corona virus btn
corona virus btn
Loading

নৃশংস ভাবে খুন গর্ভবতী হাতিকে, খাবারে বাজি মিশিয়ে খাওয়ানো হল, মুখেই ফাটল বাজি

নৃশংস ভাবে খুন গর্ভবতী হাতিকে, খাবারে বাজি মিশিয়ে খাওয়ানো হল, মুখেই ফাটল বাজি

কেরলে একটি হাতিকে খাবারের মধ্যে বাজি মিশিয়ে খাইয়ে খুন করল একদল গ্রামবাসী

  • Share this:

#কেরল: কোথায় হারাচ্ছে মানবিকতা, দয়া, মায়া ? দিনদিন কি আরও বর্বর হয়ে উঠছে মানুষ ? সম্প্রতি কেরলের হাতি হত্যার নৃশংস ঘটনাটি  আরেকবার সেই প্রশ্ন তুলে ধরল!

পলক্কড় অঞ্চলের সাইলেন্ট ভ্যালি ন্যাশনাল পার্কের একটি গর্ভবতী হাতিকে খাবারের মধ্যে বাজি মিশিয়ে খাইয়ে খুন করল একদল গ্রামবাসী। জানা যায়, খাবারের সন্ধানে জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে চলে আসে হাতিটি। তখনই একদল গ্রামবাসী বাজি এবং বারুদে ঠাসা আনারস খেতে দেয় হাতিকে। খিদের চোটে কিছুই বুঝতে পারেনা হাতিটি, মুখে নিয়ে নেয় আনারস! তারপরের ঘটনা মর্মান্তিক! মুখের ভিতরেই বিস্ফোরণ হয় বারুদে ঠাসা আনারসের! আর তারপরে যা হয়, তাতে লজ্জায় মাথা হেঁট করা উচিত 'মনুষ্য কূল'-এর!

মুখের ভিতর বাজি বিস্ফোরণের তীব্র জ্বালা-যন্ত্রণা সহ্য করেও  চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে মা হাতি। কোনওরকম অঘটন ঘটায় না, কারও ক্ষতি করেনা, কাউকে আক্রমণ করে না! শান্ত ভাবেই ব্যাথা সহ্য করে সে! কিন্তু একসময়ে আর পারে না! হার মানে! গর্ভের সন্তান-সহ মৃত্যু হয়ে হাতিটির।

বাজির বিস্ফোরণে হাতিটির মুখের ভিতরের অংশ, শুঁড় পুড়ে যায়! অসহায় অবস্থায় নদীর জলে শুঁড় ডুবিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে যদি একটু আরাম মেলে! নৃশংস ঘটনাটি প্রকাশ্যে আনেন নিলাম্বুরের সেকশন ফরেস্ট অফিসার মোহন কৃষ্ণণ। তিনি লেখেন, '' দুই দশকের বেশি কর্মজীবনে ২৫০-রও বেশি হাতির ময়নাতদন্ত করেছি। এই প্রথম কোনও মৃত্যু এতটা নাড়া দিয়ে গেল। হাতে মৃত ভ্রুণটিকে নিয়ে নিজেকে সামলাতে পারিনি। প্রথমে ধারণা ছিলনা হাতিটি গর্ভবতী।''

মোহন কৃষ্ণণ আরও জানান, ভেলিয়ার নদীতে শুঁড় আর মুখ ডুবিয়ে দাঁড়িয়েছিল আহত হাতিটি। হয়তো ভেবেছিল এতে জ্বালা-যন্ত্রণা একটু কমবে। দ'টি কুনকি হাতির সাহায্যে আহত হাতিটিকে নদীর পারে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু ততক্ষণে মৃত্যু হয়েছে হাতিটির। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, ফুসফুসে জল ঢুকে মারা যায় হাতিটি। ওয়াইল্ড লাইফ ওয়ারডেন স্যামুয়েল পাচাউ জানান ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে।

Published by: Rukmini Mazumder
First published: June 2, 2020, 11:26 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर