যায় কর্মীদের হাজির থাকতে বলা হয়েছে৷
    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: