আকাঙ্খা হত্যাকাণ্ড: পুলিশের জেরায় চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি, ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে রায়পুরে পুলিশ– News18 Bengali

আকাঙ্খা হত্যাকাণ্ড: পুলিশের জেরায় চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি, ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে রায়পুরে পুলিশ

৷ ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে উদয়নকে সঙ্গে নিয়ে রায়পুরে পৌঁছল ভোপাল পুলিশ ৷ সঙ্গে রয়েছে বাঁকুড়া পুলিশও ৷

Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Feb 05, 2017 11:25 AM IST
আকাঙ্খা হত্যাকাণ্ড: পুলিশের জেরায় চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি, ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে রায়পুরে পুলিশ
Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Feb 05, 2017 11:25 AM IST

#ভোপাল: অরকুটে পরিচয়। কলকাতার হোটেলে রাত কাটানো। ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ। মিথ্যে বলে বাড়ি ছাড়া। দিল্লি হয়ে ভোপাল। একাধিক জায়গায় ছুটি কাটানো - লিভ ইন। আকাঙ্খা - উদয়নের সম্পর্কে পরতে পরতে রহস্য। আকাঙ্খা বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। এই সন্দেহেই গলা টিপে খুন করে উদয়ন দাস। পাশের ঘরে বাক্সে দেহ ভরা হয়।

বন্ধুত্ব থেকে প্রেম। লিভ ইন। শেষপর্যন্ত মন্দিরে গিয়ে বিয়ে। গত ৯ বছরে আকাঙ্খা-উদয়নের সম্পর্ক যেভাবে এগিয়েছে, তা হার মানাবে সিনেমার টানটান চিত্রনাট্যকেও। প্রেমিকাকে খুনের পরও দেহ লুকিয়ে রাখতে অভিনব পরিকল্পনা উদয়নের।

জেরায় উদয়ন স্বীকার করেছেন,‘ গলা টিপে খুনের পর দেহ পাশের ঘরে বাক্সে ভরে ফেলি। বাক্সের উপর সিমেন্টের প্রলেপ দিয়ে ঘর বন্ধ করে দিই। দুর্গন্ধ ছড়ানোয় রবি নামে এক রাজমিস্ত্রিকে ডেকে মাটি খোঁড়া হয়। মাটির ভেতর বাক্স পুঁতে দিই। পরে অন্য এক মিস্ত্রি ডেকে মার্বেল দিয়ে জায়গা বাঁধিয়ে নিই। ’

জেরায় এবার আকাঙ্খা শর্মা খুনের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত উদয়ন দাসের কাছ থেকে আরও সাংঘাতিক তথ্য জানতে পারল পুলিশ ৷ লিভ-ইন পার্টনার আকাঙ্খাকে খুনের আগে নিজের বাবা-মা-কেও খুন করেছিল উদয়ন ! ২০১০ সালে নিজের বাবা-মা-কে খুন করে বাগানে দেহ পুঁতে দেয় উদয়ন বলে পুলিশের জেরায় স্বীকার করেছে সে ৷ ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে উদয়নকে সঙ্গে নিয়ে রায়পুরে পৌঁছল ভোপাল পুলিশ ৷ সঙ্গে রয়েছে বাঁকুড়া পুলিশও  ৷ রায়পুরে বাড়ির সামনে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ ৷ যেখানে দেহ পুঁতে রাখার কথা জানিয়েছেন উদয়ন সেখানটা খুঁড়ে দেখা হবে বলে জানা গিয়েছে ৷

অন্যদিকে, ভোপাল পুলিশের উপর অসন্তুোষ প্রকাশ করেছে রাজ্য পুলিশ ৷

তথ্য ফাঁস করছে ভোপাল পুলিশ ৷ এর জেরে তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে বলে

Loading...

আশঙ্কা রাজ্য পুলিশের ৷

সম্পর্কের জেরেই খুন। গত ৯ বছরে কোন পথে এগিয়েছিল আকাঙ্খা-উদয়নের সম্পর্ক? উদয়নকে জেরায় উঠে এসেছে তথ্য।

২০০৭

অরকুটে আকাঙ্খার সঙ্গে আলাপ উদয়নের

তখন জয়পুরের কলেজে পড়ত আকাঙ্খা

জয়পুরের আকাঙ্খা-উদয়নের প্রথম সাক্ষাৎ

আকাঙ্খা নিজের প্রেমিকের সঙ্গে আসে

২০১৪

হাওড়ায় আকাঙ্খা-উদয়নের দ্বিতীয় সাক্ষাৎ

হাওড়ার হোটেল মনীশে তারা রাত কাটায়

২০১৫

জানুয়ারিতে দিল্লি যান আকাঙ্খা

দিল্লিতে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন আকাঙ্খা

সেই বাড়িতে উদয়নের যাতায়াত

৩-৪ দিন আকাঙ্খার বাড়িতে ছিল উদয়ন

২০১৫ এর জুনে আকাঙখার মা ও দাদার সঙ্গে দেখা করেছিল উদয়ন। ২০১৬-র জুন মাসে ভোপালে এসে উদয়নের সঙ্গে থাকতে শুরু করে আকাঙ্খা। পরে পুরনো বয়ফ্রেন্ডের মেসেজ  নিয়ে শুরু হয় সমস্যা। বাবা-মা মেয়ের খোঁজ শুরু না করলেও এই খুনের কথা হয়তো কখনই প্রকাশ্যে আসত না।

First published: 11:25:17 AM Feb 05, 2017
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर