corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘‌পিরিয়ডস’ লকডাউন মানে না!‌ স্যানিটারি প্যাডের বদলে কাপড় ব্যবহার করছে ওঁরা‌

‘‌পিরিয়ডস’ লকডাউন মানে না!‌ স্যানিটারি প্যাডের বদলে কাপড় ব্যবহার করছে ওঁরা‌
Social worker in Godda district Bandana Dubey says she has been approached by almost a thousand girls so far for providing sanitary napkins.

আমরা অন্য অনেক জিনিস ত্যাগ করতে পারি, চেষ্টা করতে পারি কষ্ট করে থেকে যাওয়ার। কিন্তু পিরিয়ডস তো আর লকডাউন মানে না।

  • Share this:

#রাঁচি:‌ যখন স্কুল খোলা ছিল, তখন সেখান থেকে নিয়মিত স্যানিটারি প্যাড পেত শান্তি, শর্মিলা। ওরা ক্লাস নাইনের ছাত্রী। কিন্তু লকডাউনের বাজারে বন্ধ হয়ে গিয়েছে স্কুল। তাই আর স্যানিটারি প্যাড পাচ্ছে না ওরা। কিন্তু পিরিয়ডস তো আর লকডাউন মানে না। তাই আপাতত ছেঁড়া কাপড়, গামছাই ভরসা ওদের।

‘‌আমরা অন্য অনেক জিনিস ত্যাগ করতে পারি, চেষ্টা করতে পারি কষ্ট করে থেকে যাওয়ার। কিন্তু পিরিয়ডস তো আর লকডাউন মানে না। তাই এই মাসটা আমাদের ছেঁড়া কাপড় আর গামছা ব্যবহার করেই কাটিয়ে দিতে হবে।’‌ ঝাড়খণ্ডের প্রত্যন্ত এলাকায় এটাই এখন চেনা ছবি।

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীরা কেন্দ্রীয় সরকারের একটি বিশেষ প্রকল্পের আওতায় সাধারণত স্যানিটারি প্যাড পেয়ে থাকে। এই প্রকল্পের নাম কিশোরী শক্তি যোজনা। ২০১৬ সালে প্রাক্তন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসও সখী নামে একটি বিশেষ প্রকল্প শুরু করেন। সেখানেও স্যানিটারি প্যাড দেওয়া হয়। আর মাওবাদি প্রভাবিত এলাকা, দরিদ্র আদিবাসী সমাজের যে মেয়েরা এখন স্কুলে যাচ্ছে, তাঁরা মূলত সরকারি স্যানিটারি প্যাডের ওপরেই নির্ভরশীল। আর লকডাউনের সময় ঝাড়খন্ড সরকার দরিদ্র মানুষের কাছে খাবারদাবারও পৌঁছে দিচ্ছে। কিন্তু সেই অত্যাবশ্যকীয় তালিকায় নেই স্যানিটারি প্যাড। তেলঙ্গানা, কর্নাটকে স্যানিটারি প্যাডকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকায় যুক্ত করা হলেও ঝাড়খণ্ডে তা হয়নি। যদিও এই নিয়ে ঝাড়খণ্ড সরকারের থেকে কোনও জবাব পাওয়া যায়নি। বিরোধী বিজেপি সরকারকে কটাক্ষ করে বলেছে, যে পদ্ধতি ব্যবহার করে খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়, সেই পদ্ধতি মেনে স্যানিটারি প্যাড পৌঁছলেও তো হয়। সরকারের পরিকল্পনার অভাবে এটা হচ্ছে।

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: April 23, 2020, 9:15 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर