• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • রাঁচিতে সরকারি হাসপাতালে মেঝেতে খেতে দেওয়া হল রোগীকে

রাঁচিতে সরকারি হাসপাতালে মেঝেতে খেতে দেওয়া হল রোগীকে

খাবারের জন্য মেলেনি প্লেট ৷ তাই হাসপাতালের মেঝেতে খাবার খেতে হচ্ছে রোগীকে ৷ এমনই এক অমানবিক ছবি চোখে পড়ল রাঁচি ইন্সটিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স হাসপাতালে ৷

খাবারের জন্য মেলেনি প্লেট ৷ তাই হাসপাতালের মেঝেতে খাবার খেতে হচ্ছে রোগীকে ৷ এমনই এক অমানবিক ছবি চোখে পড়ল রাঁচি ইন্সটিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স হাসপাতালে ৷

খাবারের জন্য মেলেনি প্লেট ৷ তাই হাসপাতালের মেঝেতে খাবার খেতে হচ্ছে রোগীকে ৷ এমনই এক অমানবিক ছবি চোখে পড়ল রাঁচি ইন্সটিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স হাসপাতালে ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #রাঁচি: খাবারের জন্য মেলেনি প্লেট ৷ তাই হাসপাতালের মেঝেতে খাবার খেতে হচ্ছে রোগীকে ৷ এমনই এক অমানবিক ছবি চোখে পড়ল রাঁচি ইন্সটিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স হাসপাতালে ৷

    রাঁচির সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতালের এই করুণ ছবি প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্কের ঝড় উঠেছে ৷

    পালমতি দেবী নামে এক রোগী হাতে ব্যান্ডেজ বাধা অবস্থায় তার খাবার ভাত, ডাল সবজি মেঝে থেকে তুলে খাচ্ছেন ৷ খাবার দেওয়ার আগে ওয়ার্ড বয়রা তাকে দিয়ে প্রথমে মেঝে পরিষ্কার করায় ৷ হাত ভাঙা থাকা সত্ত্বেও তাকে মেঝে পরিষ্কার করতে বাধ্য করা হয় ৷ এরপর সেই মেঝেতেই তাকে খেতে দেওয়া হয় ৷

    নিজের প্লেট না থাকায় পালমতি দেবী প্লেট চান ৷ কিন্তু হাসপাতালের রান্নার কর্মীরা তাকে জানান যে হাসপাতালে কোনও প্লেট নেই ৷ অথচ সরকারের থেকে ৩০০ কোটি টাকা সাহায্য পায় এই হাসপাতাল ৷

    ঘটনার পর ওয়ার্ড বয়কে বহিস্কার করা হয়েছে ৷ এরপর ডিসপোজেবল প্লেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে ৷ কালাহান্ডি, বালেশ্বর, কানপুর ও মীরাটের ঘটনার পর সরকারি হাসপাতালে রোগীদের বেহাল অবস্থা নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে বারবার ৷ দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ালেও মানুষের মধ্যে কোনও সচেতনা বাড়েনি এটাই তার প্রমান ৷

    গত কয়েক সপ্তাহে কালা হান্ডির দানামাঝি, কানপুরের সুশীল কুমার, মালকানগিরির খেমেডু দম্পতির ঘটনায় যে অমানবিক চিত্র সামনে এসেছিল তার থেকে এই ঘটনা  আলাদা নয় ৷ প্রসঙ্গত,  টাকা না দিলে যাবে না অ্যাম্বুলেন্স, তাই দু’বছরের শিশুর মৃতদেহ কোলে নিয়ে হতভাগ্য মাকে হাসপাতালের বাইরে রাস্তায় কাটালেন গোটা একটা রাত ৷

    সন্তান হারা ইমরানা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁর অসুস্থ দু’বছরের শিশু কন্যা চিকিৎসাধীন ছিলেন মীরাটের জেলা হাসপাতালে ৷ চিকিৎসকদের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি তাঁকে ৷ সন্তানের মৃত্যুর পর গ্রামে ফেরার জন্য একটা অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা দেওয়ার জন্য হাসপাতাল কর্মী ও চিকিৎসকদের কাছে কাকুতি মিনতি করে ইমরানা ৷ কিন্তু কেউই তাঁর আর্জিতে কান দেননি ৷

    First published: