দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

সুখবর! কমছে যাত্রীবাহী বিমানের টিকিটের দাম, কমবে উড়ানের সময়ও

সুখবর! কমছে যাত্রীবাহী বিমানের টিকিটের দাম, কমবে উড়ানের সময়ও

উড়ানপথে আরও ১০ শতাংশ এলাকায় ছাড় পাচ্ছে যাত্রীবাহী বিমানগুলি

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: উড়ানপথে আরও ১০ শতাংশ এলাকায় ছাড় পাচ্ছে যাত্রীবাহী বিমানগুলি। সূত্রের খবর, ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে এয়ারস্পেসে আরও ১০ শতাংশ এলাকায় যাত্রীবাহী বিমানের যাতায়াতের উপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হচ্ছে। এর জেরে উড়ানের সামগ্রিক খরচ কমার পাশাপাশি যাত্রার সময়ও কমবে। জানা যাচ্ছে, লখনউ-জয়পুর, মুম্বই-শ্রীনগর-সহ ১২টি বিমানরুটে এই সিদ্ধান্ত প্রাথমিক ভাবে কার্যকর হতে চলেছে। এর জেরে প্রতি উড়ানে প্রায় ৪০,০০০ টাকা পর্যন্ত বাঁচাতে পারবে বিমান পরিবহণ সংস্থাগুলি। উপকৃত হবেন যাত্রীরাও। কারণ কমতে পারে টিকিটের দামও।

বর্তমানে যাত্রীবাহী বিমানগুলির জন্য ভারতীয় এয়ারস্পেসের মাত্র ৬০ শতাংশ বরাদ্দ, যেখানে বিনা বাধায় চলাচল করতে পারে বিমানগুলি। উড়ানপথের বাকি অংশটি সেনাকর্তৃক নিয়ন্ত্রিত। এ ক্ষেত্রে যদি আরও বেশি করে এয়ারস্পেস ব্যবহার করা যায়, তা হলে উড়ানের খরচ প্রায় ১০০০ কোটি টাকা পর্যন্ত কমতে পারে। দিন কয়েক আগে এই বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। শোনা গিয়েছে ভারতের অসামরিক বিমান পরিবহণ পরিষেবা ক্ষেত্রকে আরও সুদৃঢ় করতে সম্প্রতি দেশের অসামরিক বিমান পরিবহন পরিষেবার আধিকারিক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সূত্র ধরেই একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ।

বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, করোনা পরিস্থিতির জেরেই দেশের অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে এমন পদক্ষেপ করা হয়েছে। আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, এ'বার থেকে ইন্ডিয়ান এয়ারস্পেস তথা উড়ানপথকে এমন ভাবে ব্যবহার করা হবে, যাতে যাত্রার সময় কমে। এর জেরে যাত্রীদের উপকারের পাশাপাশি বিমান পরিবহণ সংস্থাগুলির খরচও বাঁচবে । কমবে বিমানের টার্ন অ্যারাউন্ড টাইমও। এ'ক্ষেত্রে এক শহর থেকে অন্য শহরে যাতায়াতের সময় কমাতে এ বার থেকে যাত্রীবাহী বিমানগুলি সেনাকর্তৃক নিষিদ্ধ এলাকা দিয়েও উড়তে পারবে। কারণ বায়ুসেনার তরফে ইতিমধ্যেই সবুজ সঙ্কেত হিসেবে ১০ শতাংশ এয়ারস্পেসে ছাড় মিলেছে।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, দিল্লি-মুম্বই উড়ানের গড় সময় প্রায় ২ ঘণ্টা। এ ক্ষেত্রে যদি কোনও ডিরেক্ট রুট নেওয়া যায়, যার দৈর্ঘ্য আরও কম হয়, তা হলে সময়টা অন্তত ১৫-৩০ মিনিট পর্যন্ত কমানো যেতে পারে। গড় সময়ও দু'-ঘণ্টার থেকে কমতে পারে। সব থেকে বড় বিষয় হল, এর জেরে কমপক্ষে ১০০০ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি বাঁচানো যাবে। বিষয়টিকে সামগ্রিক ভাবে দেখলে ফ্লাইট টার্ন অ্যারাউন্ডের সময়ও কমবে। অর্থাৎ দিনে বিমান যাতায়াতের সংখ্যা বাড়বে, লাভের পরিমাণ বাড়বে বিমান পরিবহণ সংস্থাগুলির, ফলে কমতে পারে টিকিটের দামও।

Published by: Rukmini Mazumder
First published: October 19, 2020, 7:58 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर