Home /News /national /
Learning Loss: শিক্ষার ক্ষতি করছে অনলাইন ক্লাস, বলছে সমীক্ষা! ছত্তিশগড়ের প্রতিবেদনে উঠে এল তথ্য

Learning Loss: শিক্ষার ক্ষতি করছে অনলাইন ক্লাস, বলছে সমীক্ষা! ছত্তিশগড়ের প্রতিবেদনে উঠে এল তথ্য

Pandemic disruption causes Learning Loss in Chhattisgarh

Pandemic disruption causes Learning Loss in Chhattisgarh

Learning Loss: রিপোর্ট অনুসারে, কোভি়ড পরিস্থিতি পড়ুয়াদের মেধার বিকাশও কমাচ্ছে৷ ২০১৮ সাল থেকে ২০২১ সালে দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং ষষ্ঠ শ্রেণির শিশুদের মেধার যা মান ছিল, তা ক্রমশ কমছে৷ তাদের মেধা ও পড়াশোনার মান গত দশকের যে কোনো সময়ের তুলনায় কম।

আরও পড়ুন...
  • Share this:

    #রায়পুর: স্কুল খোলা নিয়ে জট অব্য়াহত৷ কোভিড পরবর্তী নিষেধাজ্ঞাগুলি ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) পড়ুয়াদের শেখার ক্ষমতা (Learning Loss) নষ্ট করেছে৷ গত দু বছরে কোভিড পরিস্থিতিতে যাদের শিক্ষাপর্ব শুরু হয়েছে, সেই সব শিশুরা এখনও পর্যন্ত বর্ণমালা চিনে উঠতে পারেনি৷ তাদের কাছে ফোন বা ল্যাপটপটাই স্কুল৷ ফলে স্কুল সংক্রান্ত যে ধারণা, তা স্বাভাবিকভাবে গড়ে উঠছে না এবং এই বিষয়টি প্রভাব ফেলছে ভয়ঙ্কর৷

    ছত্তিশগড়ের শিক্ষার বার্ষিক প্রতিবেদন অনুসারে, প্রাক কোভিড পরিস্থিতিতে রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষার ফলাফলের উন্নতি হচ্ছিল, কিন্তু ২০২০ সালের মার্চ মাসের পর থেকে স্কুল বন্ধ, যা শেখার ক্ষেত্রে ভয়াবহ ক্ষতি (Learning loss) করছে৷ ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে শিশুদের মৌলিক বিকাশ কমছে, তাদের মধ্যে স্বার্থপরতা আত্মকেন্দ্রিকতা বাড়ছে৷

    আরও পড়ুন: বাজেটে এই ১০ পদক্ষেপ নিতে হবে নির্মলাকে, তবেই হাসি ফুটবে আমজনতার মুখে!

    ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) ২৮টি জেলার ৩৩৪৩২টি পরিবারের ৩-১৬ বছর বয়সী ৪৫৯৯২ জন শিশুর সমীক্ষার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬৪৭টি স্কুল রয়েছে৷ রাজ্য সরকারের বিশেষ অনুরোধে মহামারী-আক্রান্ত বছরে পরিচালিত হয়েছিল, একজন সিনিয়র আধিকারিক জানিয়েছেন।

    রিপোর্ট অনুসারে, কোভি়ড পরিস্থিতি পড়ুয়াদের মেধার বিকাশও কমাচ্ছে৷ ২০১৮ সাল থেকে ২০২১ সালে দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং ষষ্ঠ শ্রেণির শিশুদের মেধার যা মান ছিল, তা ক্রমশ কমছে৷ তাদের মেধা ও পড়াশোনার মান  গত দশকের যে কোনো সময়ের তুলনায় কম।

    আরও পড়ুন: অল্পের জন্য রক্ষা রাজধানীর! ধানবাদ-গয়া শাখায় রেললাইনে বিস্ফোরণ, মাওবাদী পোস্টার উদ্ধার...

    একইভাবে, শিশুদের  গাণিতিক মেধাও হ্রাস পেয়েছে। দান্তেওয়াড়া, সুরাজপুর এবং বিজাপুর জেলায় সরকারি স্কুলে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সেই শিশুদের হার  তাদের সংখ্যা ৬০ শতাংশের উপরে যারা একক-অঙ্কের সংখ্যাও চিনতে পারে না । বিলাসপুর, নারায়ণপুর, দান্তেওয়াড়া, বিজাপুর এবং মুঙ্গেলিতে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মাত্র ১০ শতাংশ  শিশু যোগ-বিয়োগ শিখেছে।

    তবে এও ঠিক, মহামারি সত্ত্বেও ২০১৮ সালের তুলনায় ২০২১ সালে ভর্তির হার বেশি ছিল। তবে তারা শিখছে কতটা, সে নিয়ে প্রশ্ন থাকছে৷

    প্রধান সচিব (শিক্ষা) অলোক শুক্লা  জানিয়েছেন,  জেলাভিত্তিক তথ্য বলছে শিক্ষার হার কমেছে৷ এটা অপ্রত্যাশিত কিছু ছিল নয়৷ স্কুল বন্ধ হলে শেখার ক্ষতি হবে। এটা শুধু ছত্তিশগড়েই ঘটেনি৷ বাকি জায়গাতেও হয়েছে৷ তবে অনলাইন ক্লাস থেকে শিশুরা একেবারেই উপকৃত হয়নি এমনটাও কিন্তু নয়।

    শুক্লা বলেন, “আমরা ছাত্রদের জন্য কেন্দ্রের সাথে যৌথভাবে একটি প্রতিকারমূলক প্রোগ্রাম তৈরি করেছি। কিন্তু বর্তমানে, মহামারি পরিস্থিতিতে কারণে আমাদের এটি অনলাইনেই চালু করতে হবে৷

    বিশেষজ্ঞরা এই মুহূর্তে স্কুল খোলার পক্ষপাতী৷ তাঁরা জানাচ্ছেন,  স্কুলে টিফিন ভাগ করা, নির্দিষ্ট সময়ে আসা বা যাওয়া সব মিলিয়ে একটা শৃঙ্খলা তৈরি হয়, অনলাইন ক্লাস কিন্তু এর ক্ষতি করছে৷ এবার সামগ্রিক পরিস্থিতি বুঝেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷

    Published by:Rachana Majumder
    First published:

    Tags: Chhattisgarh, Coronavirus, School

    পরবর্তী খবর