প্রতিবাদের পর রাস্তা পরিষ্কার ! জামিয়া পড়ুয়াদের স্বচ্ছ অভিযান মন কাড়ল নেটদুনিয়ার

প্রতিবাদের পর রাস্তা পরিষ্কার ! জামিয়া পড়ুয়াদের স্বচ্ছ অভিযান মন কাড়ল নেটদুনিয়ার
  • Share this:

#নয়াদিল্লি: জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া ও আলিগড়ের মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের উপর পুলিশি নিগ্রহে তদন্তের আরজি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। আরজি হাইকোর্টে পাঠিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। ‘তথ্য খতিয়ে দেখার সময় নেই’, মন্তব্য প্রধান বিচারপতির।

কিন্তু এরই মাঝে ফের নেট দুনিয়া তোলপাড় করল জামিয়ার পড়ুয়ারা ৷ তবে এবার প্রতিবাদ নয়, বরং প্রতিবাদ শেষে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের আবর্জনা পরিষ্কার করে রাতরাতি নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়িয়ে নিল জামিয়ার ‘প্রতিবাদী’ পড়ুয়ারা ৷ গোটা বিশ্বের কাছে রীতিমতো নজির গড়ল তাঁরা ৷ প্রমাণ করল তাঁর, প্রতিবাদের ভাষা হিংসাত্মক নয়, বরং দেশকে ভালোবাসার আরেক ছবি ৷ রাস্তা পরিষ্কারের মাধ্যমে নাগরিক দায়িত্বগুলোকেও যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল জামিয়ার পড়ুয়ারা ৷ আর তাঁর এই পদক্ষেপ নিয়েই এখন আলোচনায় জমে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া ৷

সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দায়ের করেছিল প্রাক্তনী সংসদ আর ২ পড়ুয়া। আহত পড়ুয়াদের চিকিৎসা আর পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদনে মামলা করেছিল পড়ুয়ারা। প্রধান বিচারপতির এজলাসে শুনানি হওয়ার কথা ছিল।

সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দায়ের করেছিল প্রাক্তনী সংসদ আর ২ পড়ুয়া। আহত পড়ুয়াদের চিকিৎসা আর পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদনে মামলা করেছিল পড়ুয়ারা। প্রধান বিচারপতির এজলাসে শুনানি হওয়ার কথা ছিল।

সোমবার সকালেই প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হন ইন্দিরা জয়সিংহ, কলিন গঞ্জালভেসরা। প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, 'পড়ুয়া বলেই কেউ আইন-শৃঙ্খলা নিজের হাতে তুলে নেওয়ার ছাড়পত্র পেয়ে যায়নি। পরিস্থিতি ঠান্ডা হলেই এ বিষয়ে বিচার করতে হবে।’

Jamia

পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়ে ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নাজমা আখতার। অভিযোগ উড়িয়ে পডুয়াদের বিরুদ্ধে দুটি ধারায় মামলা করেছে পুলিশ।

জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, রাতে দিল্লি পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ুয়াদের উপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে ৷ আহত হন বহু পড়ুয়ারা ৷ আটক করা হয় ১০০-ওরও বেশি পড়ুয়াদের ৷ জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবাদের রেশ আছড়ে পড়ল আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটিতে৷ নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শুরু হয় প্রতিবাদ৷ শয়ে-শয়ে পড়ুয়ারা সামিল হন এই প্রতিবাদ বিক্ষোভে৷ তবে পুলিশের লাঠি চার্জ এবং টিয়ার গ্যাস ছোঁড়ায় পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে৷ জামিয়ার প্রতিবাদের কথা শুনেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা৷ সকলে মিলে জমায়াত করেন বাবে স্যার সায়েদ গেটে এবং স্লোগান দিতে শুরু করেন৷ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শুরু হয় তাদের প্রতিবাদ৷ এরপরই পুলিশের ব্যাডিকেড ভাঙতে শুরু করেন পড়ুয়ারা৷ ক্যাম্পাসের প্রতিটি গেট আটকায় পুলিশ৷ পরিস্থিতি সামলাতে লাঠি চালায় পুলিশ৷ সঙ্গে কাঁদানে গ্যাসও ছোঁড়া হয়৷ এতেই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে৷

First published: December 17, 2019, 4:28 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर