• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • আন্দোলনরত কৃষকের মৃতদেহ হাসপাতালের মর্গে খুবলে খেল ইঁদুর!

আন্দোলনরত কৃষকের মৃতদেহ হাসপাতালের মর্গে খুবলে খেল ইঁদুর!

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রেখে দেওয়া হয় দেহ। পরের দিন যখন দেহ বার করা হয়, তখন দেখা যায়, শরীরে একাধিক ক্ষত তৈরি হয়েছে মৃত কৃষকের।

  • Share this:

    #চণ্ডীগড়: দিল্লি ও হরিয়ানার কুন্ডলি সীমান্তে আন্দোলনরত কৃষকদেরই একজন সদস্য ছিলেন তিনি। ৭০ বছরের ওই কৃষক মারা গিয়েছে কয়েকদিন আগেই। ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর দেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সোনিপতের হাসপাতালে। সেখানেই রাজেন্দ্র সারোহা নামে ওই কৃষকদের দেহ ইঁদুরে খুবলে খেয়েছে বলে অভিযোগ। আন্দোলনরত ওই কৃষকের গত বুধবার মৃত্যু হয়েছে বিক্ষোভস্থলের কাছের একটি গ্রামে। তাঁর দেহটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্ত করা হবে বলে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, হার্ট অ্যাটাক হয়ে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর।

    জানা গিয়েছে, ফ্রিজার থেকে দেহটি বের করার পর দেখা যায় মুখ, পায়ের বেশ কিছুটা অংশ খুবলে খেয়ে ফেলেছে ইঁদুর। সেই নিয়েই নতুন করে তৈরি হয়ে বিতর্ক। কৃষকের ছেলে প্রদীপ সারোহা বলেছেন, 'শরীরে প্রচুর রক্ত দেখতে পাই আমরা। গভীর ক্ষতও ছিল সারা দেহে। সেখান দিয়েও রক্ত ঝরছিল।'

    গ্রামের পঞ্চায়েতে সিদ্ধান্ত হয় একটি প্রতিনিধি দল আন্দোলনস্থলে পাঠানো হবে। সেই দলের হয়ে কুন্ডলি সীমান্তে প্রতিবাদে অংশ নিতে যান রাজেন্দ্র। তাঁর ছেলে জানিয়েছেন, বুধবার হঠাৎ করে আন্দোলনস্থলেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তার পর সোনিপতের সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানে আনার পরেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রেখে দেওয়া হয় দেহ। পরের দিন যখন দেহ বার করা হয়, তখন দেখা যায়, শরীরে একাধিক ক্ষত তৈরি হয়েছে মৃত কৃষকের।

    এই ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও। বিজেপি শাসিত হরিয়ানা সরকারকে দুষেছে কংগ্রেস। তাদের দাবি, 'এমন বেদনাদায়ক ঘটনা গত ৭৩ বছরে কোনও দিন ঘটেনি।' প্রয়াত ওই কৃষক সোনিপতের বাইয়ানপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। সেখানে কেন্দ্রীয় কৃষিবিলের প্রতিবাদে প্রায়ই আন্দোলনে যোগ দিচ্ছিলেন তিনি। শেষ কয়েকদিন ধরে তিনি রসোই গ্রামের কাছে গিয়ে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন।

    বুধবার রাতে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সোনিপতের সিভিল হাসপাতালের চিকিৎসকেরা তাঁকে ভর্তি করে নেন। তবে ততক্ষণে তিনি মারা গিয়েছেন। তিন মাস আগে শুরু হওয়া কুন্ডলির এই বিক্ষোভে এ নিয়ে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার জেরে হাসপাতালের বিরুদ্ধে চরম গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন মৃতের পরিবার। হাসপাতালের দাবি, 'এই ঘটনায় তিনজনের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই সময় ডিউটিতে থাকা প্রত্যেকের বয়ান রেকর্ড করা হবে। এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।'

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: