নাগরিকত্ব বিল ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্যসভা, বিরোধীদের নিশানায় মোদি সরকার

নাগরিকত্ব বিল ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্যসভা, বিরোধীদের নিশানায় মোদি সরকার
  • Share this:

#কলকাতা: বিজেপির টার্গেট বাংলা। নতুন অস্ত্র নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। যা ভোঁতা করতে রাজ্যসভাতেও সুর চড়াল তৃণমূল। চেষ্টা করল বিজেপির গায়ে বাংলা বিরোধী তকমা সেঁটে দিতে।

মোদি সরকারের নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধিতায় শুরু থেকেই সরব তৃণমূল। লোকসভায় তৃণমূলের মুখ ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যসভায় সুর চড়ান ডেরেক ও’ব্রায়েন। মোদির শাসনকালকে তুলনা করেন হিটলারের জমানার সঙ্গে। চেষ্টা করেন বিজেপির গায়ে বাংলা বিরোধী তকমা সেঁটে দেওয়ার।

ডেরেক ও’ব্রায়েন, তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা বলেন, ‘‘ এই বিল ভারত বিরোধী। বাংলা বিরোধী.....৩৩ সালে হয়েচিল কনসেনট্রেশন ক্যাম্প। ১৮ সালে ডিটেনশন ক্যাম্প। যেখানে ৬০ শতাংশ বাঙালি হিন্দু। হিটলার বলতেন বিগ লাই। এখনও শুধু লাই। ভারতের সামনে না কি বিপদ বলে মিথ্যে প্রচার করা হচ্ছে ৷ ’’

এনআরসি ধাক্কা মোকাবিলায় নাগরিকত্ব বিলকে অস্ত্র করতে চাইছে বিজেপি। তাদের টার্গেট বাংলার উদ্বাস্তু ভোটব্যাঙ্ক। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই বিল আইনে পরিণত হলে লাভববান হবেন রাজ্যের মতুয়ারা। ভোটে তার ডিভিডেন্ড মিলবে। তৃণমূল অবশ্য এই তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়েছে। বিরোধীদের একসুরে দাবি, মোদি সরকারের এই বিল সংবিধান বিরোধী। আদালতে গেলেই যা বাতিল হয়ে যাবে।

কংগ্রেসের দাবি, ধর্মের ভিত্তিতে এ ভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া যায় না। পাল্টা হিসেবে লোকসভায় অমিত শাহ দাবি করেন, ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ তো কংগ্রেসই করেছে। এ দিন রাজ্যসভা থেকে এর জবাব দেন আনন্দ শর্মা।

তিনি বলেন, দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবক্তা ছিল হিন্দু মহাসভা, তার নেতা ছিলেন বিনায়ক সাভারকর। এই তত্ত্ব মেনে নিয়েছিল মুসলিম লিগও। হিন্দু মহাসভা ও মুসলিম লিগই লর্ড লিনলিথগোকে চিঠি দিয়েছিল ৷

লোকসভার পরে রাজ্যসভাতেও নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস হয়ে গেলে তা আটকাতে জল গড়াতে পারে আদালতে।

First published: 04:38:37 PM Dec 11, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर