Home /News /national /
শুক্রবারও বর্ধমানে লকডাউন নিশ্চিত করতে তৎপর পুলিশ

শুক্রবারও বর্ধমানে লকডাউন নিশ্চিত করতে তৎপর পুলিশ

করোনার সংক্রমণ রুখতে বুধবার থেকেই টানা লকডাউন চলছে বর্ধমান শহর এলাকায়।

  • Share this:

#বর্ধমান: বৃহস্পতিবার বর্ধমানে লকডাউনে পুলিশ তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। শুক্রবারও বর্ধমানের রাস্তায় থাকলো। ঘর থেকে বাইরে বের হওয়া বাসিন্দাদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালালো পুলিশ। সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় অনেককেই বাড়ি ফেরানোও হল। তবে বৃহস্পতিবার রাস্তাঘাট ছিল শুনশান। শুক্রবার সে তুলনায় অনেককেই রাস্তায় বের হতে দেখা গিয়েছে। আগামকাল শনিবার আবার কড়া লকডাউন হবে বলে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

করোনার সংক্রমণ রুখতে বুধবার থেকেই টানা লকডাউন চলছে বর্ধমান শহর এলাকায়। আপাতত সাতদিন এই লকডাউন চালানো হব।লকডাউনের জেরে শুক্রবার বর্ধমানের জিটি রোডের দু'পাশের দোকানপাট বন্ধ ছিল। বি সি রোড বাজার বন্ধ ছিল। সোনাপট্টি,চাঁদনী চক, বড়বাজার, বীরহাটার সব দোকান ছিল তালাবন্ধ।  বাস বা অন্যান্য ভারী যান চলাচল করেনি। তবে গতকালের তুলনায় এদিন বেশি সংখ্যায় বাসিন্দাদের রাস্তায় বের হতে দেখা গিয়েছে। অনেকেই শনিবারের লকডাউনের কথা মাথায় রেখে খাদ্য সামগ্রী সংগ্রহ করতে বাইরে বেরিয়েছিলেন। এছাড়া এদিন সকালের দিকে সবজি বাজার খোলা ছিল। পাড়ায় পাড়ায় মুদিখানা দোকানও খোলা ছিল। তাই এদিন বাড়তি ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে।

লকডাউন চললেও প্রথম দিনের মতো এদিন কিন্তু শহরে ঢোকার প্রবেশপথগুলোতে সেভাবে নজরদারি ছিল না। ফলে বাইরে থেকে অনেকেই এদিন বিনা বাধায় শহরে ঢুকেছেন। সচেতন বাসিন্দারা বলছেন, যেহেতু বর্ধমান শহর লাগোয়া এলাকাগুলিতে ব্যাপকভাবে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে তাই সেইসব এলাকার বাসিন্দারাও যাতে শহরে ঢুকতে না পারেন সেদিকে কড়া নজরদারি থাকা প্রয়োজন। বর্ধমান শহরেও আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপক আকার নিয়েছে। ফলে এই শহরে এসে অনেকে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হতে পারেন। আবার বাইরে থেকে আসা বাসিন্দাদের মাধ্যমেও শহরে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। আগামী দিনগুলিতে যাতে সেদিকে কড়া নজরদারি থাকে তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন পুলিশ প্রশাসনের।

বর্ধমান থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অনেক জায়গাতেই সকালের দিকে মুদিখানা দোকানে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। সেইসব বিক্রেতাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে খাদ্য সামগ্রী বিক্রি করতে বলা হয়েছে। অনেক জায়গায় এদিন বেলা একটার পর মুদিখানা দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে এদিনও ফল বা সবজির পসরা নিয়ে রাস্তার ধারে কাউকে বসতে দেয়নি।আগামীকাল শনিবার মুদিখানা দোকান বা সবজি বাজার কিছুই খোলা থাকবে না বলে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকায় এলাকায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র চিকিৎসা ও অন্যান্য জরুরি পরিষেবা এই লকডাউনের  আওতার বাইরে থাকবে।

Saradindu Ghosh

Published by:Debalina Datta
First published:

Tags: Coronavirus, Lockdown, Purba bardhaman

পরবর্তী খবর