স্ট্যাচু অফ ইউনিটির সঙ্গে জুড়বে ভারত, ৮টি নয়া ট্রেনের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

স্ট্যাচু অফ ইউনিটির সঙ্গে জুড়বে ভারত, ৮টি নয়া ট্রেনের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
স্ট্যাচু অফ ইউনিটির সঙ্গে জুড়বে ভারত, ৮টি নয়া ট্রেনের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

কেভাডিয়াকে নিয়েই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে গুজরাতকে জুড়তে আটটি নয়া ট্রেনের উদ্ধোধন করেন মোদি৷ ভিডিও কনফারেন্সে ভার্চুয়াল উদ্ধোধনের সময় স্ট্যাচু অফ ইউনিটির পর্যটক সমাগমের প্রসঙ্গ তুললেন তিনি৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: নিউ ইয়র্কের ‘স্ট্যাচু অফ লিবার্টি’ নয়, পর্যটক সমাগমে এগিয়ে গুজরাতের ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’৷ রবিবার এমনটাই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ গত দু'বছরে ৫০ লক্ষ পর্যটক স্ট্যাচু অফ ইউনিটি দেখতে এসেছেন বলেও জানান মোদি৷

    গুজরাতের পর্যটক টানতে এদিন বিরাট পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। কেভাডিয়াকে নিয়েই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে গুজরাতকে জুড়তে আটটি নয়া ট্রেনের উদ্ধোধন করেন মোদি৷ ভিডিও কনফারেন্সে ভার্চুয়াল উদ্ধোধনের সময় স্ট্যাচু অফ ইউনিটির পর্যটক সমাগমের প্রসঙ্গ তুললেন তিনি৷

    ২০১৮ সালে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৪৩ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গুজরাতের কেভাডিয়াতে বিশ্বের দীর্ঘতম স্ট্যাচুর উদ্ধোধন করেন মোদি৷ এদিন ট্রেন উদ্ধোধনের অনুষ্ঠানে মোদি বলছেন, " কেভাদিয়া আজ গুজরাতের প্রত্যন্ত এলাকার কোনও ছোট ব্লক নয়, বিশ্বের সবচেয়ে বড় পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে তার উত্থান হয়েছে৷ স্ট্যাচু অফ লিবার্টির তুলনায় বেশি মানুষ স্ট্যাচু অফ ইউনিটি দেখতে এসেছেন৷ উদ্বোধনের পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৫০ লক্ষ মানুষ এসেছেন৷ করোনা মহামারির জন্য মাসের পর মাস সব বন্ধ থাকা সত্ত্বেও কেভাডিয়াতে পর্যটক সমাগম দ্রুত বাড়ছে৷"

    কেভাডিয়ার কথায় মোদি আরও বলেন, "একটি সমীক্ষায় অনুমান করা হচ্ছে যে সংযোগ বাড়ার সঙ্গেই প্রতিদিন এক লক্ষেরও বেশি মানুষ কেভাডিয়ায় আসবেন৷ পরিবেশ সংরক্ষণের সঙ্গেই কীভাবে পরিকল্পিত ভাবে অর্থনীতি ও বাস্তুশাসনের বিকাশিত হতে পারে, তার উদাহরণ এই ছোট্ট, সুন্দর কেভাডিয়া৷"

    মোদি এদিন যে আটটি ট্রেনের উদ্বোধন করলেন সেগুলি হল- কেভাডিয়া-বারাণসী, কেভাডিয়া-দাদর, কেভাডিয়া-আহমেদাবাদ, কেভাডিয়া-হজরত নিজামুদ্দিন, কেভাডিয়া-রেওয়া, কেভাডিয়া-এমজিআর স্টেশন, কেভাডিয়া-প্রতাপনগর মেমু ও প্রতাপনগর-কেভাডিয়া মেমু। এর মধ্যে আমেদাবাদ থেকে কেভাডিয়া পর্যন্ত চলবে অত্যাধুনিক জনশতাব্দী এক্সপ্রেস৷ শনিবারই জনশতাব্দীর ভিস্তাডোম কামরার ছবি ট্যুইট করেছিলেন মোদি৷

    এদিন তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা দক্ষিণী সুপারস্টার প্রয়াত এমজি রামচন্দ্রণেরও জন্মবার্ষিকী। সেই কথা মাথায় রেখেই কেভাডিয়ার সঙ্গে চেন্নাইয়ের এমজি রামচন্দ্রণ স্টেশন থেকেও ট্রেন চালু করা হল। মোদি জানিয়েছেন যে, অভিনয় থেকে রাজনীতি সব জায়গায় নিজের ছাপ রেখে মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় নিজের জায়গা করে নেন এমজিআর৷ তাঁর অবদানের কথা মাথায় রেখেই চেন্নাই সেন্ট্রাল স্টেশনের নাম পাল্টে এমজিআরের নামে করা হয়েছে বলেও জানেন তিনি৷

    মোদি বলেছেন যে, রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও বাড়ার ফলে পর্যটকদেরই শুধু সুবিধা হবে না, এখানে চাকরির সুযোগও গড়ে উঠবে৷ মোদি বললেন,"স্ট্যাচু অফ ইউনিটির পরিদর্শন করতে আসা পর্যটকরা এই রেল যোগাযোগের সুবিধা তো পাবেনই, তবে এর ফলে কেভাডিয়ার মানুষের জীবনেও পরিবর্তন আসতে চলেছে। এতে কর্মসংস্থান এবং স্বনিযুক্তির নতুন সুযোগ আসবে"

    Published by:Subhapam Saha
    First published: