• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • PARLIAMENT MONSOON SESSION 2021 STARTS FROM TODAY 19 JULY CENTRE AND OPPOSITION CLASH AWAITING SB

Parliament Session 2021: কোমর বাঁধছে বিরোধীরা, মোদির ইমেজ 'বাঁচাতে' মরিয়া BJP-ও! বাদল অধিবেশনে ঝড়ের ইঙ্গিত

লড়াই যখন সংসদে

Parliament Session 2021: মূলত পেট্রোল ডিজেলের দামবৃদ্ধি এবং করোনাভাইরাস (Coronavirus) মোকাবিলায় কেন্দ্রের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে এবার সংসদের বাদল অধিবেশনে সবচেয়ে বেশি সরব হবে বিরোধীরা।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: সোমবার থেকে শুরু হতে চলেছে সংসদের বাদল অধিবেশন (parliament monsoon session 2021)। তার আগে রবিবারই সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীর ডাকে সর্বদল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেশ কিছুক্ষণের জন্য সেই বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছিলেন রাজনাথ সিং, পীযূষ গোয়াল, তৃণমূলের তরফে ডেরেক ও'ব্রায়েন, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী, সমাজবাদী পার্টির রামগোপাল যাদব, সমাজবাদী পাটি, বহুজন সমাজ পার্টি, বিজেডি, সিপিএম, সিপিআই, আরএসপি, জেডি(ইউ), আরজেডি, টি আর এস, টি ডি পি, ডিএমকে, আইডিএমকে, শিরোমনি অকালি দল, ন্যাশনাল কনফারেন্স-সহ অন্যান্য দলের নেতারা। আর সেই বৈঠক থেকেই বোঝা গিয়েছে এবারের বাদল অধিবেশনে সরকারকে চাপে ফেলার প্রবল চেষ্টা চালাবে বিরোধীরা।

    মূলত পেট্রোল ডিজেলের দামবৃদ্ধি এবং করোনাভাইরাস (Coronavirus) মোকাবিলায় কেন্দ্রের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে এবার সবচেয়ে বেশি সরব হবে বিরোধীরা। কিন্তু এবারের অধিবেশনে যে বিরোধী দলকে সবচেয়ে বেশি সরব হতে দেখা যাবে, নিঃসন্দেহে তা তৃণমূল কংগ্রেস। পেট্রোল ডিজেলের দাম কিংবা কোভিড মোকাবিলার বিষয়গুলি তো রয়েছেই, তৃণমূল আরও বেশ কিছু বিষয়ে সরব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বাংলায় তৃতীয় বার তৃণমূলের ক্ষমতায় আসা এবং বিপুল সাড়া জাগিয়েও বিজেপির মাত্র ৭৭ আসনে থেমে যাওয়ার পর থেকে রাজ্য-কেন্দ্রে সম্পর্ক আরও সংঘাতের বাতাবরণ তৈরি করেছে। এর মধ্যে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় পর্ব, বিভিন্ন ধরনের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে 'অনৈতিকভাবে' কাজে লাগানো, কেন্দ্রীয় কমিশনগুলির 'অন্যায্য' ব্যবহার নিয়েও তৃণমূল সরব হবে সূত্রের খবর। রবিবারের সর্বদল বৈঠকেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংকে উদ্দেশ্য করে সমাজবাদী পার্টির বর্ষীয়াণ নেতা রামগোপাল যাদব বলেন, "আপনি প্রবীণ নেতা। অনেক কিছু দেখেছেন। সংসদীয় অভিজ্ঞতা আপনার অনেক। কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক নিয়েও আপনার জ্ঞান রয়েছে। কয়েকটি রাজ্যে(পশ্চিমবঙ্গের নাম না করে) রাজভবন তো কার্যত বিজেপির পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে। বিষয়টি আপনাদের দেখা উচিত। রাজ্যপালের ভাষণ, বক্তব্য, চালচলন এবং ট্যুইট- সবই একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে। এমনটা চলতে দেওয়া যেতে পারে না। আপনাদের মত প্রবীণ নেতাদের এই বিষয়টি দেখা উচিত।" অর্থাৎ, বিজেপি বিরোধী একটি রাজ্যের অভিযোগের প্রক্ষিতে বাকি বিরোধীরাও যে সমর্থনের বার্তা দিচ্ছেন, তা আরও প্রবলভাবে পরিলক্ষিত হতে পারে এ বারের অধিবেশনে।

    জানা গিয়েছে, এবারের অধিবেশনে মোট ৩০টি বিল 'ব়্যাটিফাই' করতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। প্রাক্তন সাংসদ এবং মিডিয়া এবার সেন্ট্রাল হলে থাকতে পারবেন না। তবে এবারের অধিবেশনে নিয়মমাফিক ভাবেই জিরো হাওয়ার এবং প্রশ্ন-উত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ২০২০ সালে বাজেট অধিবেশন দ্বিতীয়ার্ধের মাঝপথে থামিয়ে দেওয়া হয়। এর পর সেপ্টেম্বরে অধিবেশন বসে। করোনার কারণে গতবার শীতকালীন অধিবেশনও হয়নি। চলতি বছরে বাজেট অধিবেশন করোনার সংক্ষিপ্ত আকারে হয়। এবার সংসদ বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটি যে প্রস্তাব দেয়, তাতে দেখা যায় যে বাদল অধিবেশনের মেয়াদ খুব বেশি হবে না। কিন্তু তারই মধ্যে যে সরকার-বিরোধী সংঘাত তীব্র হবে, তা বলাই বাহুল্য।

    Published by:Suman Biswas
    First published: