• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • তিন দশক ধরে ভারতের বাসিন্দা, পঞ্চায়েত প্রধান হয়ে গেলেন পাকিস্তানি মহিলা!

তিন দশক ধরে ভারতের বাসিন্দা, পঞ্চায়েত প্রধান হয়ে গেলেন পাকিস্তানি মহিলা!

প্রতীকী ছবি৷

প্রতীকী ছবি৷

  • Share this:

    #এটাহ: আদতে পাকিস্তানের বাসিন্দা৷ কিন্তু গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ভারতে বসবাস করছিলেন৷ ভুয়ো তথ্য দিয়ে তৈরি করে ফেলেছিলেন নিজের রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড এবং আধার কার্ডও৷ শুধু তাই নয়, নিজের গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান হিসেবেও নির্বাচিত হয়েছিলেন বানো বেহম নামে ৬৫ বছরের ওই মহিলা৷

    সংবাদসংস্থা পিটিআই-এর খবর অনুযায়ী, এমনই ঘটনা ঘটেছে উত্তর প্রদেশের এটাহের জলেশরের গুডাও গ্রামে৷ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ার পর তদন্ত শুরু হওয়ায় গত ডিসেম্বর মাসে পঞ্চায়েত প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দেন অভিযুক্ত৷ গত বছরের জানুয়ারি মাসেই গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন বানো বেগম৷ কিন্তু তিনি বেআইনি ভাবে গ্রামে বসবাস করছেন, প্রশাসনের কাছে এমন অভিযোগ দায়ের করেন এক গ্রামবাসী৷ তদন্তে নেমে প্রশাসনিক আধিকারিকরা জানতে পারেন, বানো বেগমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সত্যি৷

    জেলাশাসক জানিয়েছেন, প্রায় ৩৫ বছর আগে আশরত আলি নামে এক ভারতীয়কে বিয়ে করেন পাকিস্তানি নাগরিক বানো৷ কিন্তু ভারতীয় নাগরিকত্ব নেননি তিনি৷ ১৯৯৫ সালে অবৈধ ভাবে ভোটার তালিকায় নিজের নাম নথিভুক্ত করেন তিনি৷ তার পরে তৈরি করে নেন রেশন কার্ড৷

    এর পর আধার কার্ডও বের করে নেন বানো বেগম৷ ২০১৫ সালে গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি৷ তদন্তে দেখা যায়, দীর্ঘমেয়াদী ভিসা থাকলেও বানো বেগমের ভারতীয় নাগরিকত্ব নেই৷ ফলে নিয়ম মতো তিনি ভারতের কোনও নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না৷

    ইতিমধ্যেই বানো বেগমের নাম ভোটার তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ যে কাগজপত্রের ভিত্তি তাঁর রেশন কার্ড এবং ভোটার কার্ড তৈরি করা হয়, সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ প্রায় ছ' মাস গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্বর্তী প্রধান ছিলেন বানো বেগম৷ এখনও পর্যন্ত ওই পাকিস্তানি মহিলার বিরুদ্ধে পুলিশে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি৷ তবে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ- প্রশাসন৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: