#NoToJaiShriRam, হেট ক্রাইমের বিরুদ্ধে ট্যুইটারে ট্রেন্ডিং এই হ্যাশট্যাগ

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jun 26, 2019 08:32 PM IST
#NoToJaiShriRam, হেট ক্রাইমের বিরুদ্ধে ট্যুইটারে ট্রেন্ডিং এই হ্যাশট্যাগ
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jun 26, 2019 08:32 PM IST

 #নয়াদিল্লি: এককালে রামভক্ত হনুমানের মুখে শোনা যেত যে মন্ত্র আজ হেট ক্রাইমের হাতিয়ার ৷ জয় শ্রী রামের নাম নিয়ে এই বিদ্বেষমূলক অপরাধের বিরুদ্ধেই গর্জে উঠলেন নেটিজেনরা ৷ ঝাড়খণ্ড থেকে রাজস্থান, হরিয়ানা থেকে পশ্চিমবঙ্গ, গত কয়েকদিনে জয় শ্রী রামের নাম নিয়ে একের পর এক হেট ক্রাইমের ঘটনা সংবাদ শিরোনামে ৷

অসহিষ্ণুতা। সদ্য যার শিকার হয়েছেন ঝড়খণ্ডের এক যুবক। জয় শ্রীরাম বলতে বাধ্য করা হয়েছিল ওই সংখ্যালঘু তরুণকে। বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে চলে বেধড়ক মারধর। গুরুতর আহত অবস্থায় যুবককে উদ্ধারের পরও প্রাণে বাঁচানো যায়নি। পুলিশ সূত্রে খবর ২৪ বছরের মৃত যুবকের নাম তবরেজ আনসারি, তিনি তাঁর গ্রামে ফিরে যাচ্ছিলেন ৷ তখনই তাঁকে চোর সন্দেহে প্রহার করা হয়েছিল ৷

সেই ঘটনার রেশ থামতে না থামতেই সামনে এল এরাজ্যের ঘটনা। জয় শ্রীরাম না বলায় মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর শুধু নয়,চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলার ঘটনা ঘটল। ক্যানিং লোকাল ধরে ক্যানিং থেকে শিয়াদহ আসছিলেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক যুবক৷ ট্রেনে তার ওপর চড়াও হয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের কয়েকজন সদস্য৷ তাকে জয় শ্রী রাম বলতে নির্দেশ দেওয়া হয়৷ তাদের হুঙ্কারেও জয় শ্রী রাম ধ্বনি না তোলায় যুবককে প্রথমে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ৷ তারপর ওই যুবককে ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে৷

শুধু এই ঘটনাই নয় এর আগেও মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিকে নির্মমভাবে মারধর করে জয় শ্রী রাম বলতে বাধ্য করার অভিযোগ ওঠে রাজস্থানের সিরোহী জেলায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ফুটেজে দেখা গিয়েছিল মহম্মদ সেলিম নামে এক মধ্যবয়স্ক মুসলিম ব্যক্তিকে এক যুবক গালিগালাজ করছে ৷ এরপর জয় শ্রী রাম বলতে বাধ্য করে তাকে ২৫ বার থাপ্পড় মারছে বছর আঠেরোর যুবক ৷

একের পর এক এমন ঘটনা সামনে আসায় ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে নাগরিক সমাজের ৷ প্রতিবাদের হাতিয়ার হিসেবে তৈরি হয় #NoToJaiShriRam ৷ আজ দিনভর ট্যুইটারের মতো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ১৯ হাজার বার এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে ট্যুইট হয়েছে ৷

Loading...

এই প্রথম নয়, ২০১৭ সালে প্রথম মোদি সরকারের আমলেও দেশে এমন তীব্র অসহিষ্ণুতার আবহ তৈরি হয়েছিল ৷ শুধু মুসলিম অথবা শুধুমাত্র দলিত হওয়ার অপরাধে দেশের কোণায় কোণায় একের পর এক নিরীহ মানুষকে পিটিয়ে মারার ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল ভারত ৷ সেবারও সরব হয়েছিলেন নেটিজেনরা ৷

গুরুগ্রামের এক চলচ্চিত্রনির্মাতা সাবা দেওয়ান #Not in my name নামে একটি পিটিশন ও সংগঠন তৈরি করেন ৷ ওই সংগঠনের তরফে ফেসবুক, ট্যুইটার ও হোয়াটস অ্যাপের মতো সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে প্রতিবাদ গড়ে তোলা হয় ৷ গোটা দেশের ১২টি শহরে নিরীহ মানুষদের জাত ও ধর্মের নামে পিটিয়ে মারার প্রতিবাদে সামিল হন হাজার হাজার মানুষ ৷

First published: 08:17:01 PM Jun 26, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर