corona virus btn
corona virus btn
Loading

নাগরিকত্ব আইনে স্থগিতাদেশ নয়, তবে আবেদন নিয়ে কেন্দ্রকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের

নাগরিকত্ব আইনে স্থগিতাদেশ নয়, তবে আবেদন নিয়ে কেন্দ্রকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের
সুপ্রিম কোর্ট

এ দিন শীর্ষ আদালত কেন্দ্রকে একটি নোটিস পাঠিয়েছে৷ আইন নিয়ে কেন্দ্রের কাছে জবাব তলব করেছে সুপ্রিম কোর্ট৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন কার্যকরের ক্ষেত্রে আপাতত কোনও স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট৷ নয়া নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় মোট ৫৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে৷ সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, সব কটি আবেদনের শুনানি হবে ২২ জানুয়ারি৷

এ দিন শীর্ষ আদালত কেন্দ্রকে একটি নোটিস পাঠিয়েছে৷ আইন নিয়ে কেন্দ্রের কাছে জবাব তলব করেছে সুপ্রিম কোর্ট৷ অন্যদিকে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতা আজও অব্যাহত দেশজুড়ে৷ এই আইনের বিরোধিতায় শীর্ষ আদালতে মামলা করেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ, ত্রিপুরার প্রাক্তন মহারাজা কিশোর দেব বর্মন৷ নাগরিকত্ব আইনের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা৷ প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বে বেঞ্চ এই আবেদনের শুনানির দিন ১৮ ডিসেম্বর ধার্য করেছিল৷ এ দিন আদালত জানিয়ে দেয়, মোট ৫৯টি আবেদনই ২২ জানুয়ারি শোনা হবে৷

নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় মঙ্গলবার উত্তাল হয় দিল্লি৷ পুলিশকে লক্ষ করে পাথর, ইট ছোড়েন বিক্ষোভকারীরা৷ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এ দিন News18-কে বলেন, 'যাঁরা অন্য দেশ থেকে ভারতে এসেছেন, তাঁদের আমাদের সরকার নথি দেবে৷ কিন্তু ভারতের যারা নাগরিক, যাদের কাছে কাগজপত্র নেই, তাদের দেশ থেকে তাড়িয়ে দেবে? এটা কী রকম আইন? এই আইনের প্রয়োজনই নেই৷ দেশে আরও অনেক ইস্যু রয়েছে, চিন্তাভাবনা করার৷'

আজও দিল্লির জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে বিক্ষোভ৷ স্লোগান উঠছে, 'হিন্দু-মুসলিম একতা জিন্দাবাদ৷' উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে৷ জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশের মারধর নিয়েও মামলা করা হয় দিল্লি হাইকোর্টে৷ সেই মামলা শুনতে রাজি হয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট৷ কাল অর্থাত্‍ বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি৷ দিল্লি পুলিশের এফআইআর-এ এক ছাত্রের নাম রয়েছে৷

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে বলা হয়েছে, সেই সব হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টানদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, যাঁরা ধর্মীয় নিপীড়নের জেরে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে ভারতে এসে আশ্রয় নেন৷ ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনে ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য ১২ মাস টানা ভারতে থাকতে হত৷ একই সঙ্গে গত ১৪ বছরের মধ্যে ১১ বছর ভারতবাস জরুরি ছিল। সংশোধনী বিলে দ্বিতীয় নিয়মে পরিবর্তন ঘটানো হচ্ছে। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্থান থেকে আনা নির্দিষ্ট ৬টি ধর্মাবলম্বীদের জন্য ১১ বছর সময়কালটিকে নামিয়ে আনা হচ্ছে ৬ বছরে। বেআইনি অভিবাসীরা ভারতের নাগরিক হতে পারে না। এই আইনের আওতায়, যদি পাসপোর্ট বা ভিসা ছাড়া কেউ দেশে প্রবেশ করে থাকেন, বৈধ নথি নিয়ে প্রবেশ করার পর নির্দিষ্ট সময়কালের বেশি এ দেশে বাস করে থাকেন, তা হলে তিনি বিদেশি অবৈধ অভিবাসী বলে গণ্য হবেন।

Published by: Arindam Gupta
First published: December 18, 2019, 1:19 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर